ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ২০ টাকা বাড়ানোর বিকল্প যেখানে ছিল মহেশখালীতে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী যুবক নিহত গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকে কীভাবে: প্রশ্ন টিআইবির ভিয়েতনামি কালো ধানে বোচাগঞ্জে নতুন স্বপ্নের পথে রকিবুল বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা তুলে ধরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী উচ্চমূল্যের পোশাক রপ্তানিতে এখনো পিছিয়ে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমসে আবারও সোনা জিতল ভারতের মেয়েরা রেফারি মন্তব্যে শাস্তি থেকে বাঁচলেন রিয়াল কোচ মরিনিও নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল হবে: সড়কমন্ত্রী শাহজালাল মাজারের দানের টাকা এখন থেকে প্রতিদিন গণনা করা হবে

সিভিতে কারিগরি দক্ষতা বাড়াতে পারে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৪২:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চাকরির বাজারের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে জীবনবৃত্তান্ত বা সিভিতে কেবল সফট স্কিল উল্লেখ করাই যথেষ্ট নয়। ক্যারিয়ার ওয়ার্কফোর্স সলিউশন প্রতিষ্ঠান কেয়ারমাইন্ডসের ৯ হাজার ৭০০টি সিভি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব প্রার্থী সিভিতে কারিগরি বা টেকনিক্যাল দক্ষতার কথা উল্লেখ করেছেন, তাদের চাকরি পাওয়ার হার সফট স্কিল উল্লেখকারীদের তুলনায় ৪২ শতাংশ বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, কারিগরি দক্ষতা উল্লেখ করা চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ২০ শতাংশ নতুন চাকরি পেয়েছেন।

গবেষণায় সবচেয়ে কার্যকর হিসেবে উঠে এসেছে ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন সফটওয়্যার ‘ট্যাবলু’ ব্যবহারের দক্ষতা। সিভিতে যারা ট্যাবলুতে দক্ষতার কথা উল্লেখ করেছেন, তাদের মধ্যে ২৫ শতাংশের বেশি চাকরি পেয়েছেন। এছাড়া ডেটা অ্যানালাইসিস, পাইথন ও এসকিউএল-এর মতো কারিগরি দক্ষতাসমূহ নিয়োগদাতাদের কাছে বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।

অন্যদিকে, সিভিতে সফট স্কিলের উপস্থিতির হার বেশি থাকলেও চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা তুলনামূলক কম। ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ সিভিতে যোগাযোগ দক্ষতার উল্লেখ থাকলেও, এসব প্রার্থীর চাকরি পাওয়ার হার ছিল ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ। একইভাবে টিমওয়ার্ক, নেতৃত্ব ও কাস্টমার সার্ভিসের মতো দক্ষতাগুলোও কারিগরি দক্ষতার তুলনায় কম কার্যকর বলে গবেষণায় দেখা গেছে।

কেয়ারমাইন্ডসের ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞ ও কোচ আমান্ডা অগাস্টিন এ প্রসঙ্গে জানান, যে কেউ নিজেকে ভালো যোগাযোগকারী বা নেতা হিসেবে দাবি করতে পারেন। কিন্তু সেই দক্ষতা কোথায় ও কীভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে, তা তুলে ধরলেই কেবল নিয়োগদাতার কাছে তা বিশ্বাসযোগ্য হয়।

বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-সংক্রান্ত দক্ষতার গুরুত্বও বাড়ছে। মাত্র ৩ শতাংশ সিভিতে এআই টুল ব্যবহারের দক্ষতার উল্লেখ থাকলেও, যাদের সিভিতে এই দক্ষতা ছিল, তাদের চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় ১ দশমিক ৪ গুণ বেশি। অগাস্টিন পরামর্শ দেন, এআই ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে কর্মক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক এআই টুলগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহারের সক্ষমতা অর্জন করা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য জরুরি।

গবেষণার মূল বার্তা হলো, সিভিতে শুধু দক্ষতার তালিকা দেওয়া যথেষ্ট নয়। বাস্তব কাজ, প্রকল্প বা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সেই দক্ষতা কীভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারলে চাকরিপ্রার্থীর সিভি আরও কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।

গবেষণায় দেখা যায়, সিভিতে কারিগরি দক্ষতা উল্লেখ করা চাকরিপ্রার্থীদের ২০ শতাংশ নতুন চাকরি পেয়েছেন।.বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় চাকরি, পদ ১৪২ .ট্যাবলু, ডেটা অ্যানালাইসিস, পাইথন ও এসকিউএল এগিয়েগবেষণায় সবচেয়ে বেশি কার্যকর হিসেবে উঠে এসেছে ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন সফটওয়্যার ট্যাবলু ব্যবহারের দক্ষতা।

কর্মক্ষেত্রে এআই টুলের ব্যবহার বাড়তে থাকায় চাকরিপ্রার্থীদের নিজেদের ক্ষেত্রের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক এআই টুল ও দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া ও সেগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহারের সক্ষমতা তৈরি করা উচিত।.ফেল থেকে পাস ৪০৮৫, নতুন করে জিপিএ–৫ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থী.দক্ষতার তালিকার চেয়ে বাস্তব প্রয়োগ গুরুত্বপূর্ণগবেষণাটি বলছে, শুধু দক্ষতার তালিকা সিভিতে যোগ করাই যথেষ্ট নয়; বরং বাস্তব কাজ, প্রকল্প বা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সেই দক্ষতা কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা তুলে ধরতে পারলে চাকরিপ্রার্থীর সিভি আরও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

সিভিতে কারিগরি দক্ষতা বাড়াতে পারে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০২:৪২:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাকরির বাজারের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে জীবনবৃত্তান্ত বা সিভিতে কেবল সফট স্কিল উল্লেখ করাই যথেষ্ট নয়। ক্যারিয়ার ওয়ার্কফোর্স সলিউশন প্রতিষ্ঠান কেয়ারমাইন্ডসের ৯ হাজার ৭০০টি সিভি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে করা এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব প্রার্থী সিভিতে কারিগরি বা টেকনিক্যাল দক্ষতার কথা উল্লেখ করেছেন, তাদের চাকরি পাওয়ার হার সফট স্কিল উল্লেখকারীদের তুলনায় ৪২ শতাংশ বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, কারিগরি দক্ষতা উল্লেখ করা চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ২০ শতাংশ নতুন চাকরি পেয়েছেন।

গবেষণায় সবচেয়ে কার্যকর হিসেবে উঠে এসেছে ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন সফটওয়্যার ‘ট্যাবলু’ ব্যবহারের দক্ষতা। সিভিতে যারা ট্যাবলুতে দক্ষতার কথা উল্লেখ করেছেন, তাদের মধ্যে ২৫ শতাংশের বেশি চাকরি পেয়েছেন। এছাড়া ডেটা অ্যানালাইসিস, পাইথন ও এসকিউএল-এর মতো কারিগরি দক্ষতাসমূহ নিয়োগদাতাদের কাছে বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।

অন্যদিকে, সিভিতে সফট স্কিলের উপস্থিতির হার বেশি থাকলেও চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা তুলনামূলক কম। ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ সিভিতে যোগাযোগ দক্ষতার উল্লেখ থাকলেও, এসব প্রার্থীর চাকরি পাওয়ার হার ছিল ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ। একইভাবে টিমওয়ার্ক, নেতৃত্ব ও কাস্টমার সার্ভিসের মতো দক্ষতাগুলোও কারিগরি দক্ষতার তুলনায় কম কার্যকর বলে গবেষণায় দেখা গেছে।

কেয়ারমাইন্ডসের ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞ ও কোচ আমান্ডা অগাস্টিন এ প্রসঙ্গে জানান, যে কেউ নিজেকে ভালো যোগাযোগকারী বা নেতা হিসেবে দাবি করতে পারেন। কিন্তু সেই দক্ষতা কোথায় ও কীভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে, তা তুলে ধরলেই কেবল নিয়োগদাতার কাছে তা বিশ্বাসযোগ্য হয়।

বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-সংক্রান্ত দক্ষতার গুরুত্বও বাড়ছে। মাত্র ৩ শতাংশ সিভিতে এআই টুল ব্যবহারের দক্ষতার উল্লেখ থাকলেও, যাদের সিভিতে এই দক্ষতা ছিল, তাদের চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় ১ দশমিক ৪ গুণ বেশি। অগাস্টিন পরামর্শ দেন, এআই ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে কর্মক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক এআই টুলগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহারের সক্ষমতা অর্জন করা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য জরুরি।

গবেষণার মূল বার্তা হলো, সিভিতে শুধু দক্ষতার তালিকা দেওয়া যথেষ্ট নয়। বাস্তব কাজ, প্রকল্প বা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সেই দক্ষতা কীভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারলে চাকরিপ্রার্থীর সিভি আরও কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে।

গবেষণায় দেখা যায়, সিভিতে কারিগরি দক্ষতা উল্লেখ করা চাকরিপ্রার্থীদের ২০ শতাংশ নতুন চাকরি পেয়েছেন।.বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় চাকরি, পদ ১৪২ .ট্যাবলু, ডেটা অ্যানালাইসিস, পাইথন ও এসকিউএল এগিয়েগবেষণায় সবচেয়ে বেশি কার্যকর হিসেবে উঠে এসেছে ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন সফটওয়্যার ট্যাবলু ব্যবহারের দক্ষতা।

কর্মক্ষেত্রে এআই টুলের ব্যবহার বাড়তে থাকায় চাকরিপ্রার্থীদের নিজেদের ক্ষেত্রের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক এআই টুল ও দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া ও সেগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহারের সক্ষমতা তৈরি করা উচিত।.ফেল থেকে পাস ৪০৮৫, নতুন করে জিপিএ–৫ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থী.দক্ষতার তালিকার চেয়ে বাস্তব প্রয়োগ গুরুত্বপূর্ণগবেষণাটি বলছে, শুধু দক্ষতার তালিকা সিভিতে যোগ করাই যথেষ্ট নয়; বরং বাস্তব কাজ, প্রকল্প বা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে সেই দক্ষতা কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা তুলে ধরতে পারলে চাকরিপ্রার্থীর সিভি আরও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo