ঢাকা ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সরাসরি দেখবেন যেভাবে বিএনপি অলিগার্ক তোষণের পথে হাঁটছে, অভিযোগ নাহিদ ইসলামের গাজীপুর সাফারি পার্কে দুই হাতির মৃত্যু ১১ অক্টোবর সিডনিতে বসছে চট্টগ্রাম ক্লাবের স্প্রিং ফেয়ার ২০২৬ সাংবাদিক নুর মোহাম্মদকে হত্যার হুমকি, ইরাব ও বিএসআরএফের তীব্র নিন্দা ব্রেন ক্যানসারে আক্রান্ত শিশু নূরের চিকিৎসায় সাহায্যের আকুল আবেদন বরিশালে আদালত প্রাঙ্গণে বিস্ফোরণ, সাভারে জেএমবি আস্তানায় অভিযান বোয়ালমারীতে আওয়ামী লীগ নেতা এস এম ফারুক গ্রেপ্তার আনসার ও ভিডিপির ফ্রিল্যান্সিং কোর্সের প্রশিক্ষণার্থী বাছাই সম্পন্ন লাকসামে চার পরিবারকে সমাজচ্যুত করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড: জিদান থেকে এনজো, যাদের বিদায়ে স্বপ্নভঙ্গ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে লাল কার্ড দেখার ঘটনা সবসময়ই ফুটবলপ্রেমীদের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করে। ২০০৬ সালের ফাইনালে ইতালির মার্কো মাতেরাজ্জিকে ঢুস মেরে জিনেদিন জিদানের বিদায় আজও অনেকের মনে পীড়া দেয়। অনেকেই মনে করেন, সেদিন জিদান মাঠে থাকলে ফ্রান্সের ভাগ্যে অন্য কিছুও ঘটতে পারত। এবার সেই একই আক্ষেপ সঙ্গী হলো এনজো ফার্নান্দেজের। ৯৩ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পর আর্জেন্টিনা ১০ জনের দলে পরিণত হয়, যা সরাসরি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ স্পেনের দিকে ঠেলে দেয়।

১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বকাপে কার্ডের প্রচলন শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত মোট ছয়জন খেলোয়াড় ফাইনাল ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছেন। এই তালিকায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আধিপত্য বেশি, মোট তিনবার আর্জেন্টাইনরা ফাইনালের মঞ্চে লাল কার্ড দেখেছেন। ১৯৯০ সালের ফাইনালে জার্মানির ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার পেদ্রো মোনজোন। সেই একই ম্যাচে ২২ মিনিট পর গুস্তাভো দেজোত্তি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনা ৯ জনের দলে পরিণত হয় এবং পশ্চিম জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে।

তালিকায় পরবর্তী বড় নাম জিনেদিন জিদান। ২০০৬ সালে মাতেরাজ্জিকে ঢুস মারার ঘটনায় লাইনসম্যানের নির্দেশে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি। ২০১০ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের ডিফেন্ডার জন হেইতিঙ্গা ১০৯ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন, যার ফলে ১০ জনের নেদারল্যান্ডস শেষ পর্যন্ত ইনিয়েস্তার গোলের কাছে হার মানে।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে লাল কার্ডের ঘটনা ঘটল। ৮২ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখার পর ৯৩ মিনিটে পাও কুবারসিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন এনজো ফার্নান্দেজ। তার এই বিদায়ের পর আর্জেন্টিনা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি, যা তাদের শিরোপা জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড: জিদান থেকে এনজো, যাদের বিদায়ে স্বপ্নভঙ্গ

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে লাল কার্ড দেখার ঘটনা সবসময়ই ফুটবলপ্রেমীদের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করে। ২০০৬ সালের ফাইনালে ইতালির মার্কো মাতেরাজ্জিকে ঢুস মেরে জিনেদিন জিদানের বিদায় আজও অনেকের মনে পীড়া দেয়। অনেকেই মনে করেন, সেদিন জিদান মাঠে থাকলে ফ্রান্সের ভাগ্যে অন্য কিছুও ঘটতে পারত। এবার সেই একই আক্ষেপ সঙ্গী হলো এনজো ফার্নান্দেজের। ৯৩ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার পর আর্জেন্টিনা ১০ জনের দলে পরিণত হয়, যা সরাসরি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ স্পেনের দিকে ঠেলে দেয়।

১৯৭০ সাল থেকে বিশ্বকাপে কার্ডের প্রচলন শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত মোট ছয়জন খেলোয়াড় ফাইনাল ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছেন। এই তালিকায় আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আধিপত্য বেশি, মোট তিনবার আর্জেন্টাইনরা ফাইনালের মঞ্চে লাল কার্ড দেখেছেন। ১৯৯০ সালের ফাইনালে জার্মানির ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার পেদ্রো মোনজোন। সেই একই ম্যাচে ২২ মিনিট পর গুস্তাভো দেজোত্তি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনা ৯ জনের দলে পরিণত হয় এবং পশ্চিম জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে।

তালিকায় পরবর্তী বড় নাম জিনেদিন জিদান। ২০০৬ সালে মাতেরাজ্জিকে ঢুস মারার ঘটনায় লাইনসম্যানের নির্দেশে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি। ২০১০ বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের ডিফেন্ডার জন হেইতিঙ্গা ১০৯ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন, যার ফলে ১০ জনের নেদারল্যান্ডস শেষ পর্যন্ত ইনিয়েস্তার গোলের কাছে হার মানে।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে লাল কার্ডের ঘটনা ঘটল। ৮২ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ড দেখার পর ৯৩ মিনিটে পাও কুবারসিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন এনজো ফার্নান্দেজ। তার এই বিদায়ের পর আর্জেন্টিনা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি, যা তাদের শিরোপা জয়ের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor