ঢাকা ০৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাদের-সাদ্দামসহ ৭ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চাইল রাষ্ট্রপক্ষ স্ত্রী রাহাত আরাকে জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি বললেন মির্জা ফখরুল চাকরি হারালেন বিপ্লব কুমার ও গোলাম রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তা মার্কিন রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে সংঘর্ষে নিহত ৭ বাবার প্রয়াণে ফুটবল থেকে অনির্দিষ্টকালের ছুটি নিলেন লিওনেল মেসি ৬৪ জেলায় পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: হাসিনা-কেন্দ্রিক রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠার আহ্বান ডিএমপিতে নতুন চার ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের পদায়ন নতুন সভ্যতার চালিকাশক্তি তরুণরা, মন্তব্য তথ্যমন্ত্রীর গোদাগাড়ীতে অনিয়মের দায়ে সেবা ক্লিনিক সিলগালা করল ভ্রাম্যমাণ আদালত

স্ত্রী রাহাত আরাকে জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি বললেন মির্জা ফখরুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগমকে নিজের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সম্প্রতি একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি তার পারিবারিক জীবন এবং রাজনৈতিক যাত্রায় স্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি নিজেকে অত্যন্ত ভাগ্যবান মনে করেন যে রাহাত আরা তার জীবনসঙ্গী হয়েছেন। বিয়ের পরবর্তী সময় থেকে নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের অনিশ্চিত পথচলায় স্ত্রীর নিঃশর্ত সমর্থন ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, রাহাত আরা বেগম দীর্ঘ সময় একটি বীমা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। নিজের উপার্জনের মাধ্যমে তিনি পরিবারের দায়িত্ব পালন এবং সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। মির্জা ফখরুল স্মৃতিচারণ করে বলেন, তার মেয়েরা হলিক্রস স্কুলে পড়াশোনা করেছে এবং সেই সময় পরিবারকে গণপরিবহন বা টেম্পোতে যাতায়াতের মতো অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। পরবর্তীতে নিজের আর্থিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ার আগ পর্যন্ত স্ত্রীই পরিবারের হাল ধরেছিলেন।

রাজনৈতিক জীবনে সংকটময় মুহূর্তগুলোতে স্ত্রীর অটল সাহসের ভূয়সী প্রশংসা করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি জানান, পুলিশের অভিযান বা গ্রেপ্তারের মতো চরম পরিস্থিতিতেও রাহাত আরা অত্যন্ত ধৈর্য ও সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। ২০১৩ বা ২০১৪ সালের দিকে পুলিশের অভিযানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে সময় ভোর না হওয়া পর্যন্ত স্ত্রী দরজা খোলেননি, যা তাকে মিডিয়া ও অন্যদের কাছে খবর পৌঁছানোর সুযোগ করে দিয়েছিল।

মির্জা ফখরুলের মতে, রাজনৈতিক কারণে তিনি কখনোই স্ত্রীর কোনো বিরক্তি বা অভিযোগ পাননি। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সবসময় পাশে থেকেছেন এবং রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলায় স্ত্রীর এই ত্যাগ ও সহযোগিতার মূল্য অপরিসীম বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, 'প্রত্যেকটা বিপদের সময় উনি কারেজিয়াসলি দাঁড়াতেন। আমাকে যখন পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে, তখন উনি খুব কারাজিয়াসলি আমার ব্যাগ গুছিয়ে দিয়েছেন। ২০২৩ বা ২০১৪ সালের দিকে একটা রাত্রে পুলিশ রেইড করলো। উনি বললেন, আমি দরজা খুলবো না। ভোর হওয়ার আগে পর্যন্ত আমি দরজা খুলবো না। ইতিমধ্যে মিডিয়াতে খবর দেওয়ায় মিডিয়া সব চলে এসেছে। তার

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

স্ত্রী রাহাত আরাকে জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি বললেন মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
print news

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগমকে নিজের জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সম্প্রতি একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎকারে তিনি তার পারিবারিক জীবন এবং রাজনৈতিক যাত্রায় স্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি নিজেকে অত্যন্ত ভাগ্যবান মনে করেন যে রাহাত আরা তার জীবনসঙ্গী হয়েছেন। বিয়ের পরবর্তী সময় থেকে নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের অনিশ্চিত পথচলায় স্ত্রীর নিঃশর্ত সমর্থন ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, রাহাত আরা বেগম দীর্ঘ সময় একটি বীমা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। নিজের উপার্জনের মাধ্যমে তিনি পরিবারের দায়িত্ব পালন এবং সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জুগিয়েছেন। মির্জা ফখরুল স্মৃতিচারণ করে বলেন, তার মেয়েরা হলিক্রস স্কুলে পড়াশোনা করেছে এবং সেই সময় পরিবারকে গণপরিবহন বা টেম্পোতে যাতায়াতের মতো অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। পরবর্তীতে নিজের আর্থিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ার আগ পর্যন্ত স্ত্রীই পরিবারের হাল ধরেছিলেন।

রাজনৈতিক জীবনে সংকটময় মুহূর্তগুলোতে স্ত্রীর অটল সাহসের ভূয়সী প্রশংসা করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি জানান, পুলিশের অভিযান বা গ্রেপ্তারের মতো চরম পরিস্থিতিতেও রাহাত আরা অত্যন্ত ধৈর্য ও সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। ২০১৩ বা ২০১৪ সালের দিকে পুলিশের অভিযানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সে সময় ভোর না হওয়া পর্যন্ত স্ত্রী দরজা খোলেননি, যা তাকে মিডিয়া ও অন্যদের কাছে খবর পৌঁছানোর সুযোগ করে দিয়েছিল।

মির্জা ফখরুলের মতে, রাজনৈতিক কারণে তিনি কখনোই স্ত্রীর কোনো বিরক্তি বা অভিযোগ পাননি। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সবসময় পাশে থেকেছেন এবং রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলায় স্ত্রীর এই ত্যাগ ও সহযোগিতার মূল্য অপরিসীম বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, 'প্রত্যেকটা বিপদের সময় উনি কারেজিয়াসলি দাঁড়াতেন। আমাকে যখন পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে, তখন উনি খুব কারাজিয়াসলি আমার ব্যাগ গুছিয়ে দিয়েছেন। ২০২৩ বা ২০১৪ সালের দিকে একটা রাত্রে পুলিশ রেইড করলো। উনি বললেন, আমি দরজা খুলবো না। ভোর হওয়ার আগে পর্যন্ত আমি দরজা খুলবো না। ইতিমধ্যে মিডিয়াতে খবর দেওয়ায় মিডিয়া সব চলে এসেছে। তার

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh