ঢাকা ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রভাষক সেজে এইচএসসি খাতা মূল্যায়ন: শোকজ পেল গ্রিনহিল কলেজ মোহাম্মদপুরে নির্মাণাধীন ভবনে পানি দেওয়ার সময় পড়ে নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু সাবেক নৌপ্রধান মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, দেশ-বিদেশে নানা কর্মসূচি হকি রাঙাতে তিন স্তরে বিদেশি কোচ নিয়োগ দিল ফেডারেশন স্বৈরাচারের পুনরুত্থানের সুযোগ নেই বললেন মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন বিএনপি নেতাদের ডাকে হাসিনা পালায়নি, দাবি সাদিকুর রহমানের রিপাবলিক বাংলা ছাড়লেন বিতর্কিত সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ বিচারের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর শাহবাগের মামলায় নতুন ধারার শান্তা-মেহেদীসহ ৬ জন কারাগারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ ও ৫ দফা দাবি

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইউটিএলের গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

সোমবার ও মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান—বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ এবং ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় সংঘটিত সহিংস ঘটনায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কর্তৃক ছাত্রসংসদ নেতা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. যুবাঈর মুহাম্মদ এহসান এই নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, আহত শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে ভর্তি হলে সেখানেও হামলা চালাচ্ছে এবং হাসপাতালকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ছাত্রদলের কর্মীরা। আহতদের দেখতে যাওয়া ইউটিএলের সাংগঠনিক সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. ওমর ফারুককেও ছাত্রদলের কর্মীরা অবরুদ্ধ করে রেখেছে।

শিক্ষক নেতারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুক্তচিন্তা, জ্ঞানচর্চা, মতপ্রকাশ এবং গণতান্ত্রিক সহাবস্থানের ক্ষেত্র। কোনো রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক পরিচয়ের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন অথবা মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

ইউটিএল সংশ্লিষ্ট সব ঘটনার নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে। একই সঙ্গে তারা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ, সহনশীল ও ভীতিমুক্ত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। এছাড়া অবরুদ্ধ শিক্ষকদের দ্রুত মুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিক্ষক নেতারা বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মতপার্থক্যের সমাধান হতে হবে সংলাপ, যুক্তি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে; সহিংসতা, হামলা বা প্রতিহিংসার মাধ্যমে নয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষায় রাষ্ট্র, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ইউটিএল দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সব ধরনের সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তার নীতিগত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে।

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ৩২আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ৪৩

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইউটিএলের গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা

আপডেট সময় : ০২:০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
print news

সোমবার ও মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান—বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ এবং ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় সংঘটিত সহিংস ঘটনায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কর্তৃক ছাত্রসংসদ নেতা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. যুবাঈর মুহাম্মদ এহসান এই নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, আহত শিক্ষার্থীরা হাসপাতালে ভর্তি হলে সেখানেও হামলা চালাচ্ছে এবং হাসপাতালকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে ছাত্রদলের কর্মীরা। আহতদের দেখতে যাওয়া ইউটিএলের সাংগঠনিক সম্পাদক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. ওমর ফারুককেও ছাত্রদলের কর্মীরা অবরুদ্ধ করে রেখেছে।

শিক্ষক নেতারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুক্তচিন্তা, জ্ঞানচর্চা, মতপ্রকাশ এবং গণতান্ত্রিক সহাবস্থানের ক্ষেত্র। কোনো রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক পরিচয়ের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা সাংবাদিকের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন অথবা মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

ইউটিএল সংশ্লিষ্ট সব ঘটনার নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে। একই সঙ্গে তারা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ, সহনশীল ও ভীতিমুক্ত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। এছাড়া অবরুদ্ধ শিক্ষকদের দ্রুত মুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিক্ষক নেতারা বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মতপার্থক্যের সমাধান হতে হবে সংলাপ, যুক্তি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে; সহিংসতা, হামলা বা প্রতিহিংসার মাধ্যমে নয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষায় রাষ্ট্র, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ইউটিএল দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সব ধরনের সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তার নীতিগত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করছে।

প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ৩২আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯: ৪৩

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh