ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে নতুন আশাবাদ, নিউইয়র্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিউইয়র্কে মানবিক সহায়তা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রাতরাশ বৈঠক ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে ব্যর্থতার সুযোগ নেই: রুহুল আমিন হাওলাদার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে পাঁচ দফা প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নাটোর সদর উপজেলায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মারা গেলেন মাদ্রাসা শিক্ষক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ ও ৫ দফা দাবি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। কর্মসূচি পালনের পূর্ব ঘোষণা থাকলেও ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না পেরে তারা ফটকের সামনেই অবস্থান নেয়।

বিক্ষোভ চলাকালে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ সময় তারা ‘শিক্ষা, সন্ত্রাস—একসঙ্গে চলে না’, ‘ছাত্রদলের চেহারায় ছাত্রলীগকে দেখা যায়’, ‘সালাউদ্দিন করে কী, খায়-দায়, ঘুমায় নাকি?’ এবং ‘আমার ভাই আহত কেন? প্রশাসন জবাব চাই’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখ পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করেন। দাবিগুলো হলো: হামলায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা; ছয় মাসের মধ্যে সাত একর জায়গায় ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা; সেনাবাহিনীর মাধ্যমে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন; ক্যাম্পাসে অছাত্রদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা এবং সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বৃহস্পতিবার থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া।

জাতীয় ছাত্রশক্তির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি শাহিন মিয়া বলেন, ‘গতকাল ছাত্রদল আমাদের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালিয়েছে। এতে অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন।’ তিনি আরও জানান, ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে পাশের কবি নজরুল সরকারি কলেজের ছাত্রদল ও সদরঘাটের যুবদলের কর্মীরা জরুরি বিভাগে ঢুকে হামলা চালায়। তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্রদল যদি এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে চায়, তাহলে ছাত্রলীগের পরিণতির কথা তাদের মনে রাখা উচিত।’ তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।

ফেরদৌস শেখ অভিযোগ করেন, ছাত্রদল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ক্যাম্পাস বন্ধ রাখার পরিস্থিতি তৈরি করেছে। গত বছরের ৫ আগস্টের মতোই আজও ক্যাম্পাসে তালা ঝুলছে। এদিকে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য ইসমাইল হোসেন তাসিন জানান, তারা অডিটোরিয়ামে দাবি জানাতে গেলে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা তাদের বাধা দেয় এবং পরিকল্পিতভাবে ছাত্রশিবিরের সভাপতি, জকসুর ভিপি ও ছাত্র ফ্রন্টের নেতা ইভানসহ কয়েকজনের ওপর হামলা চালায়।

উল্লেখ্য, সকাল থেকেই প্রশাসনের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সদস্য মোতায়েন করে ক্যাম্পাসে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ ও ৫ দফা দাবি

আপডেট সময় : ০৪:২৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থী ও অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। কর্মসূচি পালনের পূর্ব ঘোষণা থাকলেও ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না পেরে তারা ফটকের সামনেই অবস্থান নেয়।

বিক্ষোভ চলাকালে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ সময় তারা ‘শিক্ষা, সন্ত্রাস—একসঙ্গে চলে না’, ‘ছাত্রদলের চেহারায় ছাত্রলীগকে দেখা যায়’, ‘সালাউদ্দিন করে কী, খায়-দায়, ঘুমায় নাকি?’ এবং ‘আমার ভাই আহত কেন? প্রশাসন জবাব চাই’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখ পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করেন। দাবিগুলো হলো: হামলায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা; ছয় মাসের মধ্যে সাত একর জায়গায় ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করা; সেনাবাহিনীর মাধ্যমে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন; ক্যাম্পাসে অছাত্রদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা এবং সব শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বৃহস্পতিবার থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া।

জাতীয় ছাত্রশক্তির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি শাহিন মিয়া বলেন, ‘গতকাল ছাত্রদল আমাদের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালিয়েছে। এতে অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন।’ তিনি আরও জানান, ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালে পাশের কবি নজরুল সরকারি কলেজের ছাত্রদল ও সদরঘাটের যুবদলের কর্মীরা জরুরি বিভাগে ঢুকে হামলা চালায়। তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্রদল যদি এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে চায়, তাহলে ছাত্রলীগের পরিণতির কথা তাদের মনে রাখা উচিত।’ তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।

ফেরদৌস শেখ অভিযোগ করেন, ছাত্রদল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ক্যাম্পাস বন্ধ রাখার পরিস্থিতি তৈরি করেছে। গত বছরের ৫ আগস্টের মতোই আজও ক্যাম্পাসে তালা ঝুলছে। এদিকে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য ইসমাইল হোসেন তাসিন জানান, তারা অডিটোরিয়ামে দাবি জানাতে গেলে প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা তাদের বাধা দেয় এবং পরিকল্পিতভাবে ছাত্রশিবিরের সভাপতি, জকসুর ভিপি ও ছাত্র ফ্রন্টের নেতা ইভানসহ কয়েকজনের ওপর হামলা চালায়।

উল্লেখ্য, সকাল থেকেই প্রশাসনের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সদস্য মোতায়েন করে ক্যাম্পাসে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo