স্বর্ণের দাম ফের বাড়ল, ২২ ক্যারেট ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা

- আপডেট সময় : ১১:৫১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার সব ধরনের স্বর্ণের দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৭৪১ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এতে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায় (ভ্যাটসহ)। আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন এই মূল্য কার্যকর করা হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে সংগঠনটি।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ এখন থেকে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায় বিক্রি হবে। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।
সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন দাম বহাল থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা বা ডিজাইন অনুযায়ী ক্রেতাদের অতিরিক্ত মজুরি দিতে হবে। স্বর্ণ ও রৌপ্যালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের ভেতরেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদা কোনো ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া নির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার পরিবর্তন (এক্সচেঞ্জ) ও ক্রয়ের (পারচেজ) ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়মাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।
এর আগে গত ২১ জুলাই সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়া ২১ ক্যারেট ২ লাখ ১১ হাজার ৪৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮১ হাজার ৬০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৬৬ টাকা করা হয়েছিল, যা সেদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কার্যকর হয়।
চলতি বছর দেশের বাজারে এ নিয়ে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ৪৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, ৪৭ বার কমানো হয়েছে এবং ১ বার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিগত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দামের পরিবর্তন আনা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।





























