ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অভিনয় থেকে বিরতির ঘোষণা দিলেন পাকিস্তানি অভিনেতা আহাদ রাজা মির ২০২৭ সালের হজে ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজ চালু করলো সৌদি আরব সৌদি আরবে যৌথ সামরিক বাহিনী মোতায়েন করছে মক্কা জোট নিউজিল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা: পোস্ট-স্টাডি ওয়ার্ক ভিসার নতুন যোগ্যতা প্রকাশ যুক্তরাজ্যের চিভনিং স্কলারশিপ: আবেদনের শেষ সুযোগ ৬ অক্টোবর রূপসায় ছেলের পর এবার বাবাকেও গুলি করে হত্যা বিমানের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল, ১০ কর্মকর্তার দায়িত্ব পুনর্বণ্টন কক্সবাজার বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের প্রস্তুতি, যুক্ত হলো নতুন সুবিধা সৌদি আরবে আরামকোর স্থাপনায় হামলায় বাংলাদেশি যুবক নিহত ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি’র গণ-সমাবেশের ডাক, গ্রেপ্তারের আশঙ্কা

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নিউইয়র্কের অভিজাত কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যৌন অসদাচরণ ও নিপীড়নের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট অ্যাসেম্বলি আয়োজিত এক জনশুনানিতে এই বিষয়টি উঠে আসে। ২০২৪ সালে একটি ভ্রাতৃসংঘের (ফ্র্যাটারনিটি) সদস্যদের বিরুদ্ধে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দায়ের করা মামলার ঘটনাটি পুরো ক্যাম্পাসকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলেছে।

জনশুনানিতে তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সোফিয়া রাইলি সিম অভিযোগ করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার অভাবের কারণে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্ব, প্রশাসক ও শিক্ষকদের কাছ থেকে এ বিষয়ে অর্থবহ যোগাযোগের ঘাটতি রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তারা অভিযোগের পর ব্যাপক তদন্ত চালিয়েছে এবং অভিযুক্ত চি ফাই ভ্রাতৃসংঘকে ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ করেছে। বহিষ্কারসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করলেও, শিক্ষার্থীরা এর স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দিহান। জনশুনানিতে অনেক শিক্ষার্থী কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নিজেদের নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেন।

২০২৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত একটি জরিপ অনুযায়ী, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর ৩৫ শতাংশ স্নাতক পর্যায়ের নারী শিক্ষার্থী জোরপূর্বক বা শারীরিকভাবে অক্ষম অবস্থায় সম্মতি ছাড়া যৌন সংস্পর্শের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন, যা ২০২১ সালে ছিল ২০ শতাংশ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ভ্রাতৃসংঘের সদস্যরা ওই তরুণীকে নিপীড়নের আগে অ্যালকোহল, গাঁজা ও কেটামিন সরবরাহ করেছিল। এছাড়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কেবল প্রবন্ধ লেখানোর সুযোগ দেয়ার বিষয়টি নিয়েও সমালোচনা রয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দাবি করেছে, প্রবন্ধ লেখাই একমাত্র শাস্তি ছিল না।

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা বিষয়টিতে নজর দিয়েছেন এবং তদন্তের জন্য একজন বিশেষ কৌঁসুলি নিয়োগ করেছেন। শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের কাছে প্রতিটি মামলার ফলাফল নিয়ে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষায় আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।

শুনানির আয়োজকরা কয়েক ডজন বক্তার অনেককেই পরিচয় প্রকাশ না করতে এবং তাদের বক্তব্য রেকর্ড না করতে অনুরোধ করেন। এক শিক্ষার্থী বলেন, কর্নেলে ভর্তি হওয়ার জন্য তিনি সারা জীবন পরিশ্রম করেছেন। কিন্তু এখন তার মনে হচ্ছে, সেই পরিশ্রমের মূল্য পাওয়া যায়নি। আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, নিউইয়র্কের ফিঙ্গার লেকস অঞ্চলে অবস্থিত ২ হাজার ৩০০

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ

আপডেট সময় : ১২:১৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

নিউইয়র্কের অভিজাত কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যৌন অসদাচরণ ও নিপীড়নের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট অ্যাসেম্বলি আয়োজিত এক জনশুনানিতে এই বিষয়টি উঠে আসে। ২০২৪ সালে একটি ভ্রাতৃসংঘের (ফ্র্যাটারনিটি) সদস্যদের বিরুদ্ধে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দায়ের করা মামলার ঘটনাটি পুরো ক্যাম্পাসকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলেছে।

জনশুনানিতে তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সোফিয়া রাইলি সিম অভিযোগ করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার অভাবের কারণে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্ব, প্রশাসক ও শিক্ষকদের কাছ থেকে এ বিষয়ে অর্থবহ যোগাযোগের ঘাটতি রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, তারা অভিযোগের পর ব্যাপক তদন্ত চালিয়েছে এবং অভিযুক্ত চি ফাই ভ্রাতৃসংঘকে ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ করেছে। বহিষ্কারসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করলেও, শিক্ষার্থীরা এর স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দিহান। জনশুনানিতে অনেক শিক্ষার্থী কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নিজেদের নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেন।

২০২৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত একটি জরিপ অনুযায়ী, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর ৩৫ শতাংশ স্নাতক পর্যায়ের নারী শিক্ষার্থী জোরপূর্বক বা শারীরিকভাবে অক্ষম অবস্থায় সম্মতি ছাড়া যৌন সংস্পর্শের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন, যা ২০২১ সালে ছিল ২০ শতাংশ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ভ্রাতৃসংঘের সদস্যরা ওই তরুণীকে নিপীড়নের আগে অ্যালকোহল, গাঁজা ও কেটামিন সরবরাহ করেছিল। এছাড়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে কেবল প্রবন্ধ লেখানোর সুযোগ দেয়ার বিষয়টি নিয়েও সমালোচনা রয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দাবি করেছে, প্রবন্ধ লেখাই একমাত্র শাস্তি ছিল না।

নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা বিষয়টিতে নজর দিয়েছেন এবং তদন্তের জন্য একজন বিশেষ কৌঁসুলি নিয়োগ করেছেন। শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের কাছে প্রতিটি মামলার ফলাফল নিয়ে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা যৌন নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষায় আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।

শুনানির আয়োজকরা কয়েক ডজন বক্তার অনেককেই পরিচয় প্রকাশ না করতে এবং তাদের বক্তব্য রেকর্ড না করতে অনুরোধ করেন। এক শিক্ষার্থী বলেন, কর্নেলে ভর্তি হওয়ার জন্য তিনি সারা জীবন পরিশ্রম করেছেন। কিন্তু এখন তার মনে হচ্ছে, সেই পরিশ্রমের মূল্য পাওয়া যায়নি। আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, নিউইয়র্কের ফিঙ্গার লেকস অঞ্চলে অবস্থিত ২ হাজার ৩০০

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin