ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাং দমনে ৫ দিনের অভিযানে আটক প্রায় ৫০০ ১৫ বছরের চুক্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে এএসআইসহ চারজন আটক ফোনে ‘নামতেছি’ বলে নিখোঁজ কাজল, স্বামীও আত্মগোপনে জন্মদিনে শুটিংয়ে ব্যস্ত অভিনেত্রী হিমি সব নাগরিককে সমান সুযোগ দিতে কাজ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী সিইসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল ভারত, রাষ্ট্রপতির মুখোমুখি বিরোধীরা বিদেশ যাওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দরে আটকে গেলেন মাহদী হাসান ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডাকঘরে সৌদি আরবের পার্সেল থেকে ১০ কেজি মালামাল উধাও বিমানবন্দরে হয়রানির অভিযোগ: তিন নারীর জবানবন্দি নিল তদন্ত কমিটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডাকঘরে সৌদি আরবের পার্সেল থেকে ১০ কেজি মালামাল উধাও

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২১:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সৌদি আরব থেকে পাঠানো প্রায় ৩০ কেজি ওজনের একটি পার্সেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান ডাকঘরে এসে সাড়ে ১৯ কেজির কিছু বেশি হয়ে গেছে। ডাক বিভাগের মাধ্যমে আসা এই পার্সেলটি ওজনে কম দেখে গ্রহণে আপত্তি করায় প্রাপকের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গ্রাহক ক্ষতিপূরণ দাবি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের পশ্চিম পাইকপাড়ার বাসিন্দা মো. আতিকুর রহমানের নামে সৌদি আরব থেকে খেজুর, লোসন, ক্রিম, সাবান, চকলেট ও জুতাভর্তি একটি কার্টন পার্সেল হিসেবে পাঠানো হয়। গত ৪ঠা অক্টোবর পার্সেলটি গ্রহণের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া পোস্ট অফিস থেকে তাকে ফোন করা হয়। পরদিন ৫ই অক্টোবর তিনি পার্সেলটি নিতে ডাকঘরে যান এবং কার্টনটির দুই পাশে ছেঁড়া অবস্থায় দেখতে পান।

প্রেরিত পার্সেলের বক্সের ওপরে ওজন ২৯.৯০ কেজি লেখা থাকলেও সেখানে মেপে পাওয়া যায় ১৯.৭০ কেজি। অর্থাৎ প্রায় ১০.২০ কেজি মালামাল উধাও হয়ে গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পোস্টমাস্টার তাকে জানান, পার্সেলটি তারা ছেঁড়া অবস্থাতেই গ্রহণ করেছেন এবং এতে তাদের কিছু করার নেই। পার্সেলটি যদি ছেঁড়া অবস্থাতেই এসে থাকে, তবে কেন প্রাপককে তা নিতে বলা হলো এবং কেন অফিশিয়ালি নোট রাখা বা ঊর্ধ্বতন authority-কে জানানো হলো না—এমন প্রশ্নের জবাবে পোস্টমাস্টার দাবি করেন যে তিনি অফিশিয়ালি নোট রেখেছেন। তবে প্রাপক সেই নোটের কপি চাইলে তাকে দুই ঘণ্টা পর আসার জন্য বলা হয়। একই সময়ে তাকে ৭,৯৮৮ টাকা পরিশোধ করে পার্সেলটি বুঝে নিতে বলা হয়।

আতিকুর রহমান ডাক কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করে পার্সেলটি খোলেন। ভেতরে গিয়ে তিনি দেখেন, সব প্যাকেট খোলা অবস্থায় রয়েছে এবং খেজুর, লোসন, ক্রিম, সাবান ও চকলেটের পরিমাণ অনেক কম। আতিকুর রহমানের অভিযোগ, মালামাল কম থাকার বিষয়ে আপত্তি জানাতে গেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার জিনাত রেহেনা তার সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করেন এবং বলেন, "পার্সেল এভাবেই আসে।" এমনকি তিনি লিখিত অভিযোগ নিতে গড়িমসি করেন এবং রিসিভ কপিতে সিল দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে বাড়ি ফিরে আসার পর পোস্ট অফিস থেকে একজন ব্যক্তি ফোন করে তাকে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য সতর্কবার্তা দেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার জিনাত রেহেনা বলেন, তাদের অফিসের কেউ এই প্যাকেট খোলেনি। মালামালগুলো চট্টগ্রাম থেকে তাদের ডাকঘরে এসেছে। তিনি ইতিমধ্যে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন বলে দাবি করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডাকঘরে সৌদি আরবের পার্সেল থেকে ১০ কেজি মালামাল উধাও

