ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইয়েমেনে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, সরকারি বাহিনীর ৩০ সেনা নিহত ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে ১৩ দিন ধরে উত্তাল রাঁচি গবেষণায় সততা: বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরিহার্য দায়বদ্ধতা অর্থ আত্মসাৎ: ঢাকা ব্যাংকের ৪ সাবেক কর্মকর্তার ২০ বছরের কারাদণ্ড আইএইচজি ওনার্স ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ পেলেন ক্রাউন প্লাজা ঢাকার জিএম জবির ৬৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের’ তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি আনোয়ারা প্রশাসনে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনসিপি নেতার তনু হত্যা মামলা: সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ পাঁচটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নতুন সচিব নিয়োগ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত ভারতকে নিতে হবে: শামা ওবায়েদ

নেত্রকোনায় কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নেত্রকোনায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নেত্রকোনা মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলায় রিপন মিয়াকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের নন্দুরা গ্রামের বাসিন্দা রিপন মিয়া পেশায় কাঠমিস্ত্রি হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে পরিচিতি লাভ করেন। অভিযোগ রয়েছে, কনটেন্ট তৈরির প্রলোভন দেখিয়ে তিনি ওই কিশোরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

গত শনিবার স্থানীয়রা অভিযুক্ত রিপন ও কিশোরীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর দুই দিন ধরে উভয় পরিবারের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলে। শেষ পর্যন্ত সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়ে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন। সালিশে রিপন নিজের ভুল স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয় এবং সালিশকারীরা তাকে ভুক্তভোগী পরিবারকে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার পাশাপাশি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

তবে মঙ্গলবার সকালে ওই সালিশের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। পুলিশ নন্দুরা গ্রামে গিয়ে অভিযুক্ত রিপন ও ভুক্তভোগী পরিবারের সন্ধান করে। এ সময় রিপনকে পাওয়া যায়নি। পরে পুলিশ কিশোরীর পরিবারকে খুঁজে বের করে থানায় মামলা করার পরামর্শ দেয়। রাতে ভুক্তভোগীর বাবা থানায় উপস্থিত হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা করি, কিন্তু তিনি পলাতক ছিলেন। ভুক্তভোগী পরিবারকেও খুঁজে বের করে থানায় আনা হয়। বর্তমানে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

নেত্রকোনায় কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
print news

নেত্রকোনায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নেত্রকোনা মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলায় রিপন মিয়াকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের নন্দুরা গ্রামের বাসিন্দা রিপন মিয়া পেশায় কাঠমিস্ত্রি হলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও তৈরি করে পরিচিতি লাভ করেন। অভিযোগ রয়েছে, কনটেন্ট তৈরির প্রলোভন দেখিয়ে তিনি ওই কিশোরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

গত শনিবার স্থানীয়রা অভিযুক্ত রিপন ও কিশোরীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর দুই দিন ধরে উভয় পরিবারের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলে। শেষ পর্যন্ত সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে স্থানীয় বিএনপি কার্যালয়ে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন। সালিশে রিপন নিজের ভুল স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয় এবং সালিশকারীরা তাকে ভুক্তভোগী পরিবারকে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার পাশাপাশি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

তবে মঙ্গলবার সকালে ওই সালিশের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। পুলিশ নন্দুরা গ্রামে গিয়ে অভিযুক্ত রিপন ও ভুক্তভোগী পরিবারের সন্ধান করে। এ সময় রিপনকে পাওয়া যায়নি। পরে পুলিশ কিশোরীর পরিবারকে খুঁজে বের করে থানায় মামলা করার পরামর্শ দেয়। রাতে ভুক্তভোগীর বাবা থানায় উপস্থিত হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা করি, কিন্তু তিনি পলাতক ছিলেন। ভুক্তভোগী পরিবারকেও খুঁজে বের করে থানায় আনা হয়। বর্তমানে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh