ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বর নিয়েই শুটিংয়ে অবিকা, শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি কে হচ্ছেন দেশের ২৩তম প্রেসিডেন্ট, সিদ্ধান্ত কেবল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সিরাজুল ইসলাম আপসহীন ছিলেন: মির্জা ফখরুল বুদ্ধিজীবী ও স্বৈরাচারের সখ্য: ক্ষমতার মোহে সততার বিসর্জন জামায়াতের প্রদর্শনীতে মুজিব আছে কিন্তু জিয়া নেই, ব্যাখ্যায় বিতর্ক সাভারে বিএনপি নেতাকে কাফনের কাপড় ও গুলি পাঠিয়ে হত্যার হুমকি গাজীপুরে ১১ লাখ টাকার বিদেশি মদসহ আটক ২ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মানবিকতার সঙ্গে সেবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল পেমেন্টে জালনোটের ঝুঁকি কমবে, সাশ্রয় হবে অর্থ: গভর্নর সিএমএসএমই খাতে ঋণপ্রবাহে বড় ধস, বিপাকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সিরাজুল ইসলাম আপসহীন ছিলেন: মির্জা ফখরুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

প্রয়াত কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূত এম সিরাজুল ইসলামকে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে এক আপসহীন এবং সাহসী কণ্ঠস্বর হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সিরাজুল ইসলামের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রচিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতেই ছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি অটল অবস্থান।

শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত দ্বিতীয় বার্ষিক ‘বাংলাদেশ এমপাওয়ার্ড কনফারেন্স’-এ প্রয়াত এই রাষ্ট্রদূতের লেখা সংকলন ‘রিক্লেইমিং বাংলাদেশ: ডেমোক্রেসি, গভর্ন্যান্স অ্যান্ড নেশন বিল্ডিং’ বইটির মোড়ক উন্মোচনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) প্রকাশিত এই বইটির প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে পড়াশোনা ও একই হলে কাটানো দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে মন্ত্রী বলেন, সিরাজুল ইসলাম ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। নিজের বিশ্বাস ও মতামত তুলে ধরতে তিনি কখনো কোনো ভয় বা দ্বিধাদ্বন্দ্বের কাছে মাথা নত করেননি। তার প্রতিটি লেখায় গণতন্ত্রে ফেরার তীব্র আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত সাহসিকতা ও স্পষ্টতার সাথে ফুটে উঠেছে।

দেশের একটি কঠিন রাজনৈতিক সংকটের সময়ের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল জানান, তিনি নিজে যখন অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাদের সাথে কারাবন্দী ছিলেন, তখন সিরাজুল ইসলাম অত্যন্ত সাহসের সাথে বিদেশী দূতাবাসগুলোর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেছিলেন। একই সাথে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জনগণের সংগ্রামের কথা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সফলভাবে তুলে ধরার গুরুদায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, বইটিতে সংকলিত রাষ্ট্রচিন্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক প্রবন্ধগুলো তরুণ প্রজন্ম এবং গবেষকদের জন্য একটি মূল্যবান দলিল হিসেবে কাজ করবে। এই সংকলনে সিরাজুল ইসলামের গণতন্ত্র, সুশাসন, রাষ্ট্র গঠন এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লেখা স্থান পেয়েছে, যা বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

‘বাংলাদেশ এমপাওয়ার্ড, ইনক’ এবং ‘দ্য ঢাকা ফোরাম’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে স্কলারশিপ প্রদান এবং একটি বিশেষ একাডেমিক প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার, সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সিরাজুল ইসলাম আপসহীন ছিলেন: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ১২:৫৪:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
print news

প্রয়াত কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূত এম সিরাজুল ইসলামকে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে এক আপসহীন এবং সাহসী কণ্ঠস্বর হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সিরাজুল ইসলামের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রচিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতেই ছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি অটল অবস্থান।

শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত দ্বিতীয় বার্ষিক ‘বাংলাদেশ এমপাওয়ার্ড কনফারেন্স’-এ প্রয়াত এই রাষ্ট্রদূতের লেখা সংকলন ‘রিক্লেইমিং বাংলাদেশ: ডেমোক্রেসি, গভর্ন্যান্স অ্যান্ড নেশন বিল্ডিং’ বইটির মোড়ক উন্মোচনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল) প্রকাশিত এই বইটির প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে পড়াশোনা ও একই হলে কাটানো দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে মন্ত্রী বলেন, সিরাজুল ইসলাম ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। নিজের বিশ্বাস ও মতামত তুলে ধরতে তিনি কখনো কোনো ভয় বা দ্বিধাদ্বন্দ্বের কাছে মাথা নত করেননি। তার প্রতিটি লেখায় গণতন্ত্রে ফেরার তীব্র আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত সাহসিকতা ও স্পষ্টতার সাথে ফুটে উঠেছে।

দেশের একটি কঠিন রাজনৈতিক সংকটের সময়ের কথা স্মরণ করে মির্জা ফখরুল জানান, তিনি নিজে যখন অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাদের সাথে কারাবন্দী ছিলেন, তখন সিরাজুল ইসলাম অত্যন্ত সাহসের সাথে বিদেশী দূতাবাসগুলোর সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেছিলেন। একই সাথে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জনগণের সংগ্রামের কথা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সফলভাবে তুলে ধরার গুরুদায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, বইটিতে সংকলিত রাষ্ট্রচিন্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক প্রবন্ধগুলো তরুণ প্রজন্ম এবং গবেষকদের জন্য একটি মূল্যবান দলিল হিসেবে কাজ করবে। এই সংকলনে সিরাজুল ইসলামের গণতন্ত্র, সুশাসন, রাষ্ট্র গঠন এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ লেখা স্থান পেয়েছে, যা বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

‘বাংলাদেশ এমপাওয়ার্ড, ইনক’ এবং ‘দ্য ঢাকা ফোরাম’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে স্কলারশিপ প্রদান এবং একটি বিশেষ একাডেমিক প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার, সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin