ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংস্কারের দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে: পিরোজপুরে হাসনাত আবদুল্লাহ গোবিপ্রবির নতুন উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. নাজমুস সাদাত বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষক স্পেনের উনাই সিমন যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি বাড়ানোর পরামর্শ সুখী দাম্পত্য জীবন গড়ে তোলার চার নববী কৌশল প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশনা টানা পঞ্চমবার সঠিক ভবিষ্যদ্বাণী: ২০২৬ বিশ্বকাপ জয়ী স্পেনের নাম আগেই জানত ইএ সরিষাবাড়ীর রাধানগর সানসেট পয়েন্টে দর্শনার্থীদের ভোগান্তি ও ক্ষোভ ২৪ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে আসছে জয় চৌধুরী ও মৌ খানের ‘স্নেহের বন্ধন’ জনগণের সমর্থন পেলে সংসদে ১৬০ আসন পাবো: হাসনাত আব্দুল্লাহ

তিন মহাদেশের ছয় দেশে ২০৩০ বিশ্বকাপ: ফুটবলে নতুন ইতিহাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৫:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা শেষ হতে না হতেই বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন ২০৩০ সালের পরবর্তী আসরের দিকে। ফুটবল বিশ্বকাপের ১০০ বছর পূর্তি বা শতবর্ষ উদযাপনকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০৩০ সালে বসছে এক ঐতিহাসিক আসর। ফিফার ঘোষণা অনুযায়ী, ইতিহাসের প্রথমবারের মতো তিন মহাদেশের মোট ছয়টি দেশে অনুষ্ঠিত হবে ফুটবলের এই সবচেয়ে বড় মহোৎসব।

ফিফার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল যৌথ আয়োজক দেশ হচ্ছে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। তবে বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপনের বিশেষ অংশ হিসেবে উদ্বোধনী তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আমেরিকার তিন দেশ—উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। উদ্বোধনী পর্বের এই তিন ম্যাচ শেষে টুর্নামেন্টের বাকি সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ইউরোপ ও আফ্রিকার তিন প্রধান স্বাগতিক দেশে।

১৯৩০ সালে উরুগুয়ের রাজধানী মন্টেভিডিওতে বসেছিল ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম আসর। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে সম্মান জানাতেই শতবর্ষ উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং প্রথম ম্যাচটি আয়োজন করা হবে উরুগুয়েতে। এছাড়া প্রথম বিশ্বকাপের রানার্সআপ দল হিসেবে আর্জেন্টিনায় একটি এবং দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা 'কনমেবল'-এর সদর দপ্তর থাকায় প্যারাগুয়েতে একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

এই মেগা আসরে সবচেয়ে বড় সুবিধা পাচ্ছে স্বাগতিক ছয়টি দেশই। আয়োজক হিসেবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর পাশাপাশি শতবর্ষের ম্যাচ আয়োজনের বিশেষ স্বীকৃতি হিসেবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েও কোনো বাছাইপর্ব ছাড়াই সরাসরি ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পাবে।

ইতিমধ্যেই এই আসরের জন্য ২৩টি বিশ্বমানের স্টেডিয়ামের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ফিফা। যার মধ্যে রয়েছে স্পেনের বিখ্যাত ক্যাম্প ন্যু ও সান্তিয়াগো বার্নাব্যু, পর্তুগালের এস্তাদিও দা লুজ, মরক্কোর নবনির্মিত হাসান-২ স্টেডিয়াম, আর্জেন্টিনার এস্তাদিও মনুমেন্টাল এবং উরুগুয়ের সেই ঐতিহাসিক এস্তাদিও সেন্টেনারিও। ছয়টি দেশে ছড়িয়ে থাকা এই ভিন্নধর্মী আয়োজন ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে ফিফা।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

তিন মহাদেশের ছয় দেশে ২০৩০ বিশ্বকাপ: ফুটবলে নতুন ইতিহাস

আপডেট সময় : ১০:৫৫:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
print news

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা শেষ হতে না হতেই বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন ২০৩০ সালের পরবর্তী আসরের দিকে। ফুটবল বিশ্বকাপের ১০০ বছর পূর্তি বা শতবর্ষ উদযাপনকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০৩০ সালে বসছে এক ঐতিহাসিক আসর। ফিফার ঘোষণা অনুযায়ী, ইতিহাসের প্রথমবারের মতো তিন মহাদেশের মোট ছয়টি দেশে অনুষ্ঠিত হবে ফুটবলের এই সবচেয়ে বড় মহোৎসব।

ফিফার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল যৌথ আয়োজক দেশ হচ্ছে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। তবে বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপনের বিশেষ অংশ হিসেবে উদ্বোধনী তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আমেরিকার তিন দেশ—উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। উদ্বোধনী পর্বের এই তিন ম্যাচ শেষে টুর্নামেন্টের বাকি সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ইউরোপ ও আফ্রিকার তিন প্রধান স্বাগতিক দেশে।

১৯৩০ সালে উরুগুয়ের রাজধানী মন্টেভিডিওতে বসেছিল ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম আসর। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে সম্মান জানাতেই শতবর্ষ উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং প্রথম ম্যাচটি আয়োজন করা হবে উরুগুয়েতে। এছাড়া প্রথম বিশ্বকাপের রানার্সআপ দল হিসেবে আর্জেন্টিনায় একটি এবং দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা 'কনমেবল'-এর সদর দপ্তর থাকায় প্যারাগুয়েতে একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

এই মেগা আসরে সবচেয়ে বড় সুবিধা পাচ্ছে স্বাগতিক ছয়টি দেশই। আয়োজক হিসেবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর পাশাপাশি শতবর্ষের ম্যাচ আয়োজনের বিশেষ স্বীকৃতি হিসেবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েও কোনো বাছাইপর্ব ছাড়াই সরাসরি ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলার টিকিট পাবে।

ইতিমধ্যেই এই আসরের জন্য ২৩টি বিশ্বমানের স্টেডিয়ামের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ফিফা। যার মধ্যে রয়েছে স্পেনের বিখ্যাত ক্যাম্প ন্যু ও সান্তিয়াগো বার্নাব্যু, পর্তুগালের এস্তাদিও দা লুজ, মরক্কোর নবনির্মিত হাসান-২ স্টেডিয়াম, আর্জেন্টিনার এস্তাদিও মনুমেন্টাল এবং উরুগুয়ের সেই ঐতিহাসিক এস্তাদিও সেন্টেনারিও। ছয়টি দেশে ছড়িয়ে থাকা এই ভিন্নধর্মী আয়োজন ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে ফিফা।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh