ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে এএসআইসহ চারজন আটক ফোনে ‘নামতেছি’ বলে নিখোঁজ কাজল, স্বামীও আত্মগোপনে জন্মদিনে শুটিংয়ে ব্যস্ত অভিনেত্রী হিমি সব নাগরিককে সমান সুযোগ দিতে কাজ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী সিইসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ভারত, রাষ্ট্রপতির মুখোমুখি বিরোধীরা বিদেশ যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দরে আটকে গেলেন মাহদী হাসান ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডাকঘরে সৌদি আরবের পার্সেল থেকে ১০ কেজি মালামাল উধাও বিমানবন্দরে হয়রানির অভিযোগ: তিন নারীর জবানবন্দি নিল তদন্ত কমিটি শিশুর অধিকার রক্ষা ও সুস্থ শৈশব নিশ্চিত করার তাগিদ বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়াতে চায় লিথুয়ানিয়া, এফবিসিসিআইয়ে বৈঠক

জ্বালানি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাক্ষাৎকালে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার দেশটির গভর্নর জেনারেল স্যাম মস্টিন এসি’র পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অভিবাদন জানান এবং আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাপত্র প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আলোচনার একপর্যায়ে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণের ওপর জোর দিয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানির সুযোগ তৈরির প্রস্তাব দেন।

অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা কৌশল, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় অনুষ্ঠেয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক ও টিআইএফএ বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল ও অন্যান্য কারিগরি খাতে বাংলাদেশি পেশাজীবীদের অভিবাসনের সুযোগকে তিনি স্বাগত জানান।

কারিগরি প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন (টিএএফই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর (টিটিসি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বৃত্তি ও একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচি এবং ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার ক্যাম্পাস স্থাপনের বিষয়েও তিনি সহযোগিতা কামনা করেন।

রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটে অস্ট্রেলিয়ার মানবিক সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং টেকসই সমাধানে দেশটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন। হাইকমিশনার অস্ট্রেলীয় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ইতিবাচক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশে ব্যাংকিং সংস্কারের প্রশংসা করে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পবকে উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি ও বিনিয়োগে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় : ০৫:০৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাক্ষাৎকালে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার দেশটির গভর্নর জেনারেল স্যাম মস্টিন এসি’র পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অভিবাদন জানান এবং আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছাপত্র প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আলোচনার একপর্যায়ে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণের ওপর জোর দিয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি আমদানির সুযোগ তৈরির প্রস্তাব দেন।

অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি অনুসন্ধান, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা কৌশল, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় অনুষ্ঠেয় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক ও টিআইএফএ বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল ও অন্যান্য কারিগরি খাতে বাংলাদেশি পেশাজীবীদের অভিবাসনের সুযোগকে তিনি স্বাগত জানান।

কারিগরি প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার টেকনিক্যাল অ্যান্ড ফার্দার এডুকেশন (টিএএফই) প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর (টিটিসি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বৃত্তি ও একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচি এবং ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার ক্যাম্পাস স্থাপনের বিষয়েও তিনি সহযোগিতা কামনা করেন।

রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটে অস্ট্রেলিয়ার মানবিক সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং টেকসই সমাধানে দেশটির সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন। হাইকমিশনার অস্ট্রেলীয় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ইতিবাচক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশে ব্যাংকিং সংস্কারের প্রশংসা করে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ডেপুটি হাইকমিশনার ক্লিনটন পবকে উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh