ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের বিকল্প কেবলই কল্পনাতীত: ড. খলিলুর রহমান পুলিশের দাবি উন্নতি, বাস্তবে জনমনে নিরাপত্তাহীনতা ও উৎকণ্ঠা পাকিস্তানে অনলাইনে যৌন নিপীড়নের ফাঁদে ১৫ লাখ শিশু গাজায় বিশ্ববাসীর নিষ্ক্রিয়তা লজ্জাজনক: জাতিসংঘে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাইবান্ধা সরকারি কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে স্থানীয়ভাবে প্রতিহত করার আহ্বান প্রিন্সের স্ত্রীর মৃত্যুর তদন্তে ঘুষ: অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও আট মাসের ভাতিজিকে আছড়ে হত্যা গুলশানে গ্রেফতার সন্দ্বীপের সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি মিতা যশোর প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

ঋতু পরিবর্তনের সময় নারীস্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় ও সতর্কতা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৩৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩: ০২

ঋতু পরিবর্তনের সময় অনেকের মধ্যেই সর্দি-কাশি, অ্যালার্জি, চুল ও ত্বকের সমস্যা কিংবা মাথাব্যথা ও ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। তবে প্রতিটি শারীরিক পরিবর্তন ঋতুর কারণে হচ্ছে এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়। তাই দীর্ঘস্থায়ী বা অস্বাভাবিক উপসর্গের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া এবং গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ আয়রনের ঘাটতির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিনের দুর্বলতা, ক্লান্তি বা মাথা ঘোরাকে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শে রক্ত পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এছাড়া নিজের ইচ্ছায় আয়রনের ওষুধ সেবন না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ। মাসিকের সময় ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং স্যানিটারি পণ্য যথাযথভাবে পরিবর্তন ও নিষ্পত্তি করা অত্যন্ত জরুরি। অসহনীয় ব্যথা, অস্বাভাবিক রক্তপাত বা দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হওয়ার মতো সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। যদিও এক-দুবার সামান্য তারতম্য সবসময় গুরুতর নয়, তবে বারবার অনিয়মিত মাসিক বা অস্বাভাবিক রক্তপাতের ক্ষেত্রে কারণ অনুসন্ধান করা আবশ্যক।

আবহাওয়ার পরিবর্তনে ত্বকের আর্দ্রতা ও তৈলাক্ততার ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে, যার ফলে ব্রণ বা অস্বস্তি বাড়তে পারে। ত্বকের ধরন অনুযায়ী মৃদু পরিষ্কারক ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার এবং বাইরে বের হওয়ার সময় সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সময়ে চুল পড়া, খুশকি বা মাথার ত্বকে চুলকানির সমস্যা দেখা দিলে নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং রাসায়নিকের ব্যবহার কমানো কার্যকর হতে পারে। অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে পুষ্টির ঘাটতি বা অন্য শারীরিক কারণ আছে কি না, তা যাচাই করা উচিত।

ধুলাবালি, পরাগরেণু ও ছত্রাকের কারণে অ্যালার্জির উপসর্গ যেমন হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া বা চোখ চুলকানোর সমস্যা বাড়তে পারে। যাদের হাঁপানি বা শ্বাসতন্ত্রের পূর্ব সমস্যা রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র মেনে চলা এবং ট্রিগার এড়িয়ে চলা বাঞ্ছনীয়। এছাড়া প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, তলপেটে অস্বস্তি বা প্রস্রাবে রক্ত দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, বিশেষ করে যদি এর সঙ্গে জ্বর বা কোমর ও পিঠে ব্যথা থাকে।

নারীর বয়স, পারিবারিক ইতিহাস ও ব্যক্তিগত ঝুঁকির ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্রয়োজন। রক্তচাপ, শর্করা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী করানো ভালো। অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা এড়িয়ে বিশেষজ্ঞের নির্দেশনায় সঠিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ঋতু পরিবর্তনের সময় নারীস্বাস্থ্য সুরক্ষায় করণীয় ও সতর্কতা

আপডেট সময় : ০১:৩৭:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩: ০২

ঋতু পরিবর্তনের সময় অনেকের মধ্যেই সর্দি-কাশি, অ্যালার্জি, চুল ও ত্বকের সমস্যা কিংবা মাথাব্যথা ও ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। তবে প্রতিটি শারীরিক পরিবর্তন ঋতুর কারণে হচ্ছে এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়। তাই দীর্ঘস্থায়ী বা অস্বাভাবিক উপসর্গের ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া এবং গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ আয়রনের ঘাটতির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিনের দুর্বলতা, ক্লান্তি বা মাথা ঘোরাকে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শে রক্ত পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এছাড়া নিজের ইচ্ছায় আয়রনের ওষুধ সেবন না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ। মাসিকের সময় ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং স্যানিটারি পণ্য যথাযথভাবে পরিবর্তন ও নিষ্পত্তি করা অত্যন্ত জরুরি। অসহনীয় ব্যথা, অস্বাভাবিক রক্তপাত বা দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হওয়ার মতো সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। যদিও এক-দুবার সামান্য তারতম্য সবসময় গুরুতর নয়, তবে বারবার অনিয়মিত মাসিক বা অস্বাভাবিক রক্তপাতের ক্ষেত্রে কারণ অনুসন্ধান করা আবশ্যক।

আবহাওয়ার পরিবর্তনে ত্বকের আর্দ্রতা ও তৈলাক্ততার ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে, যার ফলে ব্রণ বা অস্বস্তি বাড়তে পারে। ত্বকের ধরন অনুযায়ী মৃদু পরিষ্কারক ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার এবং বাইরে বের হওয়ার সময় সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সময়ে চুল পড়া, খুশকি বা মাথার ত্বকে চুলকানির সমস্যা দেখা দিলে নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং রাসায়নিকের ব্যবহার কমানো কার্যকর হতে পারে। অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে পুষ্টির ঘাটতি বা অন্য শারীরিক কারণ আছে কি না, তা যাচাই করা উচিত।

ধুলাবালি, পরাগরেণু ও ছত্রাকের কারণে অ্যালার্জির উপসর্গ যেমন হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া বা চোখ চুলকানোর সমস্যা বাড়তে পারে। যাদের হাঁপানি বা শ্বাসতন্ত্রের পূর্ব সমস্যা রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র মেনে চলা এবং ট্রিগার এড়িয়ে চলা বাঞ্ছনীয়। এছাড়া প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, তলপেটে অস্বস্তি বা প্রস্রাবে রক্ত দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, বিশেষ করে যদি এর সঙ্গে জ্বর বা কোমর ও পিঠে ব্যথা থাকে।

নারীর বয়স, পারিবারিক ইতিহাস ও ব্যক্তিগত ঝুঁকির ওপর ভিত্তি করে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্রয়োজন। রক্তচাপ, শর্করা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী করানো ভালো। অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা এড়িয়ে বিশেষজ্ঞের নির্দেশনায় সঠিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh