ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনাকে ফেরানোর তৎপরতা: কুবির ১১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি ফিফা সভাপতির একচ্ছত্র ক্ষমতা নিয়ে বাড়ছে অস্বস্তি ও সমালোচনা ছাত্রদলের হামলার শিকার জকসুর স্বাস্থ্য সম্পাদক নুর মোহাম্মদ হাসিনার বক্তব্য ১০ মিনিটও শুনলেন না ৪৪ হাজার দর্শক কক্সবাজারে নানা কর্মসূচিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন সরকারি ছুটি অমান্য করে পিরোজপুরে ন্যাশনাল লাইফের অফিস কার্যক্রম দিল্লিতে হাসিনার সংবাদ সম্মেলন: ভারতের কাছে ঢাকার তীব্র প্রতিবাদ ইউক্রেন যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ইউনিট মোতায়েন করছে রাশিয়া বুয়েটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কায়রোর আল-আজহার শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ ও নীরব লড়াই

দিল্লিতে হাসিনার সংবাদ সম্মেলন: ভারতের কাছে ঢাকার তীব্র প্রতিবাদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনাকে সরাসরি সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, পলাতক ও আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যার আসামি হাসিনা এবং তার অনুসারীরা এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছেন।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে ভারত সরকারকে আগেভাগেই অবহিত করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হতে দেওয়ায় ঢাকা গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশ যখন জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন করছে, ঠিক সেই সময়ে ভারতের মাটিতে হাসিনার এই ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত এবং শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত জুলাই-আগস্ট ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদী শাসনামলের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তথ্য অস্বীকারের এই প্রচেষ্টা ইতিহাসের গতিপথ পাল্টানোর একটি ব্যর্থ প্রয়াস মাত্র। দেশের জনগণ অতীতেও এমন অপচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এখনো করছে। বাংলাদেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার যুগে ফিরে যাবে না এবং কোনো রাষ্ট্রের করদ রাজ্যে পরিণত হবে না বলে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেছে মন্ত্রণালয়। দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী হাসিনা ও তার অপরাধী চক্রের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর কোনো জায়গা নেই বলেও বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। তবে আক্ষেপের বিষয় হলো, ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও ভারত এখনো কোনো সাড়া দেয়নি। উল্টো তাকে গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে কথা বলার সুযোগ দেওয়া দুই দেশের সুসম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকর এবং বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতির ওপর আঘাত হিসেবে গণ্য করছে ঢাকা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

দিল্লিতে হাসিনার সংবাদ সম্মেলন: ভারতের কাছে ঢাকার তীব্র প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ১২:৩৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
print news

নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনাকে সরাসরি সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ দেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, পলাতক ও আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যার আসামি হাসিনা এবং তার অনুসারীরা এই আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছেন।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে ভারত সরকারকে আগেভাগেই অবহিত করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হতে দেওয়ায় ঢাকা গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, বাংলাদেশ যখন জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালন করছে, ঠিক সেই সময়ে ভারতের মাটিতে হাসিনার এই ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি আঘাত এবং শহীদদের প্রতি চরম অবমাননা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত জুলাই-আগস্ট ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদী শাসনামলের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তথ্য অস্বীকারের এই প্রচেষ্টা ইতিহাসের গতিপথ পাল্টানোর একটি ব্যর্থ প্রয়াস মাত্র। দেশের জনগণ অতীতেও এমন অপচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এখনো করছে। বাংলাদেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকার যুগে ফিরে যাবে না এবং কোনো রাষ্ট্রের করদ রাজ্যে পরিণত হবে না বলে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেছে মন্ত্রণালয়। দণ্ডপ্রাপ্ত গণহত্যাকারী হাসিনা ও তার অপরাধী চক্রের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর কোনো জায়গা নেই বলেও বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। তবে আক্ষেপের বিষয় হলো, ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও ভারত এখনো কোনো সাড়া দেয়নি। উল্টো তাকে গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে কথা বলার সুযোগ দেওয়া দুই দেশের সুসম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকর এবং বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতির ওপর আঘাত হিসেবে গণ্য করছে ঢাকা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor