ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে প্রযুক্তি ও ডিজিটাল পেমেন্ট খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ভিসা বন্দিবিনিময়ের জন্য ১৭০০ ফিলিস্তিনির লাশ আটকে রেখেছে ইসরাইল ৭১ টিভির চেয়ারম্যানসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে সমন জারি ওমানে বিপৎসীমায় আটকা পড়া ট্যাংকার থেকে ৪০০ কিমি এলাকায় তেল ছড়িয়েছে প্রাণনাশের হুমকিতে কনটেইনারে লুকিয়ে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার জালিয়াতি: সাহাবুদ্দিনসহ ২০ জনের তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইয়েমেনের আল-মাকহা ও মারিবে হুথিদের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জেআইসিতে গুমের মামলা: হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল ‘ছাত্ররা নিজেরাই নিজেদের মারছে’, হাসিনা-হাছানের ফোনালাপ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি, জানালেন বিএনপির চিফ হুইপ

বন্দিবিনিময়ের জন্য ১৭০০ ফিলিস্তিনির লাশ আটকে রেখেছে ইসরাইল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ভবিষ্যতে বন্দিবিনিময়ের দরকষাকষিতে সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রায় ১ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ আটকে রেখেছে ইসরাইল। দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত ও সামরিক বাহিনী যৌথভাবে এই নীতিকে সমর্থন করছে। ইসরাইলি দৈনিক সংবাদপত্র ‘হারেৎস’ মঙ্গলবার দুই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ইসরাইলের নিরাপত্তাকাঠামোর নীতি নির্ধারণী মহলে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সেখানে দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের প্রধান ডেভিড জিনি ফিলিস্তিনিদের মরদেহ আটকে রাখার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। তার যুক্তি হলো, ভবিষ্যতে যদি কোনো ইসরাইলি নাগরিক আটক বা নিখোঁজ হন, তবে তাদের ফিরিয়ে আনতে এই মরদেহগুলো বন্দিবিনিময়ের ক্ষেত্রে বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীও গোয়েন্দা প্রধানের এই বিতর্কিত অবস্থানকে সমর্থন দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগেও ফিলিস্তিনিদের মরদেহ আটকে রাখার এমন তথ্য সামনে এসেছিল। ২০২৫ সালের অক্টোবরে একটি ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠন জানিয়েছিল, গাজায় নিহত প্রায় ১ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ ইসরাইলের ‘সেদে তেইমান’ নামক একটি সামরিক স্থাপনায় আটকে রাখা হয়েছে।

এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ২৫৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি আগ্রাসনে মোট নিহতের সংখ্যা ইতিমধ্যে ৭৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

নিহত স্বজনদের মরদেহ ফেরত না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে গভীর মানসিক ও মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো। বিভিন্ন ফিলিস্তিনি মানবাধিকার ও অধিকারবিষয়ক সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে এসব মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর এবং ধর্মীয় ও পারিবারিক রীতি অনুযায়ী দাফন করার সুযোগ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়ে আসছে।

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ১৭আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ৪৬

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

বন্দিবিনিময়ের জন্য ১৭০০ ফিলিস্তিনির লাশ আটকে রেখেছে ইসরাইল

আপডেট সময় : ০২:৩০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
print news

ভবিষ্যতে বন্দিবিনিময়ের দরকষাকষিতে সুবিধা পাওয়ার উদ্দেশ্যে প্রায় ১ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ আটকে রেখেছে ইসরাইল। দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত ও সামরিক বাহিনী যৌথভাবে এই নীতিকে সমর্থন করছে। ইসরাইলি দৈনিক সংবাদপত্র ‘হারেৎস’ মঙ্গলবার দুই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ইসরাইলের নিরাপত্তাকাঠামোর নীতি নির্ধারণী মহলে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সেখানে দেশটির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেতের প্রধান ডেভিড জিনি ফিলিস্তিনিদের মরদেহ আটকে রাখার পক্ষে জোরালো অবস্থান নেন। তার যুক্তি হলো, ভবিষ্যতে যদি কোনো ইসরাইলি নাগরিক আটক বা নিখোঁজ হন, তবে তাদের ফিরিয়ে আনতে এই মরদেহগুলো বন্দিবিনিময়ের ক্ষেত্রে বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীও গোয়েন্দা প্রধানের এই বিতর্কিত অবস্থানকে সমর্থন দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগেও ফিলিস্তিনিদের মরদেহ আটকে রাখার এমন তথ্য সামনে এসেছিল। ২০২৫ সালের অক্টোবরে একটি ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংগঠন জানিয়েছিল, গাজায় নিহত প্রায় ১ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনির মরদেহ ইসরাইলের ‘সেদে তেইমান’ নামক একটি সামরিক স্থাপনায় আটকে রাখা হয়েছে।

এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ২৫৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি আগ্রাসনে মোট নিহতের সংখ্যা ইতিমধ্যে ৭৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

নিহত স্বজনদের মরদেহ ফেরত না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে গভীর মানসিক ও মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন ফিলিস্তিনি পরিবারগুলো। বিভিন্ন ফিলিস্তিনি মানবাধিকার ও অধিকারবিষয়ক সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে এসব মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর এবং ধর্মীয় ও পারিবারিক রীতি অনুযায়ী দাফন করার সুযোগ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়ে আসছে।

প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ১৭আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১৩: ৪৬

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh