কোটা সংস্কার আন্দোলন: ব্লকেড, সংঘর্ষ ও আদালতের স্থিতাবস্থা নির্দেশ
- আপডেট সময় : ০৯:৩৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগে কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি ও বিক্ষোভ চলমান রয়েছে। এই আন্দোলনের মুখে আপিল বিভাগ পক্ষগুলোকে চার সপ্তাহের জন্য স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দিয়েছে। কর্মসূচির বিভিন্ন পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন।
গত ৮ জুলাই, সোমবার, ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ ব্যানারে ৬৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। ব্লকেড না থাকলেও পরদিন ৯ জুলাই, মঙ্গলবার, ছাত্র ধর্মঘট ও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকে এবং অনলাইন ও অফলাইনে জনসংযোগ কার্যক্রমও চলতে থাকে।
আন্দোলনের চতুর্থ দিন, ১০ জুলাই, বুধবার, আপিল বিভাগ সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগে কোটার বিষয়ে পক্ষগুলোকে চার সপ্তাহের জন্য স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশ দেয়। এই বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৭ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।
১০ জুলাই ১৫২৬ সালে প্রথম পানিপথের যুদ্ধ জয়ের পর ৮ জুলাই মোগল সম্রাট বাবর আগ্রায় প্রবেশ করেন। আগ্রা অধিকারের মাধ্যমে তিনি উত্তর ভারতে নিজের কর্তৃত্ব সুসংহত করেন এবং একে সাম্রাজ্যের অন্যতম প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন।
১০ জুলাই ১৯৪৬ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১০ জুলাই ১৮৮৫ সালে বহুভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম হয়।
১১ জুলাই, বৃহস্পতিবার, ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি চলমান ছিল। এই দিনে আন্দোলনকারীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের বাধার মুখেই অবরোধ পালন করেন। পুলিশের হামলায় দেশের কয়েকটি স্থানে কমপক্ষে ৩০ জন আন্দোলনকারী আহত হন।
১১ জুলাই ১৫৭৬ সালে হোসাইন কুলি খান বাংলার মোগল শাসক (সুবেদার) নিযুক্ত হন।
১২ জুলাই, শুক্রবার, ছুটির দিনেও কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় কুমিল্লায় কর্মসূচি চলাকালে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
সর্বশেষ ১৩ জুলাই, শনিবার, শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ শিক্ষার্থীদের প্রতি ১০টি নির্দেশনা জারি করে। এর মধ্যে রয়েছে বিকল্প নেতৃত্ব প্রস্তুত রাখা, ইন্টারনালি সংগঠিত থাকা, কারো ওপর কোনো আঘাত বা হুমকি এলে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করা এবং মিডিয়া ও সংবাদকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা।
৮ জুলাই ১৮৫৮ : সিপাহি বিদ্রোহ দমনের পর ১৮৫৮ সালের ৮ জুলাই ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিং আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শান্তি’ (Peace Proclamation) ঘোষণা করেন।
৮ জুলাই, ২০২৪ (সোমবার) : দ্বিতীয় দিনের ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি। সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ৬৫ সদস্যের কমিটি গঠন।





























