সাতক্ষীরায় স্কুলছাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, অভিযুক্ত নারীকে পিটিয়ে হত্যা

- আপডেট সময় : ১১:৫৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ঝালমুড়ি খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার রাতে উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ওই ছাত্রীর নাম ফারজানা ইয়াসমিন (৯), সে কাশিবাটি গ্রামের ভ্যানচালক এনামুল হকের মেয়ে এবং ৪১ নম্বর কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল।
অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের সামনে ঝালমুড়ি বিক্রেতা সুরাইয়া আক্তার (সুমি) শিশুটিকে ফুসলিয়ে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ঝালমুড়ি খেতে দেওয়ার পর হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে শিশুটির কানের দুল খুলে নিয়ে লাশ ঘরের আলমারির ড্রয়ারে লুকিয়ে রাখা হয়। বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে সুরাইয়াকে ফারজানাকে ডেকে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহার।
সোমবার দুপুরে ক্লাস শেষে ফারজানা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা মাইকিং শুরু করেন। সিসিটিভি ফুটেজে সুরাইয়ার সংশ্লিষ্টতা দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। বিকেলে পুলিশ সুরাইয়ার বাড়িতে গিয়ে ড্রয়ার থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে হাজারো ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী সুরাইয়ার বাড়ি ঘিরে ফেলেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা সুরাইয়াকে আটক করে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর ক্ষুব্ধ জনতা সুরাইয়ার বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, স্বর্ণের গহনার লোভে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। রাতে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহত শিশু ও অভিযুক্ত নারীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরায় পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
বিদ্যালয়ের সামনেই তিনি ঝালমুড়ির বিক্রি করতেন।বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফারজানা স্কুলে পৌঁছালে সুরাইয়া তাকে ডেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান।
এরপর রাত ৯টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহার বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফারজানাকে বিদ্যালয় চত্বর থেকে ডেকে নিয়ে যান সুরাইয়া।




























