সাশ্রয়ী আবাসন অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত: রাষ্ট্রপতি
- আপডেট সময় : ০৯:৫৯:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সবার জন্য মানসম্মত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, নাগরিকদের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সবার জন্য নিরাপদ, বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব আবাসনের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি। সোমবার (৫ অক্টোবর) দিবসটি পালিত হতে যাচ্ছে, যার প্রাক্কালে রোববার (৪ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি এই বাণী প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশে এই দিবসটি পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে নগরগুলো এখন কেবল বসবাসের স্থান নয়, বরং তা কর্মসংস্থান, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও উদ্ভাবনের প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই কারণে একটি সুপরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগরায়ণই টেকসই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। তবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, তীব্র যানজট, দূষণ এবং মানহীন আবাসনের মতো বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এই বাস্তবতায় এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
দেশের আবাসন সংকটের চিত্র তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা হলো নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ বাসস্থান। কিন্তু দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জমির উচ্চমূল্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে এই সংকট দিন দিন আরও তীব্র হচ্ছে, যার বড় শিকার হচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের দৃঢ় প্রতিজ্ঞার কথা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য আবাসন কর্মসূচি, জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামো তৈরি, নিরাপদ ভবন নির্মাণবিধি মেনে চলা, ভূমির সঠিক ব্যবহার এবং স্মার্ট নগর ব্যবস্থাপনার মতো বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচি নাগরিক সেবা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি অংশীজন, গবেষক, নাগরিক সমাজ এবং তরুণ প্রজন্মের সম্মিলিত অংশীদারত্বকে অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬-এর সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।




























