ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ব্যাপক পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলা বিশ্বকাপের আগে সুইমিং পুলে রোনালদোর ফিটনেস ঝলক আর্জেন্টিনার প্রেমে যেভাবে মজেছেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা শীর্ষে উঠেও আর্জেন্টিনার সামনে ৩২ বছরের ‘অপয়া’ অভিশাপের শঙ্কা আর্জেন্টিনা জিতলে বিয়ে, এবার যা বললেন চিত্রনায়িকা পরীমনি আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল: বিশ্বজয়ের মহালড়াইয়ের আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সোমবার শরিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তারেক রহমান ট্রাম্পের উপস্থিতিতে বিশ্বকাপ ফাইনালে নজিরবিহীন নিরাপত্তা, ঢোকা নিয়ে সংশয় ইরানের দারখোভিন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ সংস্কারের দায়িত্ব নিজেদেরই নিতে হবে: ঝালকাঠিতে হাসনাত আবদুল্লাহ

নেতৃত্বে বাংলাদেশ না থাকলে তিনি কিসের নেতা, প্রশ্ন রিজভীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী প্রশ্ন তুলেছেন যে, কারো নেতৃত্বে এবং তার হৃদয়ের মধ্যে যদি বাংলাদেশ না থাকে, তবে তিনি কিসের নেতা। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, গত ১৭ বছর ধরে আমরা দেখেছি দেশে দেশের মধ্যে দেশ এবং ঘরের মধ্যে ঘর তৈরি করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় আমরা অনেক মেধাবী মানুষকে হারিয়েছি। অনেকে বিদেশ গিয়ে আর ফিরে আসেননি, আবার অনেকে আজীবনের জন্য বঞ্চিত হয়েছেন, যার ফলে তারা নিজের বিকাশ ঘটিয়ে জাতিকে সেবা করার সুযোগ হারিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে এগিয়ে দেওয়া আর কাউকে অবমূল্যায়ন করা মানেই হলো বাংলাদেশের মানুষের ক্ষতি করা এবং মানবতার ওপর আঘাত করা। ছাত্রজীবনে অন্য দল বা ছাত্রদল করার কারণে অনেক মেধাবী ছাত্রের প্রমোশন হয়নি, এমনকি চাকরিও মেলেনি। দিনের পর দিন তাদের বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ফেলে রাখা হয়েছে। ভালো ডাক্তার বা নিবেদিতপ্রাণ রোগীদের সেবায় নিয়োজিতদের যোগ্যতাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে, যার ফলে দেশে 'ব্রেন গেইন' তো হচ্ছেই না, বরং মেধার অপচয় করে দেশের সর্বনাশ করা হয়েছে।

রিজভী বলেন, বিগত ১৭ বছরে এমনও হয়েছে যে, পরিবারের কেউ অন্য দল করে—এই কারণে কারও প্রমোশন আটকে দেওয়া হয়েছে। এখানে আমাদের যারা আছেন, যেমন ডা. রফিক, ডা. লোহানী, ডা. জাহাঙ্গীর ও ডা. শাকিলসহ যাদেরকে আমি চিনি, তাদের অনেকেরই পাবলিকেশন আছে। প্রমোশন পাওয়ার জন্য যে সাপোর্ট ও কোয়ালিটি দরকার—কোয়ালিফাই করার জন্য যা যা প্রয়োজন, সবকিছুই তাদের আছে। কিন্তু তাদের প্রমোশন দেয়া হয়নি, তারা মেডিকেল অফিসার হিসেবেই থেকে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, যদি ৫ই আগস্টের পরিবর্তন না হতো, তাহলে এরা কেউ অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর বা প্রফেসর হতে পারতেন না, তাদের সেই পরিচয়টাই আসত না। তাহলে তাদের মতো ভালো ডাক্তার, প্রফেসর বা অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর হওয়ার জন্য যে পড়াশোনা ও রিসার্চ করেছেন, তার তো কোনো মূল্য থাকল না। এইভাবে বিভিন্ন সেক্টরের মতো এই সেক্টরটাকেও—যারা সরাসরি মানুষকে নিয়ে কাজ করে, মানুষের বাঁচা-মরা নিয়ে কাজ করে—নষ্ট করা হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

নেতৃত্বে বাংলাদেশ না থাকলে তিনি কিসের নেতা, প্রশ্ন রিজভীর

আপডেট সময় : ০৭:৫১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
print news

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী প্রশ্ন তুলেছেন যে, কারো নেতৃত্বে এবং তার হৃদয়ের মধ্যে যদি বাংলাদেশ না থাকে, তবে তিনি কিসের নেতা। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, গত ১৭ বছর ধরে আমরা দেখেছি দেশে দেশের মধ্যে দেশ এবং ঘরের মধ্যে ঘর তৈরি করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় আমরা অনেক মেধাবী মানুষকে হারিয়েছি। অনেকে বিদেশ গিয়ে আর ফিরে আসেননি, আবার অনেকে আজীবনের জন্য বঞ্চিত হয়েছেন, যার ফলে তারা নিজের বিকাশ ঘটিয়ে জাতিকে সেবা করার সুযোগ হারিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে এগিয়ে দেওয়া আর কাউকে অবমূল্যায়ন করা মানেই হলো বাংলাদেশের মানুষের ক্ষতি করা এবং মানবতার ওপর আঘাত করা। ছাত্রজীবনে অন্য দল বা ছাত্রদল করার কারণে অনেক মেধাবী ছাত্রের প্রমোশন হয়নি, এমনকি চাকরিও মেলেনি। দিনের পর দিন তাদের বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ফেলে রাখা হয়েছে। ভালো ডাক্তার বা নিবেদিতপ্রাণ রোগীদের সেবায় নিয়োজিতদের যোগ্যতাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে, যার ফলে দেশে 'ব্রেন গেইন' তো হচ্ছেই না, বরং মেধার অপচয় করে দেশের সর্বনাশ করা হয়েছে।

রিজভী বলেন, বিগত ১৭ বছরে এমনও হয়েছে যে, পরিবারের কেউ অন্য দল করে—এই কারণে কারও প্রমোশন আটকে দেওয়া হয়েছে। এখানে আমাদের যারা আছেন, যেমন ডা. রফিক, ডা. লোহানী, ডা. জাহাঙ্গীর ও ডা. শাকিলসহ যাদেরকে আমি চিনি, তাদের অনেকেরই পাবলিকেশন আছে। প্রমোশন পাওয়ার জন্য যে সাপোর্ট ও কোয়ালিটি দরকার—কোয়ালিফাই করার জন্য যা যা প্রয়োজন, সবকিছুই তাদের আছে। কিন্তু তাদের প্রমোশন দেয়া হয়নি, তারা মেডিকেল অফিসার হিসেবেই থেকে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, যদি ৫ই আগস্টের পরিবর্তন না হতো, তাহলে এরা কেউ অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর বা প্রফেসর হতে পারতেন না, তাদের সেই পরিচয়টাই আসত না। তাহলে তাদের মতো ভালো ডাক্তার, প্রফেসর বা অ্যাসিস্টেন্ট প্রফেসর হওয়ার জন্য যে পড়াশোনা ও রিসার্চ করেছেন, তার তো কোনো মূল্য থাকল না। এইভাবে বিভিন্ন সেক্টরের মতো এই সেক্টরটাকেও—যারা সরাসরি মানুষকে নিয়ে কাজ করে, মানুষের বাঁচা-মরা নিয়ে কাজ করে—নষ্ট করা হয়েছে।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin