সিগারেটের নতুন খুচরা মূল্য নির্ধারণ: ৬৫ থেকে ২১০ টাকা
- আপডেট সময় : ০৬:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট অনুবিভাগ তামাকযুক্ত সিগারেটের প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে একটি নতুন আদেশ জারি করেছে। রোববার এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এই আদেশে মোট চারটি স্তরে সিগারেটের মূল্য কাঠামো বিন্যাস করা হয়েছে।
নতুন এই কাঠামো অনুযায়ী, সর্বনিম্ন স্তরে ১০ শলাকা সিগারেটের প্যাকেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ স্তরে ২১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য যথাক্রমে ৭২ টাকা ও ১৬০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। এই নতুন মূল্য কাঠামোয় প্রতিটি স্তরে সম্পূরক শুল্কের হার ৬৭ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ১২৬(১) উপ-ধারা এবং মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬-এর বিধি ১১৮ক-এর আওতায় এনবিআরের সদস্য (মূসক নীতি) মো. আজিজুর রহমান এই আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত বাংলাদেশ গেজেট অনুযায়ী স্থানীয় সরবরাহের ক্ষেত্রে এইচ.এস. কোড ২৪০২.২০.০০-এর অধীন এই মূল্যস্তর কার্যকর করা হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদেশে তামাকজাত পণ্যের বিপণন নিয়ে কিছু কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তরুণ ও নতুন ধূমপায়ীদের সংখ্যা বৃদ্ধি রোধে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় ফ্লেভারিং ক্যাপসুলযুক্ত কোনো সিগারেট মধ্যম স্তরের নিচে, অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় নিম্ন স্তরে সরবরাহ করা যাবে না। পাশাপাশি, গত ১৬ সেপ্টেম্বর বাজারে বলবৎ থাকা কোনো ব্র্যান্ডের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য কোনো অবস্থাতেই কমানো যাবে না বলে আদেশে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে শলাকার সংখ্যা, সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য এবং পণ্যের প্রকৃতি সুস্পষ্ট ও অমোচনীয়ভাবে মুদ্রিত থাকতে হবে। এছাড়া রাজস্ব হ্রাস-বৃদ্ধি সংক্রান্ত তুলনামূলক বিবরণী প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে এনবিআরে পাঠানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।




























