ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বর্ণের দাম ফের বাড়ল, ২২ ক্যারেট ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা দাম্পত্য জীবনে ‘স্লিপ ডিভোর্স’ কী এবং কেন বাড়ছে এর প্রবণতা? ড্রেসিংরুমে কোন্দলের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আর্জেন্টিনা কোচ স্কালোনি বন্যার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোও এক মহান ইবাদত আলোচনার জন্য প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র, তবে ইরান আন্তরিক নয়: মার্কো রুবিও ইরান যুদ্ধের খরচে দিশাহারা পেন্টাগন, অতিরিক্ত তহবিল চাইলেন হেগসেথ সার্কের সঙ্গে বিমসটেকের তুলনা বিভ্রান্তিকর ও অযৌক্তিক: ইন্দ্র মণি পান্ডে এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, চুক্তি ৩১ আগস্টের মধ্যে নিট আন্দোলন নিয়ে নীরবতায় তোপের মুখে ক্যাটরিনা কাইফ তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচে, প্লাবনের আশঙ্কায় নিম্নাঞ্চল

জামায়াত-বিএনপি বলয় ছাড়ার চাপ: কওমি দলগুলোকে এক করছে হেফাজত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

কওমি ঘরানার ইসলামি দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিভাজন দূর করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সম্প্রতি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির জামেয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভায় কওমি ধারার নিবন্ধিত সাতটি দলকে এক ছাতার নিচে আনার বিষয়ে প্রাথমিক ঐকমত্য হয়েছে। মূলত বিগত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত, বিএনপি ও স্বতন্ত্র—এই তিন ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়ার পর কওমি অঙ্গনে যে সাংগঠনিক ও মাদ্রাসাকেন্দ্রিক দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছিল, তা মেটাতেই এই সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম তৈরির তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

এই উদ্যোগে শামিল হওয়া সাতটি দল হলো—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, খেলাফত আন্দোলন এবং ইসলামী ঐক্যজোট। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রতিটি দল আগামী আগস্টের শুরুতে নিজেদের ফোরামে আলোচনা করে লিখিত প্রস্তাব জমা দেবে। এর ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী বৈঠকে ঐক্যের রূপরেখা, নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা চূড়ান্ত করা হবে। তবে এখনই নতুন কোনো রাজনৈতিক দল গঠন নয়, বরং কওমি দলগুলোর পারস্পরিক দূরত্ব কমিয়ে একটি অভিন্ন অবস্থান তৈরি করাই হেফাজতের মূল লক্ষ্য।

হেফাজতের শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, গত নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কওমি অঙ্গনকে গভীরভাবে বিভক্ত করেছে। ওই নির্বাচনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের সাথে সমঝোতা করেছিল। অন্যদিকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বিএনপির বলয়ে থেকে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে জামায়াতের জোট ছেড়ে একা লড়াই করে। খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী ঐক্যজোটও স্বতন্ত্র অবস্থান নিয়েছিল। এই বিভক্তি শুধু নির্বাচনেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং পরবর্তী সময়ে কওমি মাদ্রাসাগুলোর পরিচালনা, প্রভাব বিস্তার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরের বিরুদ্ধে কাদা ছুড়াছুড়ির মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করে।

বৈঠকে দলগুলোর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বেশ খোলামেলা বিতর্ক হয়। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের পক্ষ থেকে কওমি দলগুলোকে জামায়াতের বলয় থেকে বেরিয়ে আসার প্রস্তাব দেওয়া হলে, অন্য দলগুলো পাল্টা দাবি তোলে যে তাহলে জমিয়তকেও বিএনপির বলয় ছাড়তে হবে। একপর্যায়ে জমিয়ত নেতারা জানান, অন্য দলগুলো জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করলে তারাও বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে নতুন করে ভাববেন। হেফাজত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই সমন্বিত প্ল্যাটফর্মকে কার্যকর করতে হলে দলগুলোকে বিদ্যমান রাজনৈতিক জোট ছাড়তেই হবে, যা প্রকারান্তরে জামায়াত ও বিএনপির ওপর এক ধরনের পরোক্ষ চাপ সৃষ্টি করছে।

এ বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মীর ইদ্রিস জানান, নির্বাচনের কারণে তৃণমূলে যে কাদা ছুড়াছুড়ির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতেই হেফাজত আমির সবাইকে নিয়ে বসেছেন। প্রতিটি দলের লিখিত মতামত পাওয়ার পর পরবর্তী বৈঠকে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা ঠিক করা হবে। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীও এই ঐক্যের বিষয়ে দলের ইতিবাচক অবস্থানের কথা নিশ্চিত করে বলেন, হেফাজতের আমির চান দলগুলো নিজেদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখুক। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, সাতটি দলের আকিদা ও বিশ্বাসে মিল থাকায় একটি শক্তিশালী ঐক্যের ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব, যার কাঠামো পরবর্তী বৈঠকে নির্ধারিত হবে।

তবে জামায়াত জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক কিছুটা ভিন্ন সুরে বলেন, এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল কওমি দলগুলোর মধ্যকার দূরত্ব কমানো, এখনো নতুন কোনো রাজনৈতিক জোট গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী এবং বাংলাদেশ খেলাফতের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিনও একমত যে, কার্যকর ঐক্য গড়ে তুলতে কিছুটা সময় লাগবে এবং আপাতত নীতিগতভাবে সবাই একসঙ্গে চলার বিষয়ে ইতিবাচক। এদিকে হেফাজতের এক প্রভাবশালী নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঐতিহাসিকভাবে কওমি আলেমরা জামায়াতের আকিদাগত অবস্থানের সমালোচক হলেও রাজনৈতিক বাস্তবতায় সমঝোতা করতে গিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, যা দূর করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

কওমি দলগুলোর এই নতুন মেরুকরণ নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, সাতটি দলের ভিন্ন ভিন্ন সাংগঠনিক স্বার্থ ও কৌশলের কারণে সবাইকে এক প্ল্যাটফর্মে আনা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে আগস্টের প্রস্তাবনা জমার পরই স্পষ্ট হবে এটি কেবল সমঝোতা নাকি নতুন জোটের জন্ম দেবে। এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, রাজনীতিতে জোট গঠন নতুন কিছু নয় এবং জামায়াত সবসময় অন্য ইসলামি দলগুলোকে সম্মানের চোখে দেখে। যেকোনো ফরম্যাটেই হোক, ইসলামি দলগুলো সঠিক দায়িত্ব পালন করলে এবং তাগুতের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকলে জামায়াত যেকোনো নতুন জোটকে স্বাগত জানাবে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

জামায়াত-বিএনপি বলয় ছাড়ার চাপ: কওমি দলগুলোকে এক করছে হেফাজত

আপডেট সময় : ১০:৩৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
print news

কওমি ঘরানার ইসলামি দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক বিভাজন দূর করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সম্প্রতি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির জামেয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভায় কওমি ধারার নিবন্ধিত সাতটি দলকে এক ছাতার নিচে আনার বিষয়ে প্রাথমিক ঐকমত্য হয়েছে। মূলত বিগত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত, বিএনপি ও স্বতন্ত্র—এই তিন ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়ার পর কওমি অঙ্গনে যে সাংগঠনিক ও মাদ্রাসাকেন্দ্রিক দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছিল, তা মেটাতেই এই সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম তৈরির তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

এই উদ্যোগে শামিল হওয়া সাতটি দল হলো—ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, খেলাফত আন্দোলন এবং ইসলামী ঐক্যজোট। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রতিটি দল আগামী আগস্টের শুরুতে নিজেদের ফোরামে আলোচনা করে লিখিত প্রস্তাব জমা দেবে। এর ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী বৈঠকে ঐক্যের রূপরেখা, নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা চূড়ান্ত করা হবে। তবে এখনই নতুন কোনো রাজনৈতিক দল গঠন নয়, বরং কওমি দলগুলোর পারস্পরিক দূরত্ব কমিয়ে একটি অভিন্ন অবস্থান তৈরি করাই হেফাজতের মূল লক্ষ্য।

হেফাজতের শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, গত নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কওমি অঙ্গনকে গভীরভাবে বিভক্ত করেছে। ওই নির্বাচনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের সাথে সমঝোতা করেছিল। অন্যদিকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বিএনপির বলয়ে থেকে এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আসন ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে জামায়াতের জোট ছেড়ে একা লড়াই করে। খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী ঐক্যজোটও স্বতন্ত্র অবস্থান নিয়েছিল। এই বিভক্তি শুধু নির্বাচনেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং পরবর্তী সময়ে কওমি মাদ্রাসাগুলোর পরিচালনা, প্রভাব বিস্তার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরের বিরুদ্ধে কাদা ছুড়াছুড়ির মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি করে।

বৈঠকে দলগুলোর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বেশ খোলামেলা বিতর্ক হয়। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের পক্ষ থেকে কওমি দলগুলোকে জামায়াতের বলয় থেকে বেরিয়ে আসার প্রস্তাব দেওয়া হলে, অন্য দলগুলো পাল্টা দাবি তোলে যে তাহলে জমিয়তকেও বিএনপির বলয় ছাড়তে হবে। একপর্যায়ে জমিয়ত নেতারা জানান, অন্য দলগুলো জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করলে তারাও বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে নতুন করে ভাববেন। হেফাজত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এই সমন্বিত প্ল্যাটফর্মকে কার্যকর করতে হলে দলগুলোকে বিদ্যমান রাজনৈতিক জোট ছাড়তেই হবে, যা প্রকারান্তরে জামায়াত ও বিএনপির ওপর এক ধরনের পরোক্ষ চাপ সৃষ্টি করছে।

এ বিষয়ে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মীর ইদ্রিস জানান, নির্বাচনের কারণে তৃণমূলে যে কাদা ছুড়াছুড়ির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতেই হেফাজত আমির সবাইকে নিয়ে বসেছেন। প্রতিটি দলের লিখিত মতামত পাওয়ার পর পরবর্তী বৈঠকে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা ঠিক করা হবে। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীও এই ঐক্যের বিষয়ে দলের ইতিবাচক অবস্থানের কথা নিশ্চিত করে বলেন, হেফাজতের আমির চান দলগুলো নিজেদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখুক। অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, সাতটি দলের আকিদা ও বিশ্বাসে মিল থাকায় একটি শক্তিশালী ঐক্যের ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব, যার কাঠামো পরবর্তী বৈঠকে নির্ধারিত হবে।

তবে জামায়াত জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক কিছুটা ভিন্ন সুরে বলেন, এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল কওমি দলগুলোর মধ্যকার দূরত্ব কমানো, এখনো নতুন কোনো রাজনৈতিক জোট গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির আহমদ আলী কাসেমী এবং বাংলাদেশ খেলাফতের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিনও একমত যে, কার্যকর ঐক্য গড়ে তুলতে কিছুটা সময় লাগবে এবং আপাতত নীতিগতভাবে সবাই একসঙ্গে চলার বিষয়ে ইতিবাচক। এদিকে হেফাজতের এক প্রভাবশালী নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঐতিহাসিকভাবে কওমি আলেমরা জামায়াতের আকিদাগত অবস্থানের সমালোচক হলেও রাজনৈতিক বাস্তবতায় সমঝোতা করতে গিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, যা দূর করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

কওমি দলগুলোর এই নতুন মেরুকরণ নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, সাতটি দলের ভিন্ন ভিন্ন সাংগঠনিক স্বার্থ ও কৌশলের কারণে সবাইকে এক প্ল্যাটফর্মে আনা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে আগস্টের প্রস্তাবনা জমার পরই স্পষ্ট হবে এটি কেবল সমঝোতা নাকি নতুন জোটের জন্ম দেবে। এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, রাজনীতিতে জোট গঠন নতুন কিছু নয় এবং জামায়াত সবসময় অন্য ইসলামি দলগুলোকে সম্মানের চোখে দেখে। যেকোনো ফরম্যাটেই হোক, ইসলামি দলগুলো সঠিক দায়িত্ব পালন করলে এবং তাগুতের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকলে জামায়াত যেকোনো নতুন জোটকে স্বাগত জানাবে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin