ঢাকা ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পারমাণবিক হামলা হলে বিশ্বজুড়ে মার্কিন ঘাঁটি দখলের হুঁশিয়ারি ইরানের এলএনজি কার্গো নিয়ে বিতর্ক: ১০ বছরের সর্বনিম্নে দেশের গ্যাস সরবরাহ গুরুদাসপুরে ৪৭ লাখ টাকার ড্রেন নির্মাণে গাফিলতি, দুর্ভোগে শতাধিক পরিবার গণিত অলিম্পিয়াড বিজয়ীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ ঝিনাইদহে আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২ কাউনিয়ায় তিস্তা নদী রক্ষা বাঁধে ধস, ঝুঁকিতে জনবসতি আগস্টের ১২ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১৮ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা কুমিল্লায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি: আট মাসে ৯৩ হত্যাকাণ্ড ধীরগতির ট্রেন ও বেহাল সেবায় যাত্রীদুর্ভোগ চরমে চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, অন্যজনের যাবজ্জীবন

আগুনে পুড়ে ছাই ৮ দোকান ক্ষতি অর্ধ কোটি 

স্টাফ রিপোর্টার রংপুরঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩১৪ বার পড়া হয়েছে

আগুনে পুড়ে ছাই ৮ দোকান ক্ষতি অর্ধ কোটি 

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার রংপুরঃ

আজ (২০ সেপ্টেম্বর) শনিবার আনুমানিক ভোর সারে ৬ টায় সদর উপজেলার রোড বাজারে বৈদ্যুতিক তারের শর্ট-সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

প্রথমে আগুনের ফুলকি আর ধোয়া দেখতে পায় এক রিকশা চালক পরে ফায়ারসার্ভিসে কল দিলে ২ টি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুনে মুদিখানা দোকান, টেইলর্স, ইলেক্ট্রিক দোকান, জুতার দোকান, গোডাউন সহ মোট ৮টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দোকানিরা জানান, দুর্গাপূঁজা উপলক্ষে জুতার দোকানগুলোতে নতুন নতুন জুতার কালেকশন উঠিয়েছিলাম আমরা আগুনে পুড়ে সব শেষ। টেইলর্সেও নতুন জামা সেলাই করতে দিয়েছিলো অনেকে আগুনে পুরে সব ছাই হয়ে গেছে। মুদিখানা দোকানের চাল, ডাল, তেল, সাবান থেকে শুরু করে কিছুই নেই। গোডাউনে যা মাল ছিল তাও পুড়ে ছাই

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ১ জন রিকশাচালক বৈদ্যুতিক পিলারে আগুনের ফুলকি দেখতে পায় এবং দোকান গুলো থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখে ৯৯৯ এ কল দিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানায়। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই রোড বাজারে পানির রিজার্ভার না থাকার কারণে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের বেগ পেতে হয়েছিল অনেক দূরে নদী থেকে তাদের পানি এনে তারপর আগুন নেভাতে হয়েছে আমরা চাই এই বাজারে ১টি পানি রিজার্ভারে ব্যবস্থা করা হোক। এখানে অনেক দোকান রয়েছে ঘনবসতি এলাকা। এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স এর ইন্সপেক্টর মোজাম্মেল হক জানান, আমরা সকালে খবর পেয়ে সাথে সাথে আমাদের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছায়। আমরা এসে দেখি দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আমাদের গাড়িতে থাকা পানি দিয়েই আমরা আগুন নির্বাপন শুরু করি। যেহেতু ঘনবসতি এলাকা এবং পাকা-আধাপাকা অনেকগুলো দোকান পাশাপাশি এবং এই দোকানের পণ্যগুলো দ্রায্য পদার্থ হওয়ার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টাই আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সফল হই। তবে এখানে পানির রিজার্ভার না থাকার কারণে আমাদের বেগ পেতে হয়েছিল।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা বলেন, এই বাজারে কোন পানির রিজার্ভার নেই এবং আশপাশেও কোন পুকুর বা নদী নেই অনেক দূরে যার কারণে আগুন লাগলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা শীঘ্রই এই ঝুঁকিপূর্ণ বাজারগুলোতে পানির রিজার্ভারের ব্যবস্থা করব। এবং এই ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর তালিকা করে সরকারের তরফ থেকে সহযোগিতা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

আগুনে পুড়ে ছাই ৮ দোকান ক্ষতি অর্ধ কোটি 

আপডেট সময় : ০৫:৫৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার রংপুরঃ

আজ (২০ সেপ্টেম্বর) শনিবার আনুমানিক ভোর সারে ৬ টায় সদর উপজেলার রোড বাজারে বৈদ্যুতিক তারের শর্ট-সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

প্রথমে আগুনের ফুলকি আর ধোয়া দেখতে পায় এক রিকশা চালক পরে ফায়ারসার্ভিসে কল দিলে ২ টি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুনে মুদিখানা দোকান, টেইলর্স, ইলেক্ট্রিক দোকান, জুতার দোকান, গোডাউন সহ মোট ৮টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দোকানিরা জানান, দুর্গাপূঁজা উপলক্ষে জুতার দোকানগুলোতে নতুন নতুন জুতার কালেকশন উঠিয়েছিলাম আমরা আগুনে পুড়ে সব শেষ। টেইলর্সেও নতুন জামা সেলাই করতে দিয়েছিলো অনেকে আগুনে পুরে সব ছাই হয়ে গেছে। মুদিখানা দোকানের চাল, ডাল, তেল, সাবান থেকে শুরু করে কিছুই নেই। গোডাউনে যা মাল ছিল তাও পুড়ে ছাই

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ১ জন রিকশাচালক বৈদ্যুতিক পিলারে আগুনের ফুলকি দেখতে পায় এবং দোকান গুলো থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখে ৯৯৯ এ কল দিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানায়। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই রোড বাজারে পানির রিজার্ভার না থাকার কারণে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের বেগ পেতে হয়েছিল অনেক দূরে নদী থেকে তাদের পানি এনে তারপর আগুন নেভাতে হয়েছে আমরা চাই এই বাজারে ১টি পানি রিজার্ভারে ব্যবস্থা করা হোক। এখানে অনেক দোকান রয়েছে ঘনবসতি এলাকা। এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স এর ইন্সপেক্টর মোজাম্মেল হক জানান, আমরা সকালে খবর পেয়ে সাথে সাথে আমাদের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছায়। আমরা এসে দেখি দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। আমাদের গাড়িতে থাকা পানি দিয়েই আমরা আগুন নির্বাপন শুরু করি। যেহেতু ঘনবসতি এলাকা এবং পাকা-আধাপাকা অনেকগুলো দোকান পাশাপাশি এবং এই দোকানের পণ্যগুলো দ্রায্য পদার্থ হওয়ার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টাই আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সফল হই। তবে এখানে পানির রিজার্ভার না থাকার কারণে আমাদের বেগ পেতে হয়েছিল।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানা বলেন, এই বাজারে কোন পানির রিজার্ভার নেই এবং আশপাশেও কোন পুকুর বা নদী নেই অনেক দূরে যার কারণে আগুন লাগলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা শীঘ্রই এই ঝুঁকিপূর্ণ বাজারগুলোতে পানির রিজার্ভারের ব্যবস্থা করব। এবং এই ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর তালিকা করে সরকারের তরফ থেকে সহযোগিতা করা হবে।