আপডেট সময় : ০২:২১:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরব থেকে পাঠানো প্রায় ৩০ কেজি ওজনের একটি পার্সেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান ডাকঘরে এসে সাড়ে ১৯ কেজির কিছু বেশি হয়ে গেছে। ডাক বিভাগের মাধ্যমে আসা এই পার্সেলটি ওজনে কম দেখে গ্রহণে আপত্তি করায় প্রাপকের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গ্রাহক ক্ষতিপূরণ দাবি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের পশ্চিম পাইকপাড়ার বাসিন্দা মো. আতিকুর রহমানের নামে সৌদি আরব থেকে খেজুর, লোসন, ক্রিম, সাবান, চকলেট ও জুতাভর্তি একটি কার্টন পার্সেল হিসেবে পাঠানো হয়। গত ৪ঠা অক্টোবর পার্সেলটি গ্রহণের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া পোস্ট অফিস থেকে তাকে ফোন করা হয়। পরদিন ৫ই অক্টোবর তিনি পার্সেলটি নিতে ডাকঘরে যান এবং কার্টনটির দুই পাশে ছেঁড়া অবস্থায় দেখতে পান।

প্রেরিত পার্সেলের বক্সের ওপরে ওজন ২৯.৯০ কেজি লেখা থাকলেও সেখানে মেপে পাওয়া যায় ১৯.৭০ কেজি। অর্থাৎ প্রায় ১০.২০ কেজি মালামাল উধাও হয়ে গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পোস্টমাস্টার তাকে জানান, পার্সেলটি তারা ছেঁড়া অবস্থাতেই গ্রহণ করেছেন এবং এতে তাদের কিছু করার নেই। পার্সেলটি যদি ছেঁড়া অবস্থাতেই এসে থাকে, তবে কেন প্রাপককে তা নিতে বলা হলো এবং কেন অফিশিয়ালি নোট রাখা বা ঊর্ধ্বতন authority-কে জানানো হলো না—এমন প্রশ্নের জবাবে পোস্টমাস্টার দাবি করেন যে তিনি অফিশিয়ালি নোট রেখেছেন। তবে প্রাপক সেই নোটের কপি চাইলে তাকে দুই ঘণ্টা পর আসার জন্য বলা হয়। একই সময়ে তাকে ৭,৯৮৮ টাকা পরিশোধ করে পার্সেলটি বুঝে নিতে বলা হয়।

আতিকুর রহমান ডাক কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করে পার্সেলটি খোলেন। ভেতরে গিয়ে তিনি দেখেন, সব প্যাকেট খোলা অবস্থায় রয়েছে এবং খেজুর, লোসন, ক্রিম, সাবান ও চকলেটের পরিমাণ অনেক কম। আতিকুর রহমানের অভিযোগ, মালামাল কম থাকার বিষয়ে আপত্তি জানাতে গেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার জিনাত রেহেনা তার সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করেন এবং বলেন, "পার্সেল এভাবেই আসে।" এমনকি তিনি লিখিত অভিযোগ নিতে গড়িমসি করেন এবং রিসিভ কপিতে সিল দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরবর্তীতে বাড়ি ফিরে আসার পর পোস্ট অফিস থেকে একজন ব্যক্তি ফোন করে তাকে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য সতর্কবার্তা দেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রধান ডাকঘরের পোস্টমাস্টার জিনাত রেহেনা বলেন, তাদের অফিসের কেউ এই প্যাকেট খোলেনি। মালামালগুলো চট্টগ্রাম থেকে তাদের ডাকঘরে এসেছে। তিনি ইতিমধ্যে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন বলে দাবি করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin