ঢাকা ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রেশার্স ডে-নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় নতুন করে ভাবার আহ্বান গুতেরেসের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে সহযোগিতা বাড়াতে তারেক রহমান ও এরদোয়ানের বৈঠক চট্টগ্রামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা মিশিগান ডেমোক্রেটিক পার্টির ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন তাহমিদ চৌধুরী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থা ফেরাতে কঠিন সত্য স্বীকারের আহ্বান জাতিসংঘ সভাপতির টেকনাফে রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকাডুবি, নারী ও শিশুর মৃত্যু সিলেটের রায়নগরে ট্রিপল মার্ডার: তদন্তে নামল পিবিআই, বাবুল ২ দিনের রিমান্ডে

হৃদ্‌যন্ত্রের ছন্দ বুঝতে পকেটের ছোট্ট ডিভাইস

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সাধারণত হাসপাতালে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাম বা ইসিজি পরীক্ষা করা হয়, যেখানে হাত, পা ও বুকে ইলেকট্রোড লাগিয়ে হৃদ্‌যন্ত্রের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়। তবে এখন প্রযুক্তির কল্যাণে সব ইসিজি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। হাতের মুঠোয় এঁটে যায় এমন ছোট আকারের মোবাইল ইসিজি যন্ত্র ব্যবহার করে বাড়িতে বসেই হৃদ্‌যন্ত্রের ছন্দ বা রিদম রেকর্ড করা সম্ভব।

বাংলাদেশে এই ধরনের পোর্টেবল ইসিজি ডিভাইস ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় কেনা যায়, তবে বাজারে এর চেয়ে বেশি দামের যন্ত্রও রয়েছে। ডিভাইসটি মূলত অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশনের মতো হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা শনাক্ত করতে কার্যকর। এটি ব্যবহারের সময় ডিভাইসের সেন্সরের ওপর ৩০ সেকেন্ড আঙুল রাখতে হয়। এরপর হৃদ্‌যন্ত্রের ছন্দ ডিভাইসের নিজস্ব স্ক্রিনে অথবা স্মার্টফোনের অ্যাপে দেখা যায়। রেকর্ডিংয়ে কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে তা দ্রুত মেইল বা হোয়াটসঅ্যাপের মতো যোগাযোগমাধ্যমের সাহায্যে চিকিৎসকের কাছে পাঠানো সম্ভব।

যাঁদের হৃৎস্পন্দন মাঝেমধ্যে খুব দ্রুত বা অনিয়মিত হয়ে যায়, তাঁদের জন্য এই ডিভাইসটি বেশ সহায়ক। উপসর্গ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ থাকায় এটি রোগীদের দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে। চিকিৎসকেরা অনেক সময় প্যারক্সিসমাল অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশনে আক্রান্ত রোগীদের এটি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এছাড়া সুপ্রাভেন্ট্রিকুলার ট্যাকিকার্ডিয়ার (এসভিটি) মতো সমস্যা শনাক্ত করতেও এটি সক্ষম। তবে হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিংয়ের তথ্যমতে, এটি চিকিৎসকের পূর্ণাঙ্গ ইসিজি পরীক্ষার বিকল্প নয়। প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষার জন্য এমন পোর্টেবল ডিভাইস কাছে রাখা যেতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

হৃদ্‌যন্ত্রের ছন্দ বুঝতে পকেটের ছোট্ট ডিভাইস

আপডেট সময় : ০৮:৪২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাধারণত হাসপাতালে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাম বা ইসিজি পরীক্ষা করা হয়, যেখানে হাত, পা ও বুকে ইলেকট্রোড লাগিয়ে হৃদ্‌যন্ত্রের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হয়। তবে এখন প্রযুক্তির কল্যাণে সব ইসিজি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। হাতের মুঠোয় এঁটে যায় এমন ছোট আকারের মোবাইল ইসিজি যন্ত্র ব্যবহার করে বাড়িতে বসেই হৃদ্‌যন্ত্রের ছন্দ বা রিদম রেকর্ড করা সম্ভব।

বাংলাদেশে এই ধরনের পোর্টেবল ইসিজি ডিভাইস ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় কেনা যায়, তবে বাজারে এর চেয়ে বেশি দামের যন্ত্রও রয়েছে। ডিভাইসটি মূলত অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশনের মতো হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা শনাক্ত করতে কার্যকর। এটি ব্যবহারের সময় ডিভাইসের সেন্সরের ওপর ৩০ সেকেন্ড আঙুল রাখতে হয়। এরপর হৃদ্‌যন্ত্রের ছন্দ ডিভাইসের নিজস্ব স্ক্রিনে অথবা স্মার্টফোনের অ্যাপে দেখা যায়। রেকর্ডিংয়ে কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে তা দ্রুত মেইল বা হোয়াটসঅ্যাপের মতো যোগাযোগমাধ্যমের সাহায্যে চিকিৎসকের কাছে পাঠানো সম্ভব।

যাঁদের হৃৎস্পন্দন মাঝেমধ্যে খুব দ্রুত বা অনিয়মিত হয়ে যায়, তাঁদের জন্য এই ডিভাইসটি বেশ সহায়ক। উপসর্গ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ থাকায় এটি রোগীদের দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে। চিকিৎসকেরা অনেক সময় প্যারক্সিসমাল অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশনে আক্রান্ত রোগীদের এটি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এছাড়া সুপ্রাভেন্ট্রিকুলার ট্যাকিকার্ডিয়ার (এসভিটি) মতো সমস্যা শনাক্ত করতেও এটি সক্ষম। তবে হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিংয়ের তথ্যমতে, এটি চিকিৎসকের পূর্ণাঙ্গ ইসিজি পরীক্ষার বিকল্প নয়। প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষার জন্য এমন পোর্টেবল ডিভাইস কাছে রাখা যেতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo