ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিলেট বিভাগজুড়ে নিখোঁজের হিড়িক, তিন মাসে উধাও অন্তত ৪৭ জন মধ্যনগরে সরকারি ভিটির লীজমানি আদায়ে দিনব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত বরিশালে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত দক্ষিণ এশিয়ায় কারাগারের ধারণক্ষমতার তুলনায় বন্দী হারে শীর্ষে বাংলাদেশ মুন্সীগঞ্জে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি, জরিমানা রোহিঙ্গা সংকট কেবল মানবিক নয়, এটি বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি: ঢাকা যান্ত্রিক ত্রুটিতে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা শিবগঞ্জের ইউএনও মাজহারুল ইসলাম চার দিনের সফরে তুরস্ক যাচ্ছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান সিন্ডিকেট ও অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি ইসলামী আন্দোলনের

যান্ত্রিক ত্রুটিতে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সচল দুটি ইউনিটেই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে পার্বতীপুর উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের আটটি জেলায় বিদ্যুৎ ঘাটতি এবং লো-ভোল্টেজের সমস্যা দেখা দিয়েছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, গত সোমবার (৫ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর বা প্রথম ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে পড়ে বন্ধ হয়ে যায়। এর পরদিন মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৫ মিনিটে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে বন্ধ হয়ে যায় ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩ নম্বর বা তৃতীয় ইউনিটটি। সচল এই দুটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন থমকে গেছে।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক জানিয়েছেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া ইউনিট দুটির যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের জন্য চীনা হারবিন কোম্পানির একদল প্রকৌশলী ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। তবে ইউনিট দুটি ঠিক কবে নাগাদ আবার উৎপাদনে ফিরতে পারবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বন্ধ হওয়ার আগে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিটটি থেকে প্রতিদিন ১৬০ থেকে ১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। এই ইউনিটটি সচল রাখতে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হতো। অন্যদিকে, ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিটটি থেকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতো, যা সচল রাখতে দৈনিক ৮০০ থেকে ৯০০ মেট্রিক টন কয়লা ব্যবহার করা হতো।

এদিকে কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটটি সংস্কার বা ওভার হোলিং কাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ ৫ বছর ১১ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছে, চলতি অক্টোবর মাসের যেকোনো সময়ে এই দ্বিতীয় ইউনিটটি পুনরায় চালু করা সম্ভব হতে পারে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়া ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিট থেকে প্রতিদিন ১৬০-১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। তৃতীয় ইউনিটটি চালু রাখতে দৈনিক ২ হাজার ৫শ’ মেট্রিক টন কয়লা লাগতো।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

যান্ত্রিক ত্রুটিতে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ

আপডেট সময় : ০৪:০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সচল দুটি ইউনিটেই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে পার্বতীপুর উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের আটটি জেলায় বিদ্যুৎ ঘাটতি এবং লো-ভোল্টেজের সমস্যা দেখা দিয়েছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, গত সোমবার (৫ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর বা প্রথম ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে পড়ে বন্ধ হয়ে যায়। এর পরদিন মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৫ মিনিটে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে বন্ধ হয়ে যায় ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩ নম্বর বা তৃতীয় ইউনিটটি। সচল এই দুটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন থমকে গেছে।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক জানিয়েছেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া ইউনিট দুটির যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের জন্য চীনা হারবিন কোম্পানির একদল প্রকৌশলী ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। তবে ইউনিট দুটি ঠিক কবে নাগাদ আবার উৎপাদনে ফিরতে পারবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বন্ধ হওয়ার আগে ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিটটি থেকে প্রতিদিন ১৬০ থেকে ১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। এই ইউনিটটি সচল রাখতে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হতো। অন্যদিকে, ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিটটি থেকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতো, যা সচল রাখতে দৈনিক ৮০০ থেকে ৯০০ মেট্রিক টন কয়লা ব্যবহার করা হতো।

এদিকে কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটটি সংস্কার বা ওভার হোলিং কাজের জন্য ২০২০ সালের নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ ৫ বছর ১১ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। তবে কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছে, চলতি অক্টোবর মাসের যেকোনো সময়ে এই দ্বিতীয় ইউনিটটি পুনরায় চালু করা সম্ভব হতে পারে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়া ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তৃতীয় ইউনিট থেকে প্রতিদিন ১৬০-১৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। তৃতীয় ইউনিটটি চালু রাখতে দৈনিক ২ হাজার ৫শ’ মেট্রিক টন কয়লা লাগতো।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin