সৈয়দপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত
- আপডেট সময় : ০৫:০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

‘দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নীলফামারীর সৈয়দপুরে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে সৈয়দপুর উপজেলা প্রবীণ হিতৈষী সংঘের আয়োজনে এবং উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহযোগিতায় দিবসটি উপলক্ষে একটি র্যালি বের করা হয়। শহরের প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে শুরু হওয়া এই র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুর্তজা ইনস্টিটিউটে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালি শেষে মুর্তজা ইনস্টিটিউটে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর উপজেলা প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতি ডা. মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল কালাম আজাদ। তিনি তার বক্তব্যে প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও জীবনজ্ঞানকে সামাজিক সম্পদ হিসেবে বিবেচনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোছা. শামসুন নাহার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ এবং দৈনিক আলাপন সম্পাদক আমিনুল হক। এছাড়া হাজারীহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ লুৎফর রহমান, লক্ষণপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রেজাউল করিম, প্রবীণ শিক্ষক শরিফা মমতাজ, ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অধ্যক্ষ শাবাহাত আলী সাব্বু, ইসলামী ব্যাংক সৈয়দপুর শাখা ব্যবস্থাপক মো. রাশেদুল করিম এবং সাংবাদিক এম আর আলমসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আলোচনায় অংশ নেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, একজন মানুষ বয়সের ভারে প্রবীণ হলেও সমাজের প্রতি তার দায়িত্ব ও অবদান শেষ হয়ে যায় না। বরং জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মকে সমৃদ্ধ করতে পারে। তাই প্রবীণদের একাকিত্বে না রেখে পরিবার ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো প্রয়োজন। সভায় প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, আর্থিক নিরাপত্তা, পারিবারিক মর্যাদা ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। বক্তারা আরও বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একজন মানুষের প্রয়োজন ও প্রত্যাশার ধরন বদলে যায়। তাই প্রবীণদের জন্য শুধু সহায়তা নয়, বরং সম্মান ও অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করা গেলে পরিবার ও সমাজ উভয়ই উপকৃত হবে।



























