ঢাকা ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধে ফুরিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পাকিস্তানে বিদেশি সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহে কড়াকড়ি, লাগবে এনওসি গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী লোহিত সাগরে হামলার পর ডুবে গেলো ভারতীয় জাহাজ, উদ্ধার ১৪ নাবিক ঢাকায় হালকা বৃষ্টি ও বজ্রপাতের পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর দুই দিনের দরপতনের পর স্থিতিশীল আন্তর্জাতিক তেলের বাজার ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ওটি বয় নিয়োগ, আবেদনের সুযোগ ২০ আগস্ট পর্যন্ত গণঅভ্যুত্থান কুক্ষীগতকারীরা গণতন্ত্রের শত্রু: আবু নাসের মারা গেছেন ‘গজনি’ ও ‘মহাভারত’ খ্যাত অভিনেতা প্রদীপ রাওয়াত নাফিজ এসেছিল তবে লাশ হয়ে: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের এক শহীদ

মাঠপর্যায়েই এনআইডি সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষমতা এখন থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের হাতে ন্যস্ত থাকবে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ১২তম সিদ্ধান্ত গ্রহণ পর্বে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়মের ফলে নাগরিকরা এখন থেকে স্থানীয় বা আঞ্চলিক কার্যালয়েই তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং দ্রুত তা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার শিক্ষাগত সনদের (এসএসসি, এইচএসসি বা সমমানের) ভিত্তিতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা সরাসরি জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন অনুমোদন করতে পারবেন। পূর্বে এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা থেকে সম্পন্ন করতে হতো, যার ফলে নাগরিকদের ভোগান্তিতে পড়তে হতো। ভোটারদের সেবা সহজ ও দ্রুত করার লক্ষ্যে কমিশন এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এনআইডি সংক্রান্ত অন্যান্য সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের (মাইগ্রেশন) সুবিধা সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক করা, যার মাধ্যমে নাগরিকরা নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে ঘরে বসেই এই সেবা পাবেন। এছাড়া এনআইডি কার্ডের ১৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর নবায়নের সুবিধার্থে আবেদনকারীকে পারিবারিক পরিচিতি বা 'ফ্যামিলি ট্রি' জমা দিতে হবে, যা তথ্য যাচাইয়ে সহায়ক হবে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য অনলাইন বায়োমেট্রিক সুবিধা চালু করা হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় তদন্তে তথ্য সঠিক প্রমাণিত হলে কেন্দ্র থেকেই দ্রুত কার্ড অনুমোদন দেওয়া হবে, যা প্রবাসীদের আবেদনের ধাপ অনেক কমিয়ে আনবে। নির্বাচন কমিশনের মতে, এই নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে দেশজুড়ে এনআইডি সংক্রান্ত জটিলতা দূর হবে এবং নাগরিকদের দুর্ভোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

মাঠপর্যায়েই এনআইডি সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

আপডেট সময় : ০৭:২০:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
print news

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষমতা এখন থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের হাতে ন্যস্ত থাকবে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ১২তম সিদ্ধান্ত গ্রহণ পর্বে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়মের ফলে নাগরিকরা এখন থেকে স্থানীয় বা আঞ্চলিক কার্যালয়েই তাদের জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং দ্রুত তা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার শিক্ষাগত সনদের (এসএসসি, এইচএসসি বা সমমানের) ভিত্তিতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা সরাসরি জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন অনুমোদন করতে পারবেন। পূর্বে এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা থেকে সম্পন্ন করতে হতো, যার ফলে নাগরিকদের ভোগান্তিতে পড়তে হতো। ভোটারদের সেবা সহজ ও দ্রুত করার লক্ষ্যে কমিশন এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এনআইডি সংক্রান্ত অন্যান্য সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের (মাইগ্রেশন) সুবিধা সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক করা, যার মাধ্যমে নাগরিকরা নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে ঘরে বসেই এই সেবা পাবেন। এছাড়া এনআইডি কার্ডের ১৫ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর নবায়নের সুবিধার্থে আবেদনকারীকে পারিবারিক পরিচিতি বা 'ফ্যামিলি ট্রি' জমা দিতে হবে, যা তথ্য যাচাইয়ে সহায়ক হবে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য অনলাইন বায়োমেট্রিক সুবিধা চালু করা হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় তদন্তে তথ্য সঠিক প্রমাণিত হলে কেন্দ্র থেকেই দ্রুত কার্ড অনুমোদন দেওয়া হবে, যা প্রবাসীদের আবেদনের ধাপ অনেক কমিয়ে আনবে। নির্বাচন কমিশনের মতে, এই নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে দেশজুড়ে এনআইডি সংক্রান্ত জটিলতা দূর হবে এবং নাগরিকদের দুর্ভোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din