ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাব আল-মান্দেব পুনর্দখলে ইয়েমেনি বাহিনীর বড় ধরনের অভিযান শুরু বাংলাদেশ-আফগানিস্তান টেস্টের সঙ্গে থাকছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের জমজমাট লড়াই পানামায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, ধসে পড়েছে বহু ভবন ৮ হাজার লবণচাষি মাঠে নামার অপেক্ষায়, শঙ্কায় ন্যায্যমূল্য ইরান যুদ্ধের খেসারত দিচ্ছে জনগণ, ট্রাম্পকে দুষলেন ডেমোক্র্যাটরা চাপ অব্যাহত থাকলে মোদি সরকারের পতন নিশ্চিত: রাহুল গান্ধী ১১ বছর ধরে বন্ধ এমআরআই, দিনাজপুর মেডিকেলে ব্যাহত চিকিৎসাসেবা ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন নাভি পিলাই শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের জন্য বিগত সরকারকে দায়ী করলেন রিজভী মাদারগঞ্জে আরও দুটি কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে বাপেক্স

বিদেশ যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দরে আটকে গেলেন মাহদী হাসান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মাহদী হাসানকে বিদেশ যাওয়ার সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে দিয়েছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে দেশত্যাগে বাধা দেওয়া হয়। মূলত একটি ফৌজদারি মামলায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাকে বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ইতিহাদ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে (ইওয়াই-৩৮৩) চড়ে আবুধাবি হয়ে জ্যামাইকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা ছিল মাহদীর। তবে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে তার পাসপোর্ট পরীক্ষা করার সময় সিস্টেমে তার নাম ‘স্টপ-লিস্টেড’ বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় দেখায়। এরপর তাকে ইমিগ্রেশন প্রসিকিউশন অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।

ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা একটি মামলায় (জিআর-১/২০২৬) অভিযুক্ত থাকায় তার বিরুদ্ধে এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। এর আগেও বিভিন্ন ঘটনায় মাহদী হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে এসেছিলেন। গত আগস্টে অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ কর্মসূচি করার জেরে হবিগঞ্জের কোর্ট মসজিদ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়েছিল, পরে ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকা দিয়ে তিনি ছাড়া পান। এছাড়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরেও তিনি ইমিগ্রেশন পুলিশের হেফাজতে পড়েছিলেন বলে খবর রয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় দায়িত্বরত পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মাহদী হাসান ব্যাপক আলোচনায় আসেন। ওই ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম।”

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতাকে আটকের পর ছাড়িয়ে নিতে মাহদীসহ আন্দোলনকারী বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী থানায় গিয়েছিলেন। সেখানে পুলিশের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। ওই ঘটনার পরদিন ৩ জানুয়ারি সরকারি কাজে বাধা ও হুমকির অভিযোগে মামলা দিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে পরদিনই আদালত থেকে জামিন পান তিনি। পরবর্তীতে ওই বিতর্কিত মন্তব্য প্রসঙ্গে মাহদী দাবি করেছিলেন, উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে অসাবধানতাবশত কথাটি তার মুখ থেকে বের হয়ে গিয়েছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশ যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দরে আটকে গেলেন মাহদী হাসান

আপডেট সময় : ০২:২৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মাহদী হাসানকে বিদেশ যাওয়ার সময় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে দিয়েছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে দেশত্যাগে বাধা দেওয়া হয়। মূলত একটি ফৌজদারি মামলায় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাকে বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে ইতিহাদ এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে (ইওয়াই-৩৮৩) চড়ে আবুধাবি হয়ে জ্যামাইকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা ছিল মাহদীর। তবে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে তার পাসপোর্ট পরীক্ষা করার সময় সিস্টেমে তার নাম ‘স্টপ-লিস্টেড’ বা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় দেখায়। এরপর তাকে ইমিগ্রেশন প্রসিকিউশন অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়।

ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা একটি মামলায় (জিআর-১/২০২৬) অভিযুক্ত থাকায় তার বিরুদ্ধে এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। এর আগেও বিভিন্ন ঘটনায় মাহদী হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে এসেছিলেন। গত আগস্টে অনুমতি ছাড়া বিক্ষোভ কর্মসূচি করার জেরে হবিগঞ্জের কোর্ট মসজিদ এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়েছিল, পরে ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকা দিয়ে তিনি ছাড়া পান। এছাড়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরেও তিনি ইমিগ্রেশন পুলিশের হেফাজতে পড়েছিলেন বলে খবর রয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় দায়িত্বরত পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মাহদী হাসান ব্যাপক আলোচনায় আসেন। ওই ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম।”

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতাকে আটকের পর ছাড়িয়ে নিতে মাহদীসহ আন্দোলনকারী বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী থানায় গিয়েছিলেন। সেখানে পুলিশের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। ওই ঘটনার পরদিন ৩ জানুয়ারি সরকারি কাজে বাধা ও হুমকির অভিযোগে মামলা দিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে পরদিনই আদালত থেকে জামিন পান তিনি। পরবর্তীতে ওই বিতর্কিত মন্তব্য প্রসঙ্গে মাহদী দাবি করেছিলেন, উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে অসাবধানতাবশত কথাটি তার মুখ থেকে বের হয়ে গিয়েছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh