ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বাড়িতে দুদকের অভিযান: ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন বিশ্বকাপের পদক মঞ্চে ট্রাম্পকে এড়িয়ে গেলেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার রোমেরো? কোটচাঁদপুরে ভবন ভাঙার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু মাদকের বিস্তার রোধে সামাজিক সচেতনতা জরুরি: নিপুণ রায় কাপ্তাই হ্রদে নিখোঁজের দুই দিন পর বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স চতুর্থ সন্তানের বাবা হলেন শ্রম খাতের উন্নয়নে আইএলওর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের টানা হামলার জবাবে সিরিয়ায় ইরানের পাল্টা আঘাত ভৈরব পৌর কর্মকর্তাকে কাফনের কাপড় ও প্রাণনাশের হুমকি হাটহাজারীতে চা দোকানের কর্মচারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল: বিশ্বজয়ের মহালড়াইয়ের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা নির্ধারণী মহাকাব্যিক লড়াইয়ে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। একদিকে আলবিসেলেস্তেদের সামনে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি, অন্যদিকে ইউরো জয়ের পর বিশ্বমঞ্চেও নিজেদের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য স্প্যানিশদের। উত্তেজনায় ঠাসা এই মেগা ফাইনালের আগে দুই দলের শক্তি, পরিসংখ্যান ও নানা অনুষঙ্গ নিয়ে সাজানো হয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

এবারের ফাইনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। ইতিহাসের প্রথম স্লোভেনীয় হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনাল পরিচালনা করতে যাচ্ছেন তিনি। ভিনচিচকে নিয়ে দুই দলেরই রয়েছে মিশ্র অভিজ্ঞতা। ২০২৪ ইউরোর সেমিফাইনালে স্পেনের ফ্রান্স বধের ম্যাচটি যেমন তিনি পরিচালনা করেছিলেন, তেমনি ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের কাছে আর্জেন্টিনার সেই ঐতিহাসিক হারের ম্যাচেও বাঁশি ছিল তার মুখে। চলতি টুর্নামেন্টে বেশ কড়া মেজাজে থাকা এই রেফারি ম্যাচ প্রতি গড়ে ২.৩৩টি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন। মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচে মুখে হাত দিয়ে কথা বলার অপরাধে ইকুয়েডরের পিয়েরো হিনকাপিয়েকে লাল কার্ড দেখানোর ঘটনাও ঘটিয়েছেন তিনি।

বিশ্রামের দিক থেকে ফাইনালের আগে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে স্পেন। পরিসংখ্যান বলছে, বিগত ১৪টি বিশ্বকাপ ও ইউরো ফাইনালের (পুরুষ ও নারী উভয়) মধ্যে ১৩ বারই শিরোপা জিতেছে সেই দল, যারা সেমিফাইনাল ম্যাচটি আগে খেলেছিল। এবার স্প্যানিশরা আর্জেন্টিনার চেয়ে একদিন বেশি বিশ্রাম পেয়েছে। এছাড়া মাঠের লড়াইয়েও তারা বেশি সতেজ। নকআউট পর্বের সব ম্যাচই নির্ধারিত ৯০ মিনিটে শেষ করেছে স্পেন, যেখানে আর্জেন্টিনাকে দুবার অতিরিক্ত সময়ে খেলতে হয়েছে। টুর্নামেন্টে লিওনেল মেসিরা যেখানে ৭৯৪ মিনিট মাঠে দৌড়েছেন, সেখানে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা খেলেছেন ৭১৭ মিনিট। যদিও কাতার বিশ্বকাপে অতিরিক্ত সময় খেলেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্জেন্টিনা, তবে চার বছরের বুড়িয়ে যাওয়া দলটির জন্য এবার সেই ধকল সামলানো বড় পরীক্ষা হবে।

ফাইনালে নামার আগে আর্জেন্টাইন শিবিরের জন্য বড় এক স্বস্তির নাম তাদের প্রাচীন কুসংস্কার বা 'অশুভ লক্ষণ' এড়ানোর প্রথা। বিগত ৩৬ বছর ধরে আর্জেন্টিনার কোনো প্রেসিডেন্ট গ্যালারিতে বসে জাতীয় দলের বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখেন না। ১৯৯০ বিশ্বকাপে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কার্লোস মেনেম মাঠে হাজির হওয়ার পরই ক্যামেরুনের কাছে হেরে বসেছিল আর্জেন্টিনা। সেই থেকে বিশ্বাস করা হয়, প্রেসিডেন্টের উপস্থিতি দলের জন্য অমঙ্গল বয়ে আনে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই-ও সেই ধারা বজায় রেখে নিউ জার্সিতে না গিয়ে বুয়েনস আইরেসের বাসভবন থেকেই খেলা দেখছেন। অন্যদিকে, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে স্প্যানিশদের সরাসরি সমর্থন জোগাবেন।

ফুটবলীয় কৌশলের বিচারে এই ফাইনালটিকে গোলবন্যা বনাম দুর্ভেদ্য রক্ষণভাগের লড়াই বলা চলে। পুরো টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনা সর্বোচ্চ ১৯টি গোল করে আক্রমণে আধিপত্য দেখিয়েছে। অপরদিকে রক্ষণভাগে ইস্পাতকঠিন দেয়াল তুলে মাত্র ১টি গোল হজম করেছে স্পেন। মাঠের এই রণকৌশল সাজাচ্ছেন এমন দুই কোচ, যাদের কাউরই ক্লাব ফুটবলের শীর্ষ স্তরে কোচিং করানোর কোনো অভিজ্ঞতা নেই। স্পেনের লুইস দে লা ফুয়েন্তের ক্লাব ক্যারিয়ার বলতে আল আভেসের হয়ে মাত্র ১১ ম্যাচের অভিজ্ঞতা, আর আর্জেন্টিনার লিওনেল স্কালোনি তো অনূর্ধ্ব-২০ দল ছাড়া সরাসরি জাতীয় দলের দায়িত্বই কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। তবে দুজনের শোকেসেই ইতিমধ্যে ইউরো, কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপের ট্রফি যুক্ত হওয়ায় প্রমাণিত হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক ফুটবলে সফল হতে ক্লাব ফুটবলের প্রোফাইল জরুরি নয়।

চলতি বছর কাতারেই এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল 'ফিনালিসিমা' ম্যাচে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ম্যাচটি বাতিল হয়ে যায়। ফলে সেই অপ্রাপ্তির পর এটিই তাদের প্রথম দ্বৈরথ। এর আগে ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে মাত্র একবারই দল দুটি মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে লুইস আরতিমের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল আর্জেন্টিনা। আমেরিকান সংস্কৃতির ছোঁয়া লেগে এবারের ফাইনালের বিজয়ীদের জন্য রাখা হয়েছে বিশেষ চ্যাম্পিয়নশিপ রিং। ফিফার ওয়েবসাইট অনুযায়ী, মূল ট্রফির পাশাপাশি ৩০টি রিং দেওয়া হবে চ্যাম্পিয়নদের, যার একপাশে থাকবে বিশ্বকাপের অবয়ব এবং অন্যপাশে থাকবে বিজয়ী দেশের নিজস্ব পরিচিতি। নিউ জার্সির মাঠের আবহাওয়া নিয়েও কিছুটা উদ্বেগ ছিল, কানাডার দাবানলের ধোঁয়া ও বায়ুদূষণের কারণে জারি হয়েছিল সতর্কতা। তবে ফাইনালের আগে পরিস্থিতি অনেকটাই উন্নত হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল: বিশ্বজয়ের মহালড়াইয়ের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আপডেট সময় : ১১:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
print news

বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা নির্ধারণী মহাকাব্যিক লড়াইয়ে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। একদিকে আলবিসেলেস্তেদের সামনে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি, অন্যদিকে ইউরো জয়ের পর বিশ্বমঞ্চেও নিজেদের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য স্প্যানিশদের। উত্তেজনায় ঠাসা এই মেগা ফাইনালের আগে দুই দলের শক্তি, পরিসংখ্যান ও নানা অনুষঙ্গ নিয়ে সাজানো হয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

এবারের ফাইনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। ইতিহাসের প্রথম স্লোভেনীয় হিসেবে বিশ্বকাপের ফাইনাল পরিচালনা করতে যাচ্ছেন তিনি। ভিনচিচকে নিয়ে দুই দলেরই রয়েছে মিশ্র অভিজ্ঞতা। ২০২৪ ইউরোর সেমিফাইনালে স্পেনের ফ্রান্স বধের ম্যাচটি যেমন তিনি পরিচালনা করেছিলেন, তেমনি ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের কাছে আর্জেন্টিনার সেই ঐতিহাসিক হারের ম্যাচেও বাঁশি ছিল তার মুখে। চলতি টুর্নামেন্টে বেশ কড়া মেজাজে থাকা এই রেফারি ম্যাচ প্রতি গড়ে ২.৩৩টি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন। মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচে মুখে হাত দিয়ে কথা বলার অপরাধে ইকুয়েডরের পিয়েরো হিনকাপিয়েকে লাল কার্ড দেখানোর ঘটনাও ঘটিয়েছেন তিনি।

বিশ্রামের দিক থেকে ফাইনালের আগে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে স্পেন। পরিসংখ্যান বলছে, বিগত ১৪টি বিশ্বকাপ ও ইউরো ফাইনালের (পুরুষ ও নারী উভয়) মধ্যে ১৩ বারই শিরোপা জিতেছে সেই দল, যারা সেমিফাইনাল ম্যাচটি আগে খেলেছিল। এবার স্প্যানিশরা আর্জেন্টিনার চেয়ে একদিন বেশি বিশ্রাম পেয়েছে। এছাড়া মাঠের লড়াইয়েও তারা বেশি সতেজ। নকআউট পর্বের সব ম্যাচই নির্ধারিত ৯০ মিনিটে শেষ করেছে স্পেন, যেখানে আর্জেন্টিনাকে দুবার অতিরিক্ত সময়ে খেলতে হয়েছে। টুর্নামেন্টে লিওনেল মেসিরা যেখানে ৭৯৪ মিনিট মাঠে দৌড়েছেন, সেখানে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা খেলেছেন ৭১৭ মিনিট। যদিও কাতার বিশ্বকাপে অতিরিক্ত সময় খেলেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্জেন্টিনা, তবে চার বছরের বুড়িয়ে যাওয়া দলটির জন্য এবার সেই ধকল সামলানো বড় পরীক্ষা হবে।

ফাইনালে নামার আগে আর্জেন্টাইন শিবিরের জন্য বড় এক স্বস্তির নাম তাদের প্রাচীন কুসংস্কার বা 'অশুভ লক্ষণ' এড়ানোর প্রথা। বিগত ৩৬ বছর ধরে আর্জেন্টিনার কোনো প্রেসিডেন্ট গ্যালারিতে বসে জাতীয় দলের বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখেন না। ১৯৯০ বিশ্বকাপে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কার্লোস মেনেম মাঠে হাজির হওয়ার পরই ক্যামেরুনের কাছে হেরে বসেছিল আর্জেন্টিনা। সেই থেকে বিশ্বাস করা হয়, প্রেসিডেন্টের উপস্থিতি দলের জন্য অমঙ্গল বয়ে আনে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই-ও সেই ধারা বজায় রেখে নিউ জার্সিতে না গিয়ে বুয়েনস আইরেসের বাসভবন থেকেই খেলা দেখছেন। অন্যদিকে, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে স্প্যানিশদের সরাসরি সমর্থন জোগাবেন।

ফুটবলীয় কৌশলের বিচারে এই ফাইনালটিকে গোলবন্যা বনাম দুর্ভেদ্য রক্ষণভাগের লড়াই বলা চলে। পুরো টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনা সর্বোচ্চ ১৯টি গোল করে আক্রমণে আধিপত্য দেখিয়েছে। অপরদিকে রক্ষণভাগে ইস্পাতকঠিন দেয়াল তুলে মাত্র ১টি গোল হজম করেছে স্পেন। মাঠের এই রণকৌশল সাজাচ্ছেন এমন দুই কোচ, যাদের কাউরই ক্লাব ফুটবলের শীর্ষ স্তরে কোচিং করানোর কোনো অভিজ্ঞতা নেই। স্পেনের লুইস দে লা ফুয়েন্তের ক্লাব ক্যারিয়ার বলতে আল আভেসের হয়ে মাত্র ১১ ম্যাচের অভিজ্ঞতা, আর আর্জেন্টিনার লিওনেল স্কালোনি তো অনূর্ধ্ব-২০ দল ছাড়া সরাসরি জাতীয় দলের দায়িত্বই কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। তবে দুজনের শোকেসেই ইতিমধ্যে ইউরো, কোপা আমেরিকা ও বিশ্বকাপের ট্রফি যুক্ত হওয়ায় প্রমাণিত হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক ফুটবলে সফল হতে ক্লাব ফুটবলের প্রোফাইল জরুরি নয়।

চলতি বছর কাতারেই এই দুই দলের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল 'ফিনালিসিমা' ম্যাচে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ম্যাচটি বাতিল হয়ে যায়। ফলে সেই অপ্রাপ্তির পর এটিই তাদের প্রথম দ্বৈরথ। এর আগে ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে মাত্র একবারই দল দুটি মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে লুইস আরতিমের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল আর্জেন্টিনা। আমেরিকান সংস্কৃতির ছোঁয়া লেগে এবারের ফাইনালের বিজয়ীদের জন্য রাখা হয়েছে বিশেষ চ্যাম্পিয়নশিপ রিং। ফিফার ওয়েবসাইট অনুযায়ী, মূল ট্রফির পাশাপাশি ৩০টি রিং দেওয়া হবে চ্যাম্পিয়নদের, যার একপাশে থাকবে বিশ্বকাপের অবয়ব এবং অন্যপাশে থাকবে বিজয়ী দেশের নিজস্ব পরিচিতি। নিউ জার্সির মাঠের আবহাওয়া নিয়েও কিছুটা উদ্বেগ ছিল, কানাডার দাবানলের ধোঁয়া ও বায়ুদূষণের কারণে জারি হয়েছিল সতর্কতা। তবে ফাইনালের আগে পরিস্থিতি অনেকটাই উন্নত হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh