ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশ পুলিশের শীর্ষপদে ২৩ কর্মকর্তার বড় রদবদল কাদের-সাদ্দামসহ ৭ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চাইল রাষ্ট্রপক্ষ স্ত্রী রাহাত আরাকে জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি বললেন মির্জা ফখরুল চাকরি হারালেন বিপ্লব কুমার ও গোলাম রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তা মার্কিন রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে সংঘর্ষে নিহত ৭ বাবার প্রয়াণে ফুটবল থেকে অনির্দিষ্টকালের ছুটি নিলেন লিওনেল মেসি ৬৪ জেলায় পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: হাসিনা-কেন্দ্রিক রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠার আহ্বান ডিএমপিতে নতুন চার ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের পদায়ন নতুন সভ্যতার চালিকাশক্তি তরুণরা, মন্তব্য তথ্যমন্ত্রীর

কাদের-সাদ্দামসহ ৭ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চাইল রাষ্ট্রপক্ষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

চব্বিশের জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি বা মৃত্যুদণ্ড চেয়ে যুক্তিতর্ক শেষ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। বুধবার (১২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। বিচারিক প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, এই মামলায় সাত আসামির বিরুদ্ধেই গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে এবং প্রসিকিউশন চারটি অভিযোগই প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে বহু মানুষ হত্যা ও আহতের পেছনে তারা দায়ী। তাই কোনো প্রকার অনুকম্পা না দেখিয়ে তাদের সর্বোচ্চ সাজা হওয়া উচিত, যেন ভবিষ্যতে এমন রাজনীতিবিদদের জন্ম না হয়।

মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের ষষ্ঠ দিনে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম টানা পাঁচ কার্যদিবস ধরে ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, শেখ ফজলে শামস পরশসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি অনুযায়ী, আসামিরা সমন্বিতভাবে আন্দোলন দমনে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। এ সময় ফোনালাপ ও কল রেকর্ডের মাধ্যমে তাদের সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা ও ভূমিকার প্রমাণ দাখিল করা হয়।

অভিযুক্ত সাতজন হলেন ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন ও ওয়ালি আসিফ ইনান। বর্তমানে তারা সবাই পলাতক রয়েছেন। তাদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন। এ সময় প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, মঈনুল করিম ও তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২ আগস্ট মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সমাপ্ত হয়, যেখানে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৮ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন, যার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

কাদের-সাদ্দামসহ ৭ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চাইল রাষ্ট্রপক্ষ

আপডেট সময় : ০৬:০৬:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
print news

চব্বিশের জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি বা মৃত্যুদণ্ড চেয়ে যুক্তিতর্ক শেষ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। বুধবার (১২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই আবেদন জানান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। বিচারিক প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, এই মামলায় সাত আসামির বিরুদ্ধেই গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে এবং প্রসিকিউশন চারটি অভিযোগই প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে বহু মানুষ হত্যা ও আহতের পেছনে তারা দায়ী। তাই কোনো প্রকার অনুকম্পা না দেখিয়ে তাদের সর্বোচ্চ সাজা হওয়া উচিত, যেন ভবিষ্যতে এমন রাজনীতিবিদদের জন্ম না হয়।

মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের ষষ্ঠ দিনে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম টানা পাঁচ কার্যদিবস ধরে ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, শেখ ফজলে শামস পরশসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি অনুযায়ী, আসামিরা সমন্বিতভাবে আন্দোলন দমনে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। এ সময় ফোনালাপ ও কল রেকর্ডের মাধ্যমে তাদের সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা ও ভূমিকার প্রমাণ দাখিল করা হয়।

অভিযুক্ত সাতজন হলেন ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন ও ওয়ালি আসিফ ইনান। বর্তমানে তারা সবাই পলাতক রয়েছেন। তাদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছেন। এ সময় প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, মঈনুল করিম ও তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২ আগস্ট মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সমাপ্ত হয়, যেখানে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৮ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন, যার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor