ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতি: সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল
- আপডেট সময় : ০২:১৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ইসলামী ব্যাংকের ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার জালিয়াতি, জালিয়াতিমূলক অর্থ আত্মসাৎ ও অবৈধ বলপ্রয়োগের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবির আগামী ২৭ অক্টোবর এই প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্ধারিত দিন ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত নতুন এই দিন ধার্য করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নথিসূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার মো. আবদুচ ছামাদ বাদী হয়ে মামলাটির আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে দুদককে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। আরজি অনুযায়ী, ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৪ দশমিক ৮১৬০ শতাংশ বা ৭ কোটি ৭৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৯৩টি শেয়ার অবৈধভাবে অধিগ্রহণ করা হয়, যার তৎকালীন বাজারমূল্য ছিল ২৫১ কোটি টাকা।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা হলেও পরিশোধিত মূলধন ছিল মাত্র ৮ লাখ টাকা। মাত্র ৮ লাখ টাকার পরিশোধিত মূলধনের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার কেনা আর্থিক অসঙ্গতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের নামান্তর। এছাড়া এস আলম গ্রুপের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতায় ২৪টি বেনামি শেয়ারহোল্ডার কোম্পানির মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার কবজায় নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। শেয়ার কেনাবেচার তারিখ ও প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করা হয়।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল ওয়াহেদ, চেয়ারম্যান মিরফাত আরা বেগম, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম) এবং ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন বেশ কয়েকজন পরিচালক।



























