ঢাকা ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রেশার্স ডে-নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় নতুন করে ভাবার আহ্বান গুতেরেসের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে সহযোগিতা বাড়াতে তারেক রহমান ও এরদোয়ানের বৈঠক চট্টগ্রামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা মিশিগান ডেমোক্রেটিক পার্টির ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন তাহমিদ চৌধুরী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থা ফেরাতে কঠিন সত্য স্বীকারের আহ্বান জাতিসংঘ সভাপতির টেকনাফে রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকাডুবি, নারী ও শিশুর মৃত্যু সিলেটের রায়নগরে ট্রিপল মার্ডার: তদন্তে নামল পিবিআই, বাবুল ২ দিনের রিমান্ডে

ডিজিটাল যুগে ফিকে হচ্ছে হাতে লেখা চিঠির চিরচেনা আবেগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:০০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষ এবং ডিজিটাল বার্তার ভিড়ে আমরা ক্রমশ হারিয়ে ফেলছি হাতে লেখা চিঠির চিরচেনা আবেগ। হলুদ খামের সেই নস্টালজিয়া, প্রিয়জনের হাতের লেখার উষ্ণতা, পুরোনো স্মৃতির অমূল্য দলিল কিংবা মনের অব্যক্ত কথাগুলো লিখে প্রশান্তি পাওয়ার সেই গল্প এখন অনেকটাই বিলুপ্তপ্রায়। চিঠির সেই হারানো আবেদন ও অনুভূতির কথাগুলো নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের ভাবনার মাধ্যমে সংকলন করেছেন আমানুর রহমান।

চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী অন্তি বড়ুয়া জানান, পুরোনো দিনের সেই চিরায়ত হলুদ খাম আর ডাকপিয়নের সাইকেলের টুংটাং শব্দ আজও হৃদয়ে গভীর নস্টালজিয়া জাগায়। চিঠি কেবল এক টুকরো কাগজ ছিল না, বরং তা ছিল না-বলা কথা, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং প্রিয়জনের স্পর্শমাখা এক জীবন্ত আবেগ। সন্তানের চিঠির অপেক্ষায় থাকা মায়ের উদ্বিগ্ন চোখ কিংবা ভালোবাসার মানুষের বার্তার জন্য প্রিয়জনের প্রহর গোনা—এসবই ছিল প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বর্তমান প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগে চিঠি লেখার ফুরসত ও প্রয়োজন—দুটোই আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। মুহূর্তের ক্লিকেই আমরা যোজন মাইল দূরের খবর পাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু এর বিনিময়ে হারিয়ে ফেলছি সেই হলুদ খামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্নিগ্ধ আবেগটুকু। হয়তো আগামী প্রজন্ম চিঠির এই রোমান্টিকতা বা চিঠি পাওয়ার সেই রোমাঞ্চকর অনুভূতির কথা জানতেই পারবে না। তবুও স্মৃতির মণিকোঠায় সেই সোনালি দিনগুলো সযত্নে বেঁচে থাকুক। আমাদের শিকড় ও আবেগের অবিচ্ছেদ্য এই চিঠির সংস্কৃতিকে অন্তত নিজেদের মতো করে সংরক্ষণ করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ডিজিটাল যুগে ফিকে হচ্ছে হাতে লেখা চিঠির চিরচেনা আবেগ

আপডেট সময় : ০২:০০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষ এবং ডিজিটাল বার্তার ভিড়ে আমরা ক্রমশ হারিয়ে ফেলছি হাতে লেখা চিঠির চিরচেনা আবেগ। হলুদ খামের সেই নস্টালজিয়া, প্রিয়জনের হাতের লেখার উষ্ণতা, পুরোনো স্মৃতির অমূল্য দলিল কিংবা মনের অব্যক্ত কথাগুলো লিখে প্রশান্তি পাওয়ার সেই গল্প এখন অনেকটাই বিলুপ্তপ্রায়। চিঠির সেই হারানো আবেদন ও অনুভূতির কথাগুলো নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের ভাবনার মাধ্যমে সংকলন করেছেন আমানুর রহমান।

চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী অন্তি বড়ুয়া জানান, পুরোনো দিনের সেই চিরায়ত হলুদ খাম আর ডাকপিয়নের সাইকেলের টুংটাং শব্দ আজও হৃদয়ে গভীর নস্টালজিয়া জাগায়। চিঠি কেবল এক টুকরো কাগজ ছিল না, বরং তা ছিল না-বলা কথা, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং প্রিয়জনের স্পর্শমাখা এক জীবন্ত আবেগ। সন্তানের চিঠির অপেক্ষায় থাকা মায়ের উদ্বিগ্ন চোখ কিংবা ভালোবাসার মানুষের বার্তার জন্য প্রিয়জনের প্রহর গোনা—এসবই ছিল প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বর্তমান প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগে চিঠি লেখার ফুরসত ও প্রয়োজন—দুটোই আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে। মুহূর্তের ক্লিকেই আমরা যোজন মাইল দূরের খবর পাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু এর বিনিময়ে হারিয়ে ফেলছি সেই হলুদ খামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্নিগ্ধ আবেগটুকু। হয়তো আগামী প্রজন্ম চিঠির এই রোমান্টিকতা বা চিঠি পাওয়ার সেই রোমাঞ্চকর অনুভূতির কথা জানতেই পারবে না। তবুও স্মৃতির মণিকোঠায় সেই সোনালি দিনগুলো সযত্নে বেঁচে থাকুক। আমাদের শিকড় ও আবেগের অবিচ্ছেদ্য এই চিঠির সংস্কৃতিকে অন্তত নিজেদের মতো করে সংরক্ষণ করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh