ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে মাদরাসা ভাঙচুর ও প্রধান শিক্ষককে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন সোনাদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুদের তাণ্ডব, আহত ৮ মাঝিমাল্লা চমেক হাসপাতালে চরফ্যাশন আইনজীবী সমিতির এপিপি হিরনের সদস্যপদ ফের স্থগিত পানির তীব্র সংকট: ২০৩০ সালের আগেই ফুরিয়ে যাবে কাবুলের জল! ইরানে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৯৬ নতুন রোগী ফ্রান্সে ছাত্র বিক্ষোভ ও সংঘাত, গ্রেপ্তার ৬ হাজার জুলাই যোদ্ধাদের সাংবিধানিক সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের উপ-নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ, পুনর্নির্বাচনের দাবি বিরোধীদের সার্বিয়ার ভিসা দেওয়ার নামে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র

স্বামী খুঁজতে মার্কিন নারীর ‘হাজব্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন’, আবেদন ২৪১ জনের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:১০:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জীবনসঙ্গী খোঁজার প্রচলিত সব মাধ্যম পেরিয়ে এক অভিনব পথ বেছে নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লট শহরের বাসিন্দা আরিন প্যাটারসন। ৩৬ বছর বয়সী এই নারী নিজের জন্য যোগ্য পাত্র খুঁজে পেতে তৈরি করেছেন ‘হাজব্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন’ নামের একটি গুগল ফরম। আর তাতেই সাড়া দিয়ে ইতিমধ্যে আবেদন জমা দিয়েছেন ২৪১ জন পুরুষ।

আরিন প্যাটারসন বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলাইনা (ইউএনসি) শার্লটের স্টুডেন্ট ইউনিয়নের সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত আছেন। ২০১৯ সালে তাঁর একটি বাগদান ভেঙে যাওয়ার পর করোনা মহামারির শেষে তিনি নতুন করে জীবন শুরু করতে শার্লটে আসেন। দীর্ঘ তিন বছর ধরে তিনি সিঙ্গেল বা একা রয়েছেন। তবে মনের মতো জীবনসঙ্গী পাওয়ার আশা তিনি কখনোই ছেড়ে দেননি। ডেটিং অ্যাপ ব্যবহার করা থেকে শুরু করে সরাসরি পরিচয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ডেটে গিয়েও কাঙ্ক্ষিত মানুষের সন্ধান পাননি তিনি। নিজের বাবা-মায়ের ৪৪ বছরের সফল দাম্পত্য জীবন তাঁকে একটি স্থায়ী সম্পর্কের জন্য অনুপ্রাণিত করেছে। আর সেই তাড়না থেকেই তিনি এই অভিনব গুগল ফরমের ধারণাটি কাজে লাগান।

গত আগস্ট মাসের শেষ দিকে আরিন তাঁর ইনস্টাগ্রাম বায়োতে তিন পৃষ্ঠার এই ফরমের লিংকটি শেয়ার করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার শুরু করেন। এরপর থেকে তাঁর কাছে ২৪১টি আনুষ্ঠানিক আবেদন ছাড়াও প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০টি সরাসরি বার্তা বা ডিরেক্ট মেসেজ এসেছে। ‘সো… ইউ আর ইন্টারেস্টেড?’ শিরোনামের এই ফরমে নিজেকে একজন আশাবাদী, প্রাণবন্ত, দয়ালু ও আন্তরিক মানুষ হিসেবে তুলে ধরেছেন আরিন।

ফরমে জীবনসঙ্গী হিসেবে আরিন এমন একজনকে খুঁজছেন যিনি সুদর্শন, বুদ্ধিমান, দয়ালু, বিশ্বস্ত ও উদার হবেন; যিনি কফি বা ডিনার ডেটে যেতে পছন্দ করবেন এবং সম্পর্ককে পর্যাপ্ত সময় দেবেন। সম্ভাব্য স্বামীর জন্য তিনি কিছু ন্যূনতম শর্তও জুড়ে দিয়েছেন। আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২৮ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে, ধর্মে খ্রিস্টান, অবিবাহিত এবং প্রেম ও বিয়েতে বিশ্বাসী হতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে স্বামী ও বাবা হওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে অন্তত ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং উচ্চতা ন্যূনতম ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি হওয়া আবশ্যক। নিজে খালি পায়ে ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি এবং হিল পরলে ৬ ফুট লম্বা হওয়ায় তিনি পাত্রের উচ্চতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

ফরমটিতে আবেদনকারীদের কাছেও জানতে চাওয়া হয়েছে যে তারা তাদের জীবনসঙ্গীর মধ্যে কী ধরনের গুণাবলি দেখতে চান। এমনকি এমন কোনো বিষয় আছে কি না, যা নিয়ে তারা দীর্ঘ সময় ধরে কথা বলতে পারেন—সেটি জানার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন আরিন। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ছুটির মৌসুমে সময় কাটানোর জন্য সাময়িক কোনো সঙ্গী খোঁজা তাঁর লক্ষ্য নয়, বরং স্থায়ী বিয়েই তাঁর চূড়ান্ত উদ্দেশ্য। আরিনের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে এবং এটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে তাঁর এই সাহসের প্রশংসা করলেও কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে বেশ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বামী খুঁজতে মার্কিন নারীর ‘হাজব্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন’, আবেদন ২৪১ জনের

আপডেট সময় : ১১:১০:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

জীবনসঙ্গী খোঁজার প্রচলিত সব মাধ্যম পেরিয়ে এক অভিনব পথ বেছে নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার শার্লট শহরের বাসিন্দা আরিন প্যাটারসন। ৩৬ বছর বয়সী এই নারী নিজের জন্য যোগ্য পাত্র খুঁজে পেতে তৈরি করেছেন ‘হাজব্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন’ নামের একটি গুগল ফরম। আর তাতেই সাড়া দিয়ে ইতিমধ্যে আবেদন জমা দিয়েছেন ২৪১ জন পুরুষ।

আরিন প্যাটারসন বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলাইনা (ইউএনসি) শার্লটের স্টুডেন্ট ইউনিয়নের সিনিয়র অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত আছেন। ২০১৯ সালে তাঁর একটি বাগদান ভেঙে যাওয়ার পর করোনা মহামারির শেষে তিনি নতুন করে জীবন শুরু করতে শার্লটে আসেন। দীর্ঘ তিন বছর ধরে তিনি সিঙ্গেল বা একা রয়েছেন। তবে মনের মতো জীবনসঙ্গী পাওয়ার আশা তিনি কখনোই ছেড়ে দেননি। ডেটিং অ্যাপ ব্যবহার করা থেকে শুরু করে সরাসরি পরিচয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ডেটে গিয়েও কাঙ্ক্ষিত মানুষের সন্ধান পাননি তিনি। নিজের বাবা-মায়ের ৪৪ বছরের সফল দাম্পত্য জীবন তাঁকে একটি স্থায়ী সম্পর্কের জন্য অনুপ্রাণিত করেছে। আর সেই তাড়না থেকেই তিনি এই অভিনব গুগল ফরমের ধারণাটি কাজে লাগান।

গত আগস্ট মাসের শেষ দিকে আরিন তাঁর ইনস্টাগ্রাম বায়োতে তিন পৃষ্ঠার এই ফরমের লিংকটি শেয়ার করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার শুরু করেন। এরপর থেকে তাঁর কাছে ২৪১টি আনুষ্ঠানিক আবেদন ছাড়াও প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০টি সরাসরি বার্তা বা ডিরেক্ট মেসেজ এসেছে। ‘সো… ইউ আর ইন্টারেস্টেড?’ শিরোনামের এই ফরমে নিজেকে একজন আশাবাদী, প্রাণবন্ত, দয়ালু ও আন্তরিক মানুষ হিসেবে তুলে ধরেছেন আরিন।

ফরমে জীবনসঙ্গী হিসেবে আরিন এমন একজনকে খুঁজছেন যিনি সুদর্শন, বুদ্ধিমান, দয়ালু, বিশ্বস্ত ও উদার হবেন; যিনি কফি বা ডিনার ডেটে যেতে পছন্দ করবেন এবং সম্পর্ককে পর্যাপ্ত সময় দেবেন। সম্ভাব্য স্বামীর জন্য তিনি কিছু ন্যূনতম শর্তও জুড়ে দিয়েছেন। আবেদনকারীর বয়স হতে হবে ২৮ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে, ধর্মে খ্রিস্টান, অবিবাহিত এবং প্রেম ও বিয়েতে বিশ্বাসী হতে হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে স্বামী ও বাবা হওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে অন্তত ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং উচ্চতা ন্যূনতম ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি হওয়া আবশ্যক। নিজে খালি পায়ে ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি এবং হিল পরলে ৬ ফুট লম্বা হওয়ায় তিনি পাত্রের উচ্চতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

ফরমটিতে আবেদনকারীদের কাছেও জানতে চাওয়া হয়েছে যে তারা তাদের জীবনসঙ্গীর মধ্যে কী ধরনের গুণাবলি দেখতে চান। এমনকি এমন কোনো বিষয় আছে কি না, যা নিয়ে তারা দীর্ঘ সময় ধরে কথা বলতে পারেন—সেটি জানার আগ্রহও প্রকাশ করেছেন আরিন। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ছুটির মৌসুমে সময় কাটানোর জন্য সাময়িক কোনো সঙ্গী খোঁজা তাঁর লক্ষ্য নয়, বরং স্থায়ী বিয়েই তাঁর চূড়ান্ত উদ্দেশ্য। আরিনের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে এবং এটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে তাঁর এই সাহসের প্রশংসা করলেও কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে বেশ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin