ঢাকা ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সব নাগরিককে সমান সুযোগ দিতে কাজ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী সিইসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ভারত, রাষ্ট্রপতির মুখোমুখি বিরোধীরা বিদেশ যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দরে আটকে গেলেন মাহদী হাসান ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডাকঘরে সৌদি আরবের পার্সেল থেকে ১০ কেজি মালামাল উধাও বিমানবন্দরে হয়রানির অভিযোগ: তিন নারীর জবানবন্দি নিল তদন্ত কমিটি শিশুর অধিকার রক্ষা ও সুস্থ শৈশব নিশ্চিত করার তাগিদ বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়াতে চায় লিথুয়ানিয়া, এফবিসিসিআইয়ে বৈঠক মব সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক দখলদারত্ব কি এখন স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হচ্ছে? বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা দেশ থেকে বিদায় নিচ্ছে মৌসুমি বায়ু, শনিবারের পর কমবে বৃষ্টি

চরফ্যাশনে ৩৫ হাজার জেলের মাঝে ৮৯১ টন চাল বিতরণ শুরু

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জীবিকা সংকটে পড়া জেলেদের মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে ভোলার চরফ্যাশনে চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিশেষ ভিজিএফ (ভিজিটিং গ্র্যান্ট ফর ফুড) কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩৫ হাজার ৬৫৬ জন প্রান্তিক জেলে ও মাঝি-মাল্লার জন্য জনপ্রতি ২৫ কেজি করে মোট ৮৯১ দশমিক ৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় চরফ্যাশন উপজেলার জিন্নাগড় ইউনিয়নে আনুষ্ঠানিকভাবে এই খাদ্যসহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ। কার্যক্রমের প্রথম দিনে নিবন্ধিত জেলেদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও জেলে কার্ড যাচাই-বাছাই করে চাল বিতরণ করা হয়। এ সময় উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা ও জিন্নাগড় ইউনিয়ন প্রশাসক জয়ন্ত কুমার অপু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়ালিউল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও ক্রয়-বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নিরাপদ পরিবেশ তৈরি ও জাতীয় ইলিশ উৎপাদন বাড়ানোই এই সাময়িক নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য।

চাল সহায়তা পাওয়া স্থানীয় জেলে হারুন মোল্লা জানান, দীর্ঘদিন নদীতে ইলিশের দেখা না মিললেও মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নির্দেশনা মেনে তারা নদী থেকে দূরে থাকছেন। নিষেধাজ্ঞার এই দিনগুলো নৌকা ও জাল মেরামতের কাজে ব্যয় করছেন জেলেরা। সরকারের এই খাদ্যসহায়তা সংকটকালে তাদের কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।

উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জেলেরা যেন খাদ্যসংকটে না পড়েন, সে কারণেই সরকারিভাবে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আইন অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে নেমে প্রজনন প্রক্রিয়া বিঘ্নিত না করে, সে বিষয়ে নিয়মিত তদারকি ও সচেতনতামূলক অভিযান চালানো হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, তালিকাভুক্ত সকল জেলের কাছে স্বচ্ছতার সঙ্গে বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল পৌঁছে দিতে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। মা ইলিশ সুরক্ষায় সরকারি বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তা ও মৎস্য বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা, জেলেদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রজনন মৌসুম সফল হলে আগামীতে নদীতে ইলিশের উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

চরফ্যাশনে ৩৫ হাজার জেলের মাঝে ৮৯১ টন চাল বিতরণ শুরু

আপডেট সময় : ০১:৪৫:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ঘোষিত ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জীবিকা সংকটে পড়া জেলেদের মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে ভোলার চরফ্যাশনে চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিশেষ ভিজিএফ (ভিজিটিং গ্র্যান্ট ফর ফুড) কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩৫ হাজার ৬৫৬ জন প্রান্তিক জেলে ও মাঝি-মাল্লার জন্য জনপ্রতি ২৫ কেজি করে মোট ৮৯১ দশমিক ৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় চরফ্যাশন উপজেলার জিন্নাগড় ইউনিয়নে আনুষ্ঠানিকভাবে এই খাদ্যসহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ। কার্যক্রমের প্রথম দিনে নিবন্ধিত জেলেদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও জেলে কার্ড যাচাই-বাছাই করে চাল বিতরণ করা হয়। এ সময় উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা ও জিন্নাগড় ইউনিয়ন প্রশাসক জয়ন্ত কুমার অপু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হুদা এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়ালিউল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও ক্রয়-বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশের নিরাপদ পরিবেশ তৈরি ও জাতীয় ইলিশ উৎপাদন বাড়ানোই এই সাময়িক নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য।

চাল সহায়তা পাওয়া স্থানীয় জেলে হারুন মোল্লা জানান, দীর্ঘদিন নদীতে ইলিশের দেখা না মিললেও মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নির্দেশনা মেনে তারা নদী থেকে দূরে থাকছেন। নিষেধাজ্ঞার এই দিনগুলো নৌকা ও জাল মেরামতের কাজে ব্যয় করছেন জেলেরা। সরকারের এই খাদ্যসহায়তা সংকটকালে তাদের কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।

উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে জেলেরা যেন খাদ্যসংকটে না পড়েন, সে কারণেই সরকারিভাবে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। আইন অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে নেমে প্রজনন প্রক্রিয়া বিঘ্নিত না করে, সে বিষয়ে নিয়মিত তদারকি ও সচেতনতামূলক অভিযান চালানো হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, তালিকাভুক্ত সকল জেলের কাছে স্বচ্ছতার সঙ্গে বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল পৌঁছে দিতে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। মা ইলিশ সুরক্ষায় সরকারি বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তা ও মৎস্য বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশা, জেলেদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রজনন মৌসুম সফল হলে আগামীতে নদীতে ইলিশের উৎপাদন বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh