ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে হত্যা মামলায় পান দোকানিকে ফাঁসানোর অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন উয়েফার বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার ও হয়রানির’ অভিযোগ আনল ফিফা ক্যালিফোর্নিয়ার সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হলো দুই ঈদ মনপুরায় ১০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক আটক রণবীরের জন্মদিনে আলিয়ার বিশেষ পোস্ট, নেটদুনিয়ায় মুগ্ধতা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা সংসার সাজানোর আগেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন চিকিৎসক আঁচল রায় জয়পুরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধ্বংসস্তূপের মাঝেও টিকে আছে গাজার মানুষের জীবন ও স্বপ্ন উগান্ডায় নতুন রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হচ্ছেন সাংবাদিক এডওয়ার্ড রুকিদি

নদী রক্ষায় খুঁটিবিহীন ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:০৭:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নদী রক্ষা এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রচলিত খুঁটিযুক্ত সেতুর পরিবর্তে ঝুলন্ত সেতু বা সাসপেনশন ব্রিজ নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ পরিবেশ সাংবাদিক ফোরাম (এফইজেবি) আয়োজিত ‘আবর্জনা মুক্ত বাংলাদেশ: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী একটি জীবন্ত সত্তা। বর্তমানে যেভাবে পিলার বা খুঁটি দিয়ে সেতু ও কালভার্ট তৈরি করা হচ্ছে, তাতে নদীর তলদেশে পলি জমে নদী দ্রুত ভরাট হয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাজ্য, হংকং ও তুরস্কের মতো দেশগুলোর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নদীকে বাঁচাতে হলে আমাদের পিলারভিত্তিক ব্রিজের ঐতিহ্য থেকে বেরিয়ে আসতে হবে এবং ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের বাস্তবতা মেনে কাজ করতে হবে।

প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘ফোর-আর’ নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণকে পরিবেশ রক্ষায় আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। কেনাকাটার সময় চটের বা কাপড়ের ব্যাগের ব্যবহার বাড়াতে হবে। চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই বাজারে ক্ষতিকর পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে মনিটরিং ও আইনি অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, গত ৬ মাসে ২ হাজার একর বনভূমি উদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৩০ জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৮০৭ একর জমি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া কঠোর নজরদারির কারণে এ বছর সুন্দরবনে কোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কক্সবাজারে ৪০ লাখেরও বেশি গাছ লাগানো হয়েছে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে কার্বন ট্রেডিং নিশ্চিত করতে ২ কোটি কেওড়া গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

নদী রক্ষায় খুঁটিবিহীন ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৪:০৭:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

নদী রক্ষা এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রচলিত খুঁটিযুক্ত সেতুর পরিবর্তে ঝুলন্ত সেতু বা সাসপেনশন ব্রিজ নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ পরিবেশ সাংবাদিক ফোরাম (এফইজেবি) আয়োজিত ‘আবর্জনা মুক্ত বাংলাদেশ: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী একটি জীবন্ত সত্তা। বর্তমানে যেভাবে পিলার বা খুঁটি দিয়ে সেতু ও কালভার্ট তৈরি করা হচ্ছে, তাতে নদীর তলদেশে পলি জমে নদী দ্রুত ভরাট হয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাজ্য, হংকং ও তুরস্কের মতো দেশগুলোর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, নদীকে বাঁচাতে হলে আমাদের পিলারভিত্তিক ব্রিজের ঐতিহ্য থেকে বেরিয়ে আসতে হবে এবং ঝুলন্ত সেতু নির্মাণের বাস্তবতা মেনে কাজ করতে হবে।

প্লাস্টিক ও পলিথিন দূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘ফোর-আর’ নীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণকে পরিবেশ রক্ষায় আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। কেনাকাটার সময় চটের বা কাপড়ের ব্যাগের ব্যবহার বাড়াতে হবে। চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই বাজারে ক্ষতিকর পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে মনিটরিং ও আইনি অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে শেখ ফরিদুল ইসলাম জানান, গত ৬ মাসে ২ হাজার একর বনভূমি উদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৩০ জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৮০৭ একর জমি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া কঠোর নজরদারির কারণে এ বছর সুন্দরবনে কোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কক্সবাজারে ৪০ লাখেরও বেশি গাছ লাগানো হয়েছে এবং উপকূলীয় অঞ্চলে কার্বন ট্রেডিং নিশ্চিত করতে ২ কোটি কেওড়া গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor