ঢাকা ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায়ের পর আজমুলের মৃত্যুতে গ্রেফতার ১ বার্লিন বিমানবন্দরে ড্রোন দেখা যাওয়ায় ফ্লাইট চলাচল বন্ধ সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক স্থাপনে নিষেধাজ্ঞা গোলান মালভূমি সিরিয়ারই থাকবে, জাতিসংঘে আল-শারার ঘোষণা ভোলায় এনসিপির কমিটি ঘোষণার পরপরই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদত্যাগ এফবিআইয়ের হাজারো কর্মকর্তার সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি হ্যাকারদের তেলুগু তারকা নানির ক্যারিয়ার, সম্পদ ও আসন্ন সিনেমার গল্প জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সৌন্দর্যের ভেতর ইতিহাসের শরীর: হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের তুলনামূলক পাঠ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে: এস এম জিলানী

প্রভাষক সেজে এইচএসসি খাতা মূল্যায়ন: শোকজ পেল গ্রিনহিল কলেজ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সিলেট নগরীর শিবগঞ্জ এলাকার গ্রিনহিল স্টেট কলেজের অফিস সহকারী জয়ন্ত দত্তের বিরুদ্ধে প্রভাষক পরিচয় দিয়ে চার বছর ধরে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মণকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী, একজন পরীক্ষককে অবশ্যই কলেজ পর্যায়ের প্রভাষক হতে হয় এবং ন্যূনতম স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী হতে হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও জয়ন্ত দত্ত এ বছর বাংলা প্রথম পত্রের ৫৫৪ জন পরীক্ষার্থীর খাতা মূল্যায়ন করে শিক্ষা বোর্ডে জমা দিয়েছেন।

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে জয়ন্ত দত্ত দাবি করেন, ২০১৯ সালে বাংলায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর শিক্ষক সংকটের কারণে তিনি ওই কলেজে বাংলা পড়ানো শুরু করেন। তিনি আরও জানান, তার নিয়োগপত্রটি কলেজের প্রয়াত অধ্যক্ষ প্রশান্ত কুমার সাহার কাছে সংরক্ষিত ছিল।

নিয়োগপত্রের বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মণ জানান, জয়ন্ত দত্তের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপত্রটি পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বোর্ডের অনলাইন আবেদনে তিনি নিজে কোনো অনুমোদন দেননি, বরং পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী এটি অনুমোদন করেছেন।

তবে পরিচালনা পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী উল্টো দাবি করেন, নিয়োগপত্রটি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছেই সংরক্ষিত আছে এবং আবেদনে অনুমোদনও তিনিই দিয়েছেন। এ বিষয়ে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের বিদায়ী চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, পরীক্ষক হওয়ার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ নির্ধারিত সকল শর্ত পূরণ করা বাধ্যতামূলক। এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা গুরুতর অনিয়ম হিসেবে গণ্য হবে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে শোকজ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রভাষক সেজে এইচএসসি খাতা মূল্যায়ন: শোকজ পেল গ্রিনহিল কলেজ

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

সিলেট নগরীর শিবগঞ্জ এলাকার গ্রিনহিল স্টেট কলেজের অফিস সহকারী জয়ন্ত দত্তের বিরুদ্ধে প্রভাষক পরিচয় দিয়ে চার বছর ধরে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মণকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী, একজন পরীক্ষককে অবশ্যই কলেজ পর্যায়ের প্রভাষক হতে হয় এবং ন্যূনতম স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী হতে হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও জয়ন্ত দত্ত এ বছর বাংলা প্রথম পত্রের ৫৫৪ জন পরীক্ষার্থীর খাতা মূল্যায়ন করে শিক্ষা বোর্ডে জমা দিয়েছেন।

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে জয়ন্ত দত্ত দাবি করেন, ২০১৯ সালে বাংলায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর শিক্ষক সংকটের কারণে তিনি ওই কলেজে বাংলা পড়ানো শুরু করেন। তিনি আরও জানান, তার নিয়োগপত্রটি কলেজের প্রয়াত অধ্যক্ষ প্রশান্ত কুমার সাহার কাছে সংরক্ষিত ছিল।

নিয়োগপত্রের বিষয়ে জানতে চাইলে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সীতেশ রঞ্জন বর্মণ জানান, জয়ন্ত দত্তের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপত্রটি পরিচালনা পর্ষদের কাছে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বোর্ডের অনলাইন আবেদনে তিনি নিজে কোনো অনুমোদন দেননি, বরং পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী এটি অনুমোদন করেছেন।

তবে পরিচালনা পর্ষদের সমন্বয়ক দিগ্বিজয় চক্রবর্তী উল্টো দাবি করেন, নিয়োগপত্রটি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছেই সংরক্ষিত আছে এবং আবেদনে অনুমোদনও তিনিই দিয়েছেন। এ বিষয়ে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের বিদায়ী চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, পরীক্ষক হওয়ার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ নির্ধারিত সকল শর্ত পূরণ করা বাধ্যতামূলক। এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা গুরুতর অনিয়ম হিসেবে গণ্য হবে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে শোকজ করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor