ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চীনের জুতা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ২৮ শ্রমিকের মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক কোয়ার্টার ফাইনালে ফেভারিট ফ্রান্সের মুখোমুখি মরক্কো বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে মুখোমুখি ফ্রান্স ও মরক্কো দেশে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির শুধু হাতবদল হয়েছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচের আগে মরক্কোর সংবাদ সম্মেলনে দুই সাংবাদিকের হাতাহাতি চীনের জুতা কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত অন্তত ২৮ জন জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা জাতীয় পরিবেশ মেলায় স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেসির পারফরম্যান্সে মুগ্ধ তরুণ তারকা ইয়ামাল যুক্তরাজ্যে তীব্র দাবদাহে পথচারীদের তৃষ্ণা মেটালেন ওবায়দুল কবীর

ইরানের বন্দরে ফের বড় হামলা চালাল মার্কিন সামরিক বাহিনী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি লঙ্ঘন করে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জেরে ইরানে দ্বিতীয় দফায় বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার মধ্যরাতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকোম) ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূল, হরমুজ প্রণালি এবং ওমান উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকাজুড়ে এই অভিযান পরিচালনা করে। রয়টার্স ও ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় বন্দর আব্বাস, কোনারক এবং চাবাহারসহ ইরানের তিনটি প্রধান সমুদ্রবন্দর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে বন্দর আব্বাস দেশটির বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর হিসেবে পরিচিত।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে হরমুজ প্রণালি ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থিত ইরানি নৌবাহিনী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) প্রায় সব কটি স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর এই হামলার কারণে চাবাহার বন্দর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো সাময়িকভাবে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যা স্বাভাবিক করার কাজ ভোর থেকে শুরু হয়েছে। সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি দক্ষিণ ইরানের ইরানশাহর শহরের একটি বিমানবন্দর এবং উত্তর ইরানের আক্কালা শহরের একটি রেলসেতুতেও আঘাত হেনেছে সেন্টকোম। ইরানশাহর বিমানবন্দরে মার্কিন হামলায় একজন ফায়ার সার্ভিসকর্মী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে আইআরজিসির হামলার ঘটনার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্র একে ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে সেন্টকোম ইরানের ৮০টি সামরিক স্থাপনায় প্রথম দফার হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে আইআরজিসি কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানে।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সমাপ্তি ঘটেছে এবং কূটনৈতিক আলোচনার আর কোনো সুযোগ নেই। এই ঘোষণার পরপরই বুধবার মধ্যরাতে সেন্টকোম আরও তীব্র হামলা শুরু করে। এক্সে (সাবেক টুইটার) সেন্টকোম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচলের স্বাধীনতায় ইরানের হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতেই এই অতিরিক্ত হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আবারও আগ্রাসন চালালে এর চেয়েও ভয়ংকর জবাব দেওয়া হবে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবারের হামলার তীব্রতা অনেক বেশি ছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরানের বন্দরে ফের বড় হামলা চালাল মার্কিন সামরিক বাহিনী

আপডেট সময় : ১০:৪৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
print news

ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি লঙ্ঘন করে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার জেরে ইরানে দ্বিতীয় দফায় বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার মধ্যরাতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকোম) ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূল, হরমুজ প্রণালি এবং ওমান উপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকাজুড়ে এই অভিযান পরিচালনা করে। রয়টার্স ও ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজের তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় বন্দর আব্বাস, কোনারক এবং চাবাহারসহ ইরানের তিনটি প্রধান সমুদ্রবন্দর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে বন্দর আব্বাস দেশটির বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর হিসেবে পরিচিত।

হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে হরমুজ প্রণালি ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থিত ইরানি নৌবাহিনী এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) প্রায় সব কটি স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর এই হামলার কারণে চাবাহার বন্দর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো সাময়িকভাবে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যা স্বাভাবিক করার কাজ ভোর থেকে শুরু হয়েছে। সমুদ্রবন্দরের পাশাপাশি দক্ষিণ ইরানের ইরানশাহর শহরের একটি বিমানবন্দর এবং উত্তর ইরানের আক্কালা শহরের একটি রেলসেতুতেও আঘাত হেনেছে সেন্টকোম। ইরানশাহর বিমানবন্দরে মার্কিন হামলায় একজন ফায়ার সার্ভিসকর্মী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে আইআরজিসির হামলার ঘটনার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্র একে ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে সেন্টকোম ইরানের ৮০টি সামরিক স্থাপনায় প্রথম দফার হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে আইআরজিসি কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানে।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সমাপ্তি ঘটেছে এবং কূটনৈতিক আলোচনার আর কোনো সুযোগ নেই। এই ঘোষণার পরপরই বুধবার মধ্যরাতে সেন্টকোম আরও তীব্র হামলা শুরু করে। এক্সে (সাবেক টুইটার) সেন্টকোম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচলের স্বাধীনতায় ইরানের হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতেই এই অতিরিক্ত হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আবারও আগ্রাসন চালালে এর চেয়েও ভয়ংকর জবাব দেওয়া হবে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবারের হামলার তীব্রতা অনেক বেশি ছিল।