
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৭৫ জনকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে প্রথমবারের মতো স্বীকৃতি প্রদান করেছে মিয়ানমার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, রাখাইন অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার সাপেক্ষে যাচাইকৃত এসব বাস্তুচ্যুত মানুষকে পর্যায়ক্রমে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার দীর্ঘদিনের ইতিহাসে এই স্বীকৃতিকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এর আগে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের পক্ষ থেকে কয়েক দফায় প্রত্যাবাসন শুরুর প্রচেষ্টা চালানো হলেও নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব এবং মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা না থাকায় বড় পরিসরে রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। বর্তমানে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এবং রাখাইনের অধিকাংশ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যকার চলমান সংঘাত এই প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলেছে।
২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ব্যাপক দমন-পীড়ন ও সহিংসতার মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করা রোহিঙ্গার সংখ্যা ১৩ লাখের বেশি। এছাড়া জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনেকে সাগরপথে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে পাড়ি জমিয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার বরাবরই রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ ও টেকসই করার ওপর জোর দিয়ে আসছে। অন্যদিকে, রোহিঙ্গারা রাখাইনে ফিরে যাওয়ার আগে পূর্ণ নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা এবং মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তা দাবি করে আসছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২