ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণমাধ্যম ও গণতন্ত্রের শক্তি নিয়ে বিশিষ্টজনদের মতামত ও জরিপ ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে অগ্নিকাণ্ড: রহস্য ও ধোঁয়াশা গুলশানে গোপন বৈঠককালে আটক আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মীর রিমান্ড মঞ্জুর ঈদে মিলাদুন্নবী: যেভাবে মিলবে টানা চার দিনের ছুটি শর্ত না মানলে খুলবে না হরমুজ প্রণালি, জানাল আইআরজিসি ১৭ সেনা নিহতের পর হুথিদের বিরুদ্ধে ইয়েমেনি বাহিনীর পাল্টা অভিযান ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের ওপর হামলার জবাবে শিবিরকে প্রতিহত করেছি : নাছির রাজধানীর মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল তরুণের হবিগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে কুপিয়ে যুবককে হত্যা

ইরানের বন্দরে ফের বড় হামলা চালাল মার্কিন সামরিক বাহিনী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি লঙ্ঘন করে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জেরে ইরানে দ্বিতীয় দফায় বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার মধ্যরাতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকোম) ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূল, হরমুজ প্রণালি এবং ওমান উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকাজুড়ে এই অভিযান পরিচালনা করে। রয়টার্স ও ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় বন্দর আব্বাস, কোনারক এবং চাবাহারসহ ইরানের তিনটি প্রধান সমুদ্রবন্দর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে বন্দর আব্বাস দেশটির বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর হিসেবে পরিচিত।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে হরমুজ প্রণালি ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থিত ইরানি নৌবাহিনী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) প্রায় সব কটি স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর এই হামলার কারণে চাবাহার বন্দর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো সাময়িকভাবে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যা স্বাভাবিক করার কাজ ভোর থেকে শুরু হয়েছে। সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি দক্ষিণ ইরানের ইরানশাহর শহরের একটি বিমানবন্দর এবং উত্তর ইরানের আক্কালা শহরের একটি রেলসেতুতেও আঘাত হেনেছে সেন্টকোম। ইরানশাহর বিমানবন্দরে মার্কিন হামলায় একজন ফায়ার সার্ভিসকর্মী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে আইআরজিসির হামলার ঘটনার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্র একে ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে সেন্টকোম ইরানের ৮০টি সামরিক স্থাপনায় প্রথম দফার হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে আইআরজিসি কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানে।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সমাপ্তি ঘটেছে এবং কূটনৈতিক আলোচনার আর কোনো সুযোগ নেই। এই ঘোষণার পরপরই বুধবার মধ্যরাতে সেন্টকোম আরও তীব্র হামলা শুরু করে। এক্সে (সাবেক টুইটার) সেন্টকোম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচলের স্বাধীনতায় ইরানের হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতেই এই অতিরিক্ত হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আবারও আগ্রাসন চালালে এর চেয়েও ভয়ংকর জবাব দেওয়া হবে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবারের হামলার তীব্রতা অনেক বেশি ছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের বন্দরে ফের বড় হামলা চালাল মার্কিন সামরিক বাহিনী

আপডেট সময় : ১০:৪৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
print news

ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি লঙ্ঘন করে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জেরে ইরানে দ্বিতীয় দফায় বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার মধ্যরাতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকোম) ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূল, হরমুজ প্রণালি এবং ওমান উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকাজুড়ে এই অভিযান পরিচালনা করে। রয়টার্স ও ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় বন্দর আব্বাস, কোনারক এবং চাবাহারসহ ইরানের তিনটি প্রধান সমুদ্রবন্দর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে বন্দর আব্বাস দেশটির বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর হিসেবে পরিচিত।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে হরমুজ প্রণালি ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থিত ইরানি নৌবাহিনী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) প্রায় সব কটি স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর এই হামলার কারণে চাবাহার বন্দর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো সাময়িকভাবে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যা স্বাভাবিক করার কাজ ভোর থেকে শুরু হয়েছে। সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি দক্ষিণ ইরানের ইরানশাহর শহরের একটি বিমানবন্দর এবং উত্তর ইরানের আক্কালা শহরের একটি রেলসেতুতেও আঘাত হেনেছে সেন্টকোম। ইরানশাহর বিমানবন্দরে মার্কিন হামলায় একজন ফায়ার সার্ভিসকর্মী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে আইআরজিসির হামলার ঘটনার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্র একে ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে সেন্টকোম ইরানের ৮০টি সামরিক স্থাপনায় প্রথম দফার হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে আইআরজিসি কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানে।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সমাপ্তি ঘটেছে এবং কূটনৈতিক আলোচনার আর কোনো সুযোগ নেই। এই ঘোষণার পরপরই বুধবার মধ্যরাতে সেন্টকোম আরও তীব্র হামলা শুরু করে। এক্সে (সাবেক টুইটার) সেন্টকোম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচলের স্বাধীনতায় ইরানের হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতেই এই অতিরিক্ত হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আবারও আগ্রাসন চালালে এর চেয়েও ভয়ংকর জবাব দেওয়া হবে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবারের হামলার তীব্রতা অনেক বেশি ছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh