আসামে সিজেপি কর্মীদের আটকের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীকে অভিজিৎ দীপকের হুঁশিয়ারি
- আপডেট সময় : ০৪:০১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

আসামে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর ৩০ জনের বেশি কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার গুয়াহাটিতে দলের নির্ধারিত একটি আঞ্চলিক স্বেচ্ছাসেবক সভাকে কেন্দ্র করে এই ধরপাকড় চালানো হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দলের সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা এবং কেন্দ্রীয় কমিটির চার সদস্য রয়েছেন বলে জানিয়েছে দলটি।
এ ঘটনায় আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে সতর্ক করেছেন সিজেপি’র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক। রবিবার এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, আশুতোষ রাঙ্কাকে একটি ব্যক্তিগত বাসা থেকে তুলে নিয়ে গেছে পুলিশ। তাকে কোনো অভিযোগে আটক করা হয়েছে তা জানানো হয়নি। অভিজিৎ দীপক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, রাঙ্কাসহ অন্য কর্মীদের মুক্তি না দিলে তিনি দলের সদস্যদের নিয়ে আসামে যাবেন এবং মুখ্যমন্ত্রী চাইলে তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করতে পারেন।
আটকের আগে আশুতোষ রাঙ্কা অভিযোগ করেছিলেন যে, সকাল থেকেই পুলিশ তাদের সভা করতে বাধা দিচ্ছিল। জানা গেছে, সভাটি প্রথমে আথগাঁওয়ের খার্গা চৌধুরী রোডে অবস্থিত আসাম শ্রী পরশুরাম সেবা সদনে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আয়োজকদের দাবি, ভেন্যুটির বুকিং চাপ প্রয়োগ করে বাতিল করানো হয়েছে। এরপর সভার স্থান পরিবর্তন করে আসাম সচিবালয়ের বিপরীতে চৌধুরী টিলায় নেওয়া হয়। রাঙ্কা শনিবার দলের সদস্য অঙ্কিত ভরদ্বাজ, আকাশ প্রেম, বরুণ আগরওয়াল ও আনামের সঙ্গে গুয়াহাটিতে পৌঁছান।
রাঙ্কার অভিযোগ, রাজ্যের স্কুলসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন তোলার কারণেই সিজেপি’কে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে আসাম সরকার। যদিও এই আটকের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
পরবর্তীতে এক বিবৃতিতে সিজেপি জানিয়েছে, এই ‘লক্ষ্যভিত্তিক দমননীতি’ সত্ত্বেও তারা আসামে তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে ‘স্কুল ঠিক করো’ শিক্ষা কর্মসূচি এবং নির্বাচনী তালিকার বিশেষ সংশোধনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি নিবেদিত কাজ তারা অব্যাহত রাখবে। দলটি আটক সব স্বেচ্ছাসেবকের অবিলম্বে ও শর্তহীন মুক্তি দাবি করেছে এবং পুলিশি অবরোধ ও বুকিং বাতিলের বিষয়ে প্রশাসনের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে।
সভাটি প্রথমে সকাল ১০টায় আথগাঁওয়ের খার্গা চৌধুরী রোডে অবস্থিত আসাম শ্রী পরশুরাম সেবা সদনে হওয়ার কথা ছিল। পরে আয়োজকেরা অভিযোগ করেন, ওই ভেন্যুর ওপর চাপ সৃষ্টি করে বুকিং বাতিল করা হয়েছে। এরপর সভার স্থান পরিবর্তন করে আসাম সচিবালয়ের বিপরীতে চৌধুরী টিলায় নেওয়া হয়।




























