ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের দাপটে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ছে মার্কিন বাহিনী
- আপডেট সময় : ০৩:১৪:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রখ্যাত তত্ত্ববিদ ও শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন মিয়ারশাইমার মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমে যাওয়ার পেছনে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতাকে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও কেন্দ্রগুলোতে চালানো হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর উচ্চ কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে।
মিয়ারশাইমারের মতে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো প্রতিরক্ষামূলক সমাধান যুক্তরাষ্ট্র বা এই অঞ্চলের অন্য কোনো দেশের হাতে নেই। বাস্তবতা হলো, এসব হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব ঘাঁটিতেই মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে অথবা সেগুলো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ঘাঁটিগুলো থেকে মার্কিন বাহিনী সরে গিয়ে প্রথমে জর্ডানে, এরপর ইসরাইলের অধিকৃত ভূখণ্ডে এবং সবশেষে ইউরোপে আশ্রয় নিয়েছে। বর্তমান সংঘাত শেষ হওয়ার পরও ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হুমকি এবং পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মার্কিন বাহিনীকে আশ্রয় দিতে অনীহার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের এই অঞ্চলে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম।
মিয়ারশাইমারের ভাষ্যমতে, বর্তমান মার্কিন নীতি তাদের জন্য একটি বিধ্বংসী পরাজয় নিশ্চিত করেছে। তিনি দাবি করেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে এখন কোনো কৌশলগত সুবিধা বা 'কার্ড' অবশিষ্ট নেই এবং তিনি এই যুদ্ধে হেরে গেছেন। ইরান তার ভৌগোলিক সুবিধা, সামরিক কৌশল এবং রাশিয়া ও চীনের মতো মিত্রদের সহায়তায় আমেরিকার চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধকে সফলভাবে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে।
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ৩৬আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ৫৫





























