চুয়াডাঙ্গায় প্রথমবার ভ্যানিলা চাষে সফল হুমায়ুন কবীর
- আপডেট সময় : ০৯:২৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর কলোনিপাড়ায় প্রথমবারের মতো ‘ভ্যানিলা’ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন চাষি হুমায়ুন কবীর ফরাজী। দীর্ঘ চার বছরের নিবিড় পরিচর্যার পর তার বাগানের গাছে এবার ফুল থেকে ফল ধরেছে। নিজের এই খামারের নাম তিনি দিয়েছেন ‘নিউ কামাল এগ্রো’।
চুয়াডাঙ্গা জেলা শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বেগমপুর কলোনিপাড়া গ্রাম। এই গ্রামের রাস্তার পাশেই গড়ে উঠেছে হুমায়ুনের ‘নিউ কামাল এগ্রো’ খামার। খামারের একপাশে রয়েছে ডেইরি ফার্ম এবং অন্যপাশে দুম্বা, ছাগল ও ভেড়ার খামার। এর ঠিক সামনেই ১০ কাঠা জায়গা নেট দিয়ে ঘিরে তৈরি করা হয়েছে ভ্যানিলা বাগান। নেটের ভেতরে ৬০০ থেকে ৭০০টি পিলারে লতায়-পাতায় জড়িয়ে ঝুলে আছে ভ্যানিলা গাছ। এসব গাছের আগার দিকে ঝুলে থাকা প্রতিটি ভ্যানিলা ফল প্রায় ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি লম্বা।
হুমায়ুন কবীর জানান, কর্মজীবনে তিনি দীর্ঘদিন ঢাকার কারওয়ান বাজারে আমসহ বিভিন্ন ধরনের ফলের ব্যবসা করেছেন। তার বাবার ‘কুষ্টিয়া ভান্ডার’ নামে একটি ফলের আড়ত রয়েছে। বাবার সেই ব্যবসা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রায় ২০ বছর আগে তিনি নিজে আধুনিক ফল চাষের সিদ্ধান্ত নেন। ২০২২ সালে তিনি ভ্যানিলার চারা সংগ্রহ করেন। ইউটিউব এবং ভ্যানিলা প্রজেক্টের বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি তিনি পার্শ্ববর্তী দেশে গিয়ে এই চারাগুলো সরাসরি দেখেন এবং রোপণ পদ্ধতি জেনে আসেন। সেখান থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েই ২০২২ সালে ১০ কাঠা জমিতে তিনি এই চারাগুলো রোপণ করেছিলেন।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার জানান, সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়নের কলোনিপাড়ায় হুমায়ুন কবির ফরাজী সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে ১০ কাঠা জমিতে ভ্যানিলা চাষ করেছেন। দীর্ঘ চার বছর পর এবার গাছগুলোতে ফুল ও ফল এসেছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে বাগান থেকে সব ফল সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।



























