ঢাকা ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বগুড়ায় আবাসিক হোটেলে অভিযান, ১৫ নারী গ্রেফতার ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ভোট দেবেন ৩৪৯ সংসদ সদস্য এআইকে থেরাপিস্ট হিসেবে ব্যবহারে ক্যালিফোর্নিয়ায় নতুন বিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের দাপটে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ছে মার্কিন বাহিনী এআই কি মৃত সন্তানকে ফিরিয়ে দিতে পারে? কোরে-এদার নতুন সিনেমা শিক্ষার্থীদের বুঝেশুনে আন্দোলন করার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় আলাদা প্রশ্নপত্র: জাতীয় শিক্ষার ওপর প্রভাব কী মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থা নিয়ে গুজব উড়িয়ে দিলেন প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশে প্রযুক্তি ও ডিজিটাল পেমেন্ট খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ভিসা বন্দিবিনিময়ের জন্য ১৭০০ ফিলিস্তিনির লাশ আটকে রেখেছে ইসরাইল

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর যেন দলীয় ইতিহাস চর্চার জায়গা না হয়: নাহিদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৯:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর যেন কোনো নির্দিষ্ট দলের ইতিহাস চর্চার জায়গা না হয়ে জাতীয় ইতিহাস চর্চার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা ১১টার পর জাদুঘরটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, এখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। দলীয় ইতিহাসের বদলে সত্য ও জাতীয় ইতিহাস স্থান পাওয়া উচিত, যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জেলা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানসহ আন্দোলনের ঘটনাগুলো সময়ের ধারাবাহিকতায় বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা প্রয়োজন।

জাদুঘর পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান ত্রুটি তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, এখানে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘর হওয়া উচিত এবং জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করেন এমন ব্যক্তিদের দ্বারাই এটি পরিচালনা করা প্রয়োজন।

তিনি অভিযোগ করেন, জাদুঘরে আগে সীমান্ত হত্যার সেগমেন্ট এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি থাকলেও সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এছাড়া বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামকে এখানে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের সঙ্গে ভারত জড়িত ছিল এবং বিএনপি হয়তো ভারতকে ভয় পাচ্ছে। সরকার মনে করছে এসব পরিবর্তন করলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে, কিন্তু সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত মর্যাদাপূর্ণ।

গণভবন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখান থেকে শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী সব সিদ্ধান্ত নিতেন, যার মধ্যে ছিল লুটপাট ও দুর্নীতি। অন্তর্বর্তী সরকার এটিকে জাদুঘরে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছিল। তিনি বলেন, জাদুঘরটি খুলে দেওয়ার জন্য তিনি আগেও এখানে এসেছিলেন এবং নির্বাচনের পরে সরকার কিছু পরিবর্তন করেছে। এ সময় এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর যেন দলীয় ইতিহাস চর্চার জায়গা না হয়: নাহিদ

আপডেট সময় : ১০:২৯:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
print news

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর যেন কোনো নির্দিষ্ট দলের ইতিহাস চর্চার জায়গা না হয়ে জাতীয় ইতিহাস চর্চার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা ১১টার পর জাদুঘরটি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, এখানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে। দলীয় ইতিহাসের বদলে সত্য ও জাতীয় ইতিহাস স্থান পাওয়া উচিত, যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জেলা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানসহ আন্দোলনের ঘটনাগুলো সময়ের ধারাবাহিকতায় বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা প্রয়োজন।

জাদুঘর পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান ত্রুটি তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, এখানে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘর হওয়া উচিত এবং জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করেন এমন ব্যক্তিদের দ্বারাই এটি পরিচালনা করা প্রয়োজন।

তিনি অভিযোগ করেন, জাদুঘরে আগে সীমান্ত হত্যার সেগমেন্ট এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি থাকলেও সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এছাড়া বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামকে এখানে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের সঙ্গে ভারত জড়িত ছিল এবং বিএনপি হয়তো ভারতকে ভয় পাচ্ছে। সরকার মনে করছে এসব পরিবর্তন করলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে, কিন্তু সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত মর্যাদাপূর্ণ।

গণভবন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখান থেকে শেখ হাসিনা স্বৈরাচারী সব সিদ্ধান্ত নিতেন, যার মধ্যে ছিল লুটপাট ও দুর্নীতি। অন্তর্বর্তী সরকার এটিকে জাদুঘরে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছিল। তিনি বলেন, জাদুঘরটি খুলে দেওয়ার জন্য তিনি আগেও এখানে এসেছিলেন এবং নির্বাচনের পরে সরকার কিছু পরিবর্তন করেছে। এ সময় এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din