ঢাকা ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রেশার্স ডে-নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় নতুন করে ভাবার আহ্বান গুতেরেসের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে সহযোগিতা বাড়াতে তারেক রহমান ও এরদোয়ানের বৈঠক চট্টগ্রামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা মিশিগান ডেমোক্রেটিক পার্টির ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন তাহমিদ চৌধুরী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থা ফেরাতে কঠিন সত্য স্বীকারের আহ্বান জাতিসংঘ সভাপতির টেকনাফে রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকাডুবি, নারী ও শিশুর মৃত্যু সিলেটের রায়নগরে ট্রিপল মার্ডার: তদন্তে নামল পিবিআই, বাবুল ২ দিনের রিমান্ডে

ঢাকার আবহাওয়ায় ময়েশ্চারাইজার: কেন লাইটওয়েট ফর্মুলা বেছে নেবেন?

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঢাকার আবহাওয়ার মেজাজ বুঝে চলতে গিয়ে প্রতিদিন আমাদের সবাইকে ভীষণ বেগ পোহাতে হয়। সকালে খটখটে রোদে বের হওয়ার পর দিন শেষে বাসায় ফেরার সময় হঠাৎ ঝুম বৃষ্টিতে পড়ার মতো পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় আমাদের ত্বককে। গরম, ধুলাবালি আর স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া থেকে হঠাৎ এসির ঠান্ডা রুমে ঢোকা বা বেরিয়ে আসার মতো পরিবর্তনের ধকল ত্বকের ওপর পড়ে। কখনো ত্বক সতেজ থাকে, আবার কখনো মুখ ধোয়ার পর টানটান লাগে, মলিন দেখায়, কিংবা দুপুর হওয়ার আগেই অতিরিক্ত তেলতেলে হয়ে যায়। বছরের পর বছর ধরে এর সমাধান হিসেবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হলেও, ঢাকার মতো শহরে যেখানে বাতাসের আর্দ্রতা প্রায়ই ৭০ শতাংশের ওপরে থাকে, সেখানে বারবার ঘন ক্রিম লাগানো সবসময় ভালো সমাধান নাও হতে পারে।

বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলেই যে ত্বক হাইড্রেটেড থাকবে এমনটা নয়, বরং ত্বকের আসল প্রয়োজন হলো ভারসাম্য। ইউরোপের মতো ঠান্ডা আবহাওয়ার জন্য তৈরি ক্রিমগুলো ঢাকার গরমে ততটা স্বস্তিদায়ক নয়, কারণ এগুলো ঘাম ও তেলের সঙ্গে মিশে অস্বস্তি বাড়িয়ে দিতে পারে। অনেকে মনে করেন বিদেশি পণ্যই ভালো, বিশেষ করে কোরিয়ান, জাপানি বা ইউরোপিয়ান ব্র্যান্ডের পণ্য। কিন্তু স্কিনকেয়ার সবার জন্য এক রকম নয়; এক দেশের আবহাওয়ায় যে পণ্য দারুণ কাজ করে, অন্য দেশের আবহাওয়ায় সেটি আরামদায়ক নাও হতে পারে।

এই বাস্তবতায় এখন লাইটওয়েট ময়েশ্চারাইজারের চাহিদা বাড়ছে। একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার নির্বাচনের ক্ষেত্রে এখন প্রশ্ন ওঠে—এটি কি দ্রুত ত্বকে মিশে যাবে? মুখে কি আঠালো ভাব থাকবে? এর ওপর সানস্ক্রিন বা মেকআপ দিলে কি মুখ তেলতেলে লাগবে? কাস্টমারদের এই প্রশ্নগুলো মাথায় রেখে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো এখন স্থানীয় আবহাওয়ার উপযোগী ফর্মুলা তৈরিতে নজর দিচ্ছে, যা তাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে।

উদাহরণস্বরূপ, রাজকন্যার লাইট ময়েশ্চারাইজারটি জেলের মতো হালকা টেক্সচারের, যা কোনো চিটচিটে অনুভূতি ছাড়াই আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং ত্বকে সতেজ ও প্রাণবন্ত গ্লো আনে। এতে এশিয়ান স্কিনকেয়ারে পরিচিত রাইস ওয়াটার ও লিকোরিস এক্সট্র্যাক্টের মতো উপাদান রয়েছে। রাইস ওয়াটার ত্বক নরম ও আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে, আর লিকোরিস ত্বক উজ্জ্বল করতে ব্যবহৃত হয়। মাত্র ২৯৫ টাকা মূল্যের এই বাজেট-ফ্রেন্ডলি পণ্যটি তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে, কারণ এটি সারাদিন ব্যবহারের পরও ত্বককে সতেজ রাখে এবং কোনো অস্বস্তিকর চিটচিটে অনুভূতি দেয় না।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকার আবহাওয়ায় ময়েশ্চারাইজার: কেন লাইটওয়েট ফর্মুলা বেছে নেবেন?

আপডেট সময় : ০১:১৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার আবহাওয়ার মেজাজ বুঝে চলতে গিয়ে প্রতিদিন আমাদের সবাইকে ভীষণ বেগ পোহাতে হয়। সকালে খটখটে রোদে বের হওয়ার পর দিন শেষে বাসায় ফেরার সময় হঠাৎ ঝুম বৃষ্টিতে পড়ার মতো পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয় আমাদের ত্বককে। গরম, ধুলাবালি আর স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া থেকে হঠাৎ এসির ঠান্ডা রুমে ঢোকা বা বেরিয়ে আসার মতো পরিবর্তনের ধকল ত্বকের ওপর পড়ে। কখনো ত্বক সতেজ থাকে, আবার কখনো মুখ ধোয়ার পর টানটান লাগে, মলিন দেখায়, কিংবা দুপুর হওয়ার আগেই অতিরিক্ত তেলতেলে হয়ে যায়। বছরের পর বছর ধরে এর সমাধান হিসেবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হলেও, ঢাকার মতো শহরে যেখানে বাতাসের আর্দ্রতা প্রায়ই ৭০ শতাংশের ওপরে থাকে, সেখানে বারবার ঘন ক্রিম লাগানো সবসময় ভালো সমাধান নাও হতে পারে।

বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলেই যে ত্বক হাইড্রেটেড থাকবে এমনটা নয়, বরং ত্বকের আসল প্রয়োজন হলো ভারসাম্য। ইউরোপের মতো ঠান্ডা আবহাওয়ার জন্য তৈরি ক্রিমগুলো ঢাকার গরমে ততটা স্বস্তিদায়ক নয়, কারণ এগুলো ঘাম ও তেলের সঙ্গে মিশে অস্বস্তি বাড়িয়ে দিতে পারে। অনেকে মনে করেন বিদেশি পণ্যই ভালো, বিশেষ করে কোরিয়ান, জাপানি বা ইউরোপিয়ান ব্র্যান্ডের পণ্য। কিন্তু স্কিনকেয়ার সবার জন্য এক রকম নয়; এক দেশের আবহাওয়ায় যে পণ্য দারুণ কাজ করে, অন্য দেশের আবহাওয়ায় সেটি আরামদায়ক নাও হতে পারে।

এই বাস্তবতায় এখন লাইটওয়েট ময়েশ্চারাইজারের চাহিদা বাড়ছে। একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার নির্বাচনের ক্ষেত্রে এখন প্রশ্ন ওঠে—এটি কি দ্রুত ত্বকে মিশে যাবে? মুখে কি আঠালো ভাব থাকবে? এর ওপর সানস্ক্রিন বা মেকআপ দিলে কি মুখ তেলতেলে লাগবে? কাস্টমারদের এই প্রশ্নগুলো মাথায় রেখে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো এখন স্থানীয় আবহাওয়ার উপযোগী ফর্মুলা তৈরিতে নজর দিচ্ছে, যা তাদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে।

উদাহরণস্বরূপ, রাজকন্যার লাইট ময়েশ্চারাইজারটি জেলের মতো হালকা টেক্সচারের, যা কোনো চিটচিটে অনুভূতি ছাড়াই আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং ত্বকে সতেজ ও প্রাণবন্ত গ্লো আনে। এতে এশিয়ান স্কিনকেয়ারে পরিচিত রাইস ওয়াটার ও লিকোরিস এক্সট্র্যাক্টের মতো উপাদান রয়েছে। রাইস ওয়াটার ত্বক নরম ও আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে, আর লিকোরিস ত্বক উজ্জ্বল করতে ব্যবহৃত হয়। মাত্র ২৯৫ টাকা মূল্যের এই বাজেট-ফ্রেন্ডলি পণ্যটি তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে, কারণ এটি সারাদিন ব্যবহারের পরও ত্বককে সতেজ রাখে এবং কোনো অস্বস্তিকর চিটচিটে অনুভূতি দেয় না।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin