ঢাকা ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের বিকল্প কেবলই কল্পনাতীত: ড. খলিলুর রহমান পুলিশের দাবি উন্নতি, বাস্তবে জনমনে নিরাপত্তাহীনতা ও উৎকণ্ঠা পাকিস্তানে অনলাইনে যৌন নিপীড়নের ফাঁদে ১৫ লাখ শিশু গাজায় বিশ্ববাসীর নিষ্ক্রিয়তা লজ্জাজনক: জাতিসংঘে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাইবান্ধা সরকারি কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে স্থানীয়ভাবে প্রতিহত করার আহ্বান প্রিন্সের স্ত্রীর মৃত্যুর তদন্তে ঘুষ: অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও আট মাসের ভাতিজিকে আছড়ে হত্যা গুলশানে গ্রেফতার সন্দ্বীপের সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি মিতা যশোর প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

কক্সবাজার সৈকতে টর্নেডোর আঘাত: পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬ ৬৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে আকস্মিক একটি টর্নেডো আঘাত হেনেছে। তিন থেকে পাঁচ মিনিট স্থায়ী এই ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে সৈকতে অবস্থানরত পর্যটকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার সময় পর্যটকরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি শুরু করেন। যদিও এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে সৈকতে পর্যটকদের ব্যবহারের জন্য রাখা সরঞ্জামাদির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাগরের দিক থেকে ঘূর্ণায়মান বাতাস ধীরে ধীরে বালুচরের দিকে এগিয়ে আসে এবং মুহূর্তের মধ্যে সুগন্ধা পয়েন্টের একটি অংশে আঘাত করে। ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতায় সৈকতে থাকা চেয়ার, ছাতা ও অন্যান্য হালকা সামগ্রী বাতাসে উড়ে যেতে থাকে। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলম জানান, এই টর্নেডোর আঘাতে পর্যটকদের ব্যবহারের জন্য রাখা ৫২টি কাঠের চেয়ার ও ৬১টি ছাতা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। এতে সৈকত-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সুমন রহমান বলেন, টর্নেডোটি খুব অল্প সময় স্থায়ী হলেও এর গতি ছিল অত্যন্ত প্রবল। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সৈকতের পরিবেশ এলোমেলো হয়ে যায়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পর্যটকরা ধীরে ধীরে সৈকতে ফিরে আসেন এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত চেয়ার ও ছাতাগুলো সরিয়ে পরিবেশ স্বাভাবিক করার কাজ শুরু করেন।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান জানান, এটি একটি দুর্বল প্রকৃতির টর্নেডো। তিনি সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের টর্নেডো স্বল্প সময় স্থায়ী হলেও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এর ঘূর্ণির কবলে পড়লে প্রাণহানির আশঙ্কা থাকে এবং এটি স্পর্শকৃত বস্তু ও মানুষকে অনেক উঁচুতে তুলে ছুড়ে ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই আবহাওয়াবিদ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজার সৈকতে টর্নেডোর আঘাত: পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক

আপডেট সময় : ১১:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে আকস্মিক একটি টর্নেডো আঘাত হেনেছে। তিন থেকে পাঁচ মিনিট স্থায়ী এই ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে সৈকতে অবস্থানরত পর্যটকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার সময় পর্যটকরা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটাছুটি শুরু করেন। যদিও এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে সৈকতে পর্যটকদের ব্যবহারের জন্য রাখা সরঞ্জামাদির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাগরের দিক থেকে ঘূর্ণায়মান বাতাস ধীরে ধীরে বালুচরের দিকে এগিয়ে আসে এবং মুহূর্তের মধ্যে সুগন্ধা পয়েন্টের একটি অংশে আঘাত করে। ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতায় সৈকতে থাকা চেয়ার, ছাতা ও অন্যান্য হালকা সামগ্রী বাতাসে উড়ে যেতে থাকে। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আলম জানান, এই টর্নেডোর আঘাতে পর্যটকদের ব্যবহারের জন্য রাখা ৫২টি কাঠের চেয়ার ও ৬১টি ছাতা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। এতে সৈকত-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সুমন রহমান বলেন, টর্নেডোটি খুব অল্প সময় স্থায়ী হলেও এর গতি ছিল অত্যন্ত প্রবল। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সৈকতের পরিবেশ এলোমেলো হয়ে যায়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর পর্যটকরা ধীরে ধীরে সৈকতে ফিরে আসেন এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত চেয়ার ও ছাতাগুলো সরিয়ে পরিবেশ স্বাভাবিক করার কাজ শুরু করেন।

কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান জানান, এটি একটি দুর্বল প্রকৃতির টর্নেডো। তিনি সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের টর্নেডো স্বল্প সময় স্থায়ী হলেও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এর ঘূর্ণির কবলে পড়লে প্রাণহানির আশঙ্কা থাকে এবং এটি স্পর্শকৃত বস্তু ও মানুষকে অনেক উঁচুতে তুলে ছুড়ে ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের ঝুঁকি না নিয়ে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই আবহাওয়াবিদ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh