ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রংপুরে জুলাই মাসে ১৩৯ মামলা, গ্রেফতার ১৬৮ রংপুর মেডিকেলে ১৪ কোটি টাকার আইসোলেশন ওয়ার্ডের উদ্বোধন হরমুজের বিকল্প হিসেবে আর্কটিকের ‘বরফ সিল্ক রোড’ কতটা কার্যকর? এভিয়েশন খাতে প্রযুক্তির ব্যবহারে নেতৃত্বের লক্ষ্য বিমানমন্ত্রীর নারায়ণগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সীমান্ত হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনিকে আরও এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে মাসব্যাপী ফল-২০২৬ এডমিশন ফেস্ট শুরু হাটহাজারীতে তরুণকে ধাওয়া করে গুলি, এলাকায় আতঙ্ক নিজেদের চোরাবালিতে আটকে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওমরাহ ভিসায় সৌদিতে প্রবেশের নতুন নিয়ম ও শর্তাবলী জারি

৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি মিয়ানমারের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জনকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে প্রথমবারের মতো স্বীকৃতি প্রদান করেছে মিয়ানমার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, রাখাইন অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার সাপেক্ষে যাচাইকৃত এসব বাস্তুচ্যুত মানুষকে পর্যায়ক্রমে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার দীর্ঘদিনের ইতিহাসে এই স্বীকৃতিকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের পক্ষ থেকে কয়েক দফায় প্রত্যাবাসন শুরুর প্রচেষ্টা চালানো হলেও নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব এবং মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা না থাকায় বড় পরিসরে রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। বর্তমানে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এবং রাখাইনের অধিকাংশ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সংঘাত এই প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলেছে।

২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ব্যাপক দমন-পীড়ন ও সহিংসতার মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করা রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৩ লাখের বেশি। এছাড়া জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকে সাগরপথে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে পাড়ি জমিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার বরাবরই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ ও টেকসই করার ওপর জোর দিয়ে আসছে। অন্যদিকে, রোহিঙ্গারা রাখাইনে ফিরে যাওয়ার আগে পূর্ণ নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা এবং মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দাবি করে আসছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে রাখাইনের বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি মিয়ানমারের

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জনকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে প্রথমবারের মতো স্বীকৃতি প্রদান করেছে মিয়ানমার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, রাখাইন অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার সাপেক্ষে যাচাইকৃত এসব বাস্তুচ্যুত মানুষকে পর্যায়ক্রমে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার দীর্ঘদিনের ইতিহাসে এই স্বীকৃতিকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এর আগে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের পক্ষ থেকে কয়েক দফায় প্রত্যাবাসন শুরুর প্রচেষ্টা চালানো হলেও নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব এবং মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা না থাকায় বড় পরিসরে রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। বর্তমানে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এবং রাখাইনের অধিকাংশ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সংঘাত এই প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলেছে।

২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ব্যাপক দমন-পীড়ন ও সহিংসতার মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করা রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৩ লাখের বেশি। এছাড়া জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকে সাগরপথে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে পাড়ি জমিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার বরাবরই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ ও টেকসই করার ওপর জোর দিয়ে আসছে। অন্যদিকে, রোহিঙ্গারা রাখাইনে ফিরে যাওয়ার আগে পূর্ণ নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা এবং মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দাবি করে আসছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor