ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইনের খসড়া অনুমোদন করল মন্ত্রিসভা গণতান্ত্রিক প্রতিবাদকে হঠকারিতা বলে ন্যারেটিভ তৈরি করা হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম বাসে চড়ে কিশোরগঞ্জ সফর, প্রধানমন্ত্রীর সরলতায় মুগ্ধ স্থানীয়রা চড়া বাজারে স্বস্তি দিতে একগুচ্ছ নিত্যপণ্যের দাম কমালো ‘স্বপ্ন’ ২৯তম বিসিএস পুলিশ ফোরামের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি শাহীন ও সম্পাদক দিশা ধ্বংসের মুখে ঝালকাঠির ঐতিহাসিক কীর্তিপাশা জমিদার বাড়ি রংপুরে জুলাই মাসে ১৩৯ মামলা, গ্রেফতার ১৬৮ রংপুর মেডিকেলে ১৪ কোটি টাকার আইসোলেশন ওয়ার্ডের উদ্বোধন হরমুজের বিকল্প হিসেবে আর্কটিকের ‘বরফ সিল্ক রোড’ কতটা কার্যকর? এভিয়েশন খাতে প্রযুক্তির ব্যবহারে নেতৃত্বের লক্ষ্য বিমানমন্ত্রীর

এভিয়েশন খাতে প্রযুক্তির ব্যবহারে নেতৃত্বের লক্ষ্য বিমানমন্ত্রীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, এভিয়েশন খাতে সেবার মানোন্নয়ন ও দ্রুত কার্গো পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন মাত্রা যোগ করবে। সোমবার সকাল ১১টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং সমস্যা নিরসনে স্থায়ী ও অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমরা কেবল অনুসরণকারী হতে চাই না, বরং নেতৃত্বের অবস্থানে আসতে চাই। তিনি দ্রুত স্থায়ী ও অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে অবকাঠামোগত ও কারিগরি সমস্যা সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সভায় বলেন, অবকাঠামো তৈরি ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। কাস্টমসের মূল দায়িত্ব হলো আমদানি-রফতানি পণ্যের বৈধতা, ঘোষণা, কাগজপত্র এবং শুল্ক সংক্রান্ত বিষয় নিশ্চিত করা। তবে অবকাঠামো তৈরি করে দিলে কাস্টমস সেখানে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। দেশের বাণিজ্য ও রফতানি কার্যক্রম, বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিমানবন্দরের আধুনিক কার্গো ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

সভায় বিমানবন্দরে কার্গো হ্যান্ডলিং সমস্যা নিরসনে একটি অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ তৈরির জন্য সাতটি সম্ভাব্য স্থান এবং স্থায়ী ওয়্যারহাউজের জন্য চারটি স্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া বিমানবন্দরে ওষুধ আমদানি-রফতানি ত্বরান্বিত করতে কোল্ড স্টোরেজ অবকাঠামো নির্মাণ ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং নির্দেশিকা তৈরি, কার্গো পণ্য আমদানির নোটিশ দ্রুততম সময়ে আমদানিকারকের নিকট প্রেরণ এবং আমদানিকৃত পণ্য খুঁজে বের করার জন্য এআই মডেল তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিমানবন্দরে কার্গো হান্ডলিং সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে ১টি অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণ করার লক্ষ্যে ৭টি সম্ভাব্য স্থান এবং ১টি স্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণ করার লক্ষ্যে ৪টি সম্ভাব্য স্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া বিমানবন্দরে ওষুধ আমদানি-রফতানি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কোল্ড স্টোরেজ অবকাঠামো নির্মাণ ও গ্রাউন্ড হ্যান

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

এভিয়েশন খাতে প্রযুক্তির ব্যবহারে নেতৃত্বের লক্ষ্য বিমানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৮:০৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, এভিয়েশন খাতে সেবার মানোন্নয়ন ও দ্রুত কার্গো পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন মাত্রা যোগ করবে। সোমবার সকাল ১১টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং সমস্যা নিরসনে স্থায়ী ও অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমরা কেবল অনুসরণকারী হতে চাই না, বরং নেতৃত্বের অবস্থানে আসতে চাই। তিনি দ্রুত স্থায়ী ও অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে অবকাঠামোগত ও কারিগরি সমস্যা সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সভায় বলেন, অবকাঠামো তৈরি ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। কাস্টমসের মূল দায়িত্ব হলো আমদানি-রফতানি পণ্যের বৈধতা, ঘোষণা, কাগজপত্র এবং শুল্ক সংক্রান্ত বিষয় নিশ্চিত করা। তবে অবকাঠামো তৈরি করে দিলে কাস্টমস সেখানে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। দেশের বাণিজ্য ও রফতানি কার্যক্রম, বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিমানবন্দরের আধুনিক কার্গো ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

সভায় বিমানবন্দরে কার্গো হ্যান্ডলিং সমস্যা নিরসনে একটি অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ তৈরির জন্য সাতটি সম্ভাব্য স্থান এবং স্থায়ী ওয়্যারহাউজের জন্য চারটি স্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া বিমানবন্দরে ওষুধ আমদানি-রফতানি ত্বরান্বিত করতে কোল্ড স্টোরেজ অবকাঠামো নির্মাণ ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং নির্দেশিকা তৈরি, কার্গো পণ্য আমদানির নোটিশ দ্রুততম সময়ে আমদানিকারকের নিকট প্রেরণ এবং আমদানিকৃত পণ্য খুঁজে বের করার জন্য এআই মডেল তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিমানবন্দরে কার্গো হান্ডলিং সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে ১টি অস্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণ করার লক্ষ্যে ৭টি সম্ভাব্য স্থান এবং ১টি স্থায়ী ওয়্যারহাউজ নির্মাণ করার লক্ষ্যে ৪টি সম্ভাব্য স্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া বিমানবন্দরে ওষুধ আমদানি-রফতানি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কোল্ড স্টোরেজ অবকাঠামো নির্মাণ ও গ্রাউন্ড হ্যান

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin