ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বার্লিন বিমানবন্দরে ড্রোন দেখা যাওয়ায় ফ্লাইট চলাচল বন্ধ সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা গোলান মালভূমি সিরিয়ারই থাকবে, জাতিসংঘে আল-শারার ঘোষণা ভোলায় এনসিপির কমিটি ঘোষণার পরপরই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ এফবিআইয়ের হাজারো কর্মকর্তার সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি হ্যাকারদের তেলুগু তারকা নানির ক্যারিয়ার, সম্পদ ও আসন্ন সিনেমার গল্প জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সৌন্দর্যের ভেতর ইতিহাসের শরীর: হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের তুলনামূলক পাঠ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে: এস এম জিলানী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা

ভৈরব পৌর কর্মকর্তাকে কাফনের কাপড় ও প্রাণনাশের হুমকি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে পার্সেলের মাধ্যমে সাদা কাফনের কাপড়, গোলাপ জল, আগরবাতি এবং একটি হুমকিসংবলিত চিরকুট পাঠিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী কর্মকর্তা ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ঘটনার পরপরই ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

পুলিশ ও জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই, রোববার এস.এ পরিবহনের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়া এলাকার ফাতান হোমিও চিকিৎসালয় ঠিকানায় পার্সেলটি পাঠানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি ভুক্তভোগী কর্মকর্তার স্ত্রীর মালিকানাধীন। প্রেরক হিসেবে আশুগঞ্জের হরিদাস নামে একজনের নাম ও একটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। পার্সেলের প্রাপক হিসেবে মো. ফারুকের নাম ও তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর দেওয়া ছিল। দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় মো. ফারুকের ছেলে মুন্তাসির মাহমুদ ঈশান দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পার্সেলটি গ্রহণ করেন। পরে বাসায় গিয়ে বাক্সটি খুললে ভেতরে এক গজ সাদা কাফনের কাপড়, একটি গোলাপ জলের বোতল, এক প্যাকেট আগরবাতি এবং একটি চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে তাকে আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় পরিণতির হুমকি দেওয়া হয়েছে।

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক বলেন, চার বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি ভৈরব পৌরসভায় সততা ও সরকারি বিধি-বিধান মেনে দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা বিধিবহির্ভূত আবদারকে তিনি কখনো প্রশ্রয় দেননি এবং সরকারি নিয়ম রক্ষায় কঠোর অবস্থানে ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই আপসহীন অবস্থানের কারণেই কোনো স্বার্থান্বেষী মহল বা অপরাধী চক্র ক্ষুব্ধ হয়ে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। এই হুমকি কেবল তাকে নয়, তার পুরো পরিবারকে চরম মানসিক আতঙ্কের মধ্যে ফেলেছে।

ভৈp>ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মো. ফারুকের অভিযোগের ভিত্তিতে একটি সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করছে এবং পার্সেলটি কোথা থেকে ও কারা পাঠিয়েছে তা শনাক্তে কাজ করছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ভৈরব পৌর কর্মকর্তাকে কাফনের কাপড় ও প্রাণনাশের হুমকি

আপডেট সময় : ০৩:০২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুককে পার্সেলের মাধ্যমে সাদা কাফনের কাপড়, গোলাপ জল, আগরবাতি এবং একটি হুমকিসংবলিত চিরকুট পাঠিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী কর্মকর্তা ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ঘটনার পরপরই ভৈরব থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

পুলিশ ও জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই, রোববার এস.এ পরিবহনের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মধ্যপাড়া এলাকার ফাতান হোমিও চিকিৎসালয় ঠিকানায় পার্সেলটি পাঠানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি ভুক্তভোগী কর্মকর্তার স্ত্রীর মালিকানাধীন। প্রেরক হিসেবে আশুগঞ্জের হরিদাস নামে একজনের নাম ও একটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। পার্সেলের প্রাপক হিসেবে মো. ফারুকের নাম ও তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর দেওয়া ছিল। দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় মো. ফারুকের ছেলে মুন্তাসির মাহমুদ ঈশান দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পার্সেলটি গ্রহণ করেন। পরে বাসায় গিয়ে বাক্সটি খুললে ভেতরে এক গজ সাদা কাফনের কাপড়, একটি গোলাপ জলের বোতল, এক প্যাকেট আগরবাতি এবং একটি চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে তাকে আগামী এক মাসের মধ্যে ভৈরব ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্যথায় পরিণতির হুমকি দেওয়া হয়েছে।

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক বলেন, চার বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি ভৈরব পৌরসভায় সততা ও সরকারি বিধি-বিধান মেনে দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা বিধিবহির্ভূত আবদারকে তিনি কখনো প্রশ্রয় দেননি এবং সরকারি নিয়ম রক্ষায় কঠোর অবস্থানে ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই আপসহীন অবস্থানের কারণেই কোনো স্বার্থান্বেষী মহল বা অপরাধী চক্র ক্ষুব্ধ হয়ে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। এই হুমকি কেবল তাকে নয়, তার পুরো পরিবারকে চরম মানসিক আতঙ্কের মধ্যে ফেলেছে।

ভৈp>ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মো. ফারুকের অভিযোগের ভিত্তিতে একটি সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করছে এবং পার্সেলটি কোথা থেকে ও কারা পাঠিয়েছে তা শনাক্তে কাজ করছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh