অন্যের হাত থেকে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট সুরক্ষিত রাখার সহজ উপায়
- আপডেট সময় : ০৪:১৩:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল কথোপকথন অন্যের চোখের আড়ালে রাখতে হোয়াটসঅ্যাপে রয়েছে ‘চ্যাট লক’ সুবিধা। এই ফিচারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট চ্যাট মূল চ্যাট তালিকা থেকে সরিয়ে আলাদা একটি সুরক্ষিত ফোল্ডারে রাখা যায়। ফলে অন্য কেউ ফোন হাতে পেলেও সহজে ওই চ্যাটের বার্তা, ছবি বা ফাইল দেখতে পারবে না। ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা বাড়াতেই এই সুবিধা চালু করেছে হোয়াটসঅ্যাপ।
লক করা চ্যাটে প্রবেশ করতে পাসকোড, বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বা সিক্রেট কোডের প্রয়োজন হবে। নির্দিষ্ট কোনো চ্যাটের সেটিংস থেকে ‘চ্যাট লক’ অপশন চালু করলেই সেটি মূল চ্যাট তালিকা থেকে সরে সুরক্ষিত ফোল্ডারে চলে যাবে। প্রয়োজন হলে একই প্রক্রিয়ায় চ্যাটটি আনলকও করা যাবে। এই ফিচারের অন্যতম সুবিধা হলো, লক করা চ্যাটের বার্তার বিস্তারিত তথ্য নোটিফিকেশনে গোপন রাখা যায়। ফলে ফোনের স্ক্রিনে ভেসে ওঠা নোটিফিকেশন থেকেও ব্যক্তিগত বার্তা প্রকাশ পাওয়ার ঝুঁকি কমে।
অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন—দুই ধরনের ডিভাইসেই সিক্রেট কোড ব্যবহার করে শুধু চ্যাট নয়, ‘লকড চ্যাটস’ ফোল্ডারটিও আড়াল করা সম্ভব। এতে ব্যক্তিগত কথোপকথনের নিরাপত্তা আরও বাড়ে। লুকানো চ্যাট দেখতে হোয়াটসঅ্যাপের সার্চ বক্সে নির্ধারিত সিক্রেট কোড লিখে সার্চ করতে হবে। এরপর লুকিয়ে রাখা লকড চ্যাটগুলো দেখা যাবে। তবে এই সুবিধা শুধু চ্যাট ও বার্তা আড়াল করার জন্য। কোনো চ্যাট লক করা থাকলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপ কল স্বাভাবিক নিয়মেই ফোনে আসবে।
ফোন পরিবর্তনের পর ব্যাকআপ রিস্টোর করলেও চ্যাট লকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় থাকতে পারে। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য চ্যাট লকের পাশাপাশি ফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস লক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়।
হোয়াটসঅ্যাপে কোনো চ্যাট লক করতে চাইলে প্রথমে অ্যাপটিতে প্রবেশ করে যে চ্যাটটি লক করতে চান, সেটি নির্বাচন করুন। এরপর উপরের তিন ডট মেনুতে গিয়ে ‘লক চ্যাট’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। তারপর ফোনের পিন বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে নিশ্চিত করলেই চ্যাটটি লক হয়ে যাবে। এরপর থেকে ওই কথোপকথন মূল চ্যাট তালিকা থেকে আলাদা সুরক্ষিত ফোল্ডারে থাকবে।





























