ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শপিংমল ও দোকানপাট রাত ৮টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন হট ৭০ প্রো ৫জি বাজারে হাতিয়ায় উত্তাল সাগরে ৩ ট্রলারডুবি, জীবিত উদ্ধার ৪৮ জেলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে শাস্তির পাশাপাশি কাউন্সেলিং জরুরি: খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ৫ নেতাকে সাংগঠনিক কারণে বহিষ্কার হামলার আশঙ্কায় পুলিশের নিরাপত্তা চাইল ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি চীনের অর্থনীতির রূপকার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজির পরলোকগমন তথ্য নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি ছড়াবে না সরকার: আমির খসরু রাতে বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়, এ মাসেই যুক্ত হচ্ছে নতুন ট্রেন বাবার প্রয়াণে আবেগঘন বার্তায় মেসি: ‘শান্তিতে ঘুমাও বাবা’

জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বাড়িতে দুদকের অভিযান: ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা ও ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের আটতলা বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে এই অভিযান শুরু হয়।

দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে দুদকের একটি দল বাড়িটিতে ইনভেন্টরি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অভিযান শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

এর আগে, চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি আদালত সাবেক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ক্রোক করা স্থাবর সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিভিন্ন জেলা প্রশাসক ও গণপূর্ত বিভাগকে ‘রিসিভার’ বা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ দেয়।

জিয়াউল আহসানকে ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট গভীর রাতে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

এদিকে, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। এই অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান দলও গঠন করা হয়। পরবর্তীতে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দুর্নীতির অভিযোগে জিয়াউল আহসান ও তার স্ত্রী নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, জিয়াউল আহসান ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজ নামে ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়াও, অনুমোদিত সীমার বেশি ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা রাখার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা ও উত্তোলন করা হয়েছে। স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে এসব অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের অভিযোগও রয়েছে। সব মিলিয়ে, জিয়াউল আহসানের নামে থাকা আটটি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বাড়িতে দুদকের অভিযান: ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন

আপডেট সময় : ০৪:২২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
print news

বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা ও ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের আটতলা বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে এই অভিযান শুরু হয়।

দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে দুদকের একটি দল বাড়িটিতে ইনভেন্টরি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অভিযান শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

এর আগে, চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি আদালত সাবেক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ক্রোক করা স্থাবর সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিভিন্ন জেলা প্রশাসক ও গণপূর্ত বিভাগকে ‘রিসিভার’ বা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ দেয়।

জিয়াউল আহসানকে ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট গভীর রাতে রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠান আদালত। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

এদিকে, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। এই অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান দলও গঠন করা হয়। পরবর্তীতে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দুর্নীতির অভিযোগে জিয়াউল আহসান ও তার স্ত্রী নুসরাত জাহানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, জিয়াউল আহসান ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজ নামে ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়াও, অনুমোদিত সীমার বেশি ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা রাখার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা ও উত্তোলন করা হয়েছে। স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে এসব অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের অভিযোগও রয়েছে। সব মিলিয়ে, জিয়াউল আহসানের নামে থাকা আটটি ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin