দরপতনের পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি
- আপডেট সময় : ০৯:১৯:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

গত সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়ার পর বিনিয়োগকারীদের কেনাকাটা বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১২৬ দশমিক ৪৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগের দিন অর্থাৎ ১ জুলাইয়ের পর স্বর্ণের দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল।
একইভাবে আগস্টে সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচারের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩৭ দশমিক ২০ ডলারে পৌঁছেছে। স্টোনএক্সের সিনিয়র মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট বব হ্যাবারকর্ন জানিয়েছেন, আগের দিনের দরপতনের পর বাজারে আবারও স্বর্ণ কেনার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের দামের সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হলো মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার-সংক্রান্ত নীতি। ফেড যদি আরও নমনীয় নীতি গ্রহণ করে, তবে স্বর্ণ ও রুপার দাম বাড়তে পারে। তবে সুদের হার আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলে এই মূল্যবান ধাতুর ওপর চাপ তৈরি হবে। সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা বর্তমানে সেপ্টেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির প্রায় ৬৩ শতাংশ সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন।
বাজারের ওপর ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবও স্পষ্ট। ইরানের দক্ষিণ উপকূলীয় ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে মার্কিন হামলার জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় তিন সপ্তাহ আগে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানির দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে, যার ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়ানোর পথে হাঁটতে পারে। স্বর্ণকে সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে গণ্য করা হলেও, উচ্চ সুদের হার সুদ-আয়কারী সম্পদের আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়, যা স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।




























