চাকরি হারালেন বিপ্লব কুমার ও গোলাম রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তা
- আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

সরকারি আদেশ অমান্য করা, কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকা এবং পলায়নের অভিযোগে বাংলাদেশ পুলিশ ক্যাডারের ছয়জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে চাকরিচ্যুত করেছে সরকার। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক ছয়টি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদন এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (বিপিএসসি) পরামর্শক্রমে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তারা কেউ লিখিত ব্যাখ্যা দেননি। নিরপেক্ষ তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন ডিএমপির সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার। তিনি বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় ৬ আগস্ট ২০২৪ থেকে অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত ছিলেন। একইভাবে সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ২২ আগস্ট ২০২৪ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন।
তালিকায় থাকা অন্যরা হলেন—উত্তরা বিভাগের সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম, যিনি বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগ দেননি এবং ১৪ আগস্ট ২০২৪ থেকে অনুপস্থিত ছিলেন। ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ২৮ আগস্ট ২০২৪ থেকে অনুপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ইকবাল হোসাইন গণঅভ্যুত্থানের সময় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে উদ্দেশ করে “স্যার, একটা গুলি করলে একটাই মরে” মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছিলেন।
এছাড়া কক্সবাজারের ৮ এপিবিএনে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাস ছুটি শেষে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে টানা ৬০ দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকায় বরখাস্ত হয়েছেন। সহকারী পুলিশ কমিশনার (পিপিএম) মো. গোলাম রুহানী, যিনি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানীর ছোট ভাই, তিনিও ১১ আগস্ট ২০২৪ থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগ না দেওয়ায় বরখাস্ত হয়েছেন।
